প্রবাস | The Daily Ittefaq

স্টকহোমে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালন

স্টকহোমে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালন
ইত্তেফাক রিপোর্ট১৭ আগষ্ট, ২০১৮ ইং ১৩:০০ মিঃ
স্টকহোমে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালন
সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে বাংলাদেশ দূতাবাস বিনম্র  শ্রদ্ধা ও যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে। ১৫ আগস্ট জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মধ্য দিয়ে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়।
 
সন্ধ্যায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামমুখর জীবন, আদর্শ ও কর্মের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চিত্র ‘চিরঞ্জীব বঙ্গবন্ধু’ প্রদর্শিত হয়। পরে ১৫ আগস্ট শাহাদাৎ বরণকারীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
 
রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম-এর সভাপতিতে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সুইডেনে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন। 
 
সন্ধ্যার অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন ও অন্যান্য পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয় এবং সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। অত:পর  বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব, পুত্র ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল, দশ বছরের শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, কৃষকনেতা আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, যুবনেতা শেখ ফজলুল হক মনি ও তাঁর অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, বেবী সেরনিয়াবাত, সুকান্ত বাবু, আরিফ, আব্দুল নঈম খান রিন্টুসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
 
রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে আগত সুধীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রাদ্ধা জানান। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।
 
দূতাবাসের কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান শেখ মো. শাহরিয়ার মোশাররফ-এর সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দের অনেকেই বক্তব্য রাখেন। বক্তারা তাঁদের আলোচনায় স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় জাতির জনকের সম্মোহনী ও দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং অসামান্য আত্মত্যাগ-এর কথা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
 
একটি যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধুর সরকারের সাড়ে তিন বছরের অসামান্য সাফল্য উঠে আসে তাদের বক্তব্যে। বক্তারা স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধী চক্র কর্তৃক সংঘটিত ১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে মানব সভ্যতার ইতিহাসে একটি জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করেন। 
রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের জঘন্য হত্যাকাণ্ডে শাহাদাত বরণকারী সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
 
তিনি উল্লেখ করেন ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তাঁর আদর্শ ও স্বপ্নের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। তিনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরলস পরিশ্রমের ভূয়সী প্রসংশা করেন এবং উপস্থিত প্রবাসীদের প্রতি দেশের উন্নয়নে অধিকতর সম্পৃক্ত হওয়ার আহবান জানান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর উপর লেখা কবিতা ও গান পরিবেশিত হয় এবং বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।    
 
ইত্তেফাক/কেআই
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩৩
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৩
মাগরিব৫:৫৭
এশা৭:১০
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫২