প্রবাস | The Daily Ittefaq

নেদারল্যান্ডে মুজিবনগর দিবস পালিত

নেদারল্যান্ডে মুজিবনগর দিবস পালিত
অনলাইন ডেস্ক১৮ এপ্রিল, ২০১৮ ইং ১৬:৩৪ মিঃ
নেদারল্যান্ডে মুজিবনগর দিবস পালিত
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে নেদারল্যান্ডে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।
 
অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তারা, নেদারল্যান্ড আওয়ামী-লীগের নেতা ও কর্মীরা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, চার জাতীয় নেতা, ত্রিশ লাখ শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করার পাশাপাশি দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।
বক্তব্যে নেদারল্যান্ড আওয়ামী লীগের বিশিষ্ট নেতা জনাব আলাউদ্দিন মোল্লা এবং জনাব জয়নাল আবেদীন ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তারা উল্লেখ করেন যে, স্বাধীনতা অর্জনের পথে ১৭ এপ্রিল এক তাৎপর্যপূর্ণ স্মৃতিবিজড়িত দিন, বাংলাদেশের স্বাধীন সরকারের শপথ নেয়ার দিন, স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠের দিন।
 
একাত্তর সালের অগ্নিঝরা এই দিনে হানাদার বাহিনী কর্তৃক আক্রান্ত বাঙালি জাতির আলোকবর্তিকা হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ মেহেপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে অনুষ্ঠিত হয়। রচিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস। ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নেয় স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। ৭১' এর পরাজিত শক্তির দোসররা এখনও বাংলাদেশের উন্নয়নকে ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে চলেছে। দেশমাতৃকার উন্নয়নে এবং ইতিহাস বিকৃতিকারীদের ষড়যন্ত্র রুখতে তারা নতুন প্রজন্মকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান।
 
নেদারল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ মুহম্মদ বেলাল তার বক্তব্যের শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, চার জাতীয় নেতা, ত্রিশ লাখ শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ১৯৭১ এর সেই ভয়াবহ সময়ে সীমিত সুযোগ সুবিধা সত্ত্বেও কেবল দেশপ্রম ও দূরদর্শী নেতৃত্বের জোরে সাহসী মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন।
 
জাতি হিসেবে আমরা গর্বিত যে, এমন একজন মহান নেতার নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি যাকে নিয়ে কোন দ্বিধা বিভক্তি ছিল না। তিনি ছিলেন আপামর বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা। প্রতিটি বাঙালির মধ্যে তার নেতৃত্বের এমন প্রভাব ছিল যে, তার অনুপস্থিতিতেও সকলে সুসংগঠিত থেকে বিজয় অর্জন করেছে।
রাষ্ট্রদূত বেলাল বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রার কথা উল্লেখ করে বলেন, উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতাকে অব্যাহত রাখতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসতে হবে। দেশের উন্নয়নকে বেগবান ও টেকসই করার জন্য নেদারল্যান্ডে অর্জিত তাদের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও সৃজনশীলতাকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশে পৌঁছে দেবার জন্য তিনি বাংলাদেশিদের প্রতি অনুরোধ জানান। উদ্ভাবনী শক্তি ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নত দেশসমূহ উন্নয়নের যে উচ্চ শিখরে পৌঁছেছে তা সত্যিই অনুসরণীয়। দেশের উদ্যোক্তাদের সাথে যোগসূত্র স্থাপন করে প্রবাসী বাংলাদেশীদের উন্নত দেশ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে উন্নত দেশসমূহের প্রযুক্তি দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
 
ইত্তেফাক/অারকেজি
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৬
এশা৭:০৯
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫১