ঢাকা মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯, ১২ চৈত্র ১৪২৫
২৮ °সে

বিনম্র শ্রদ্ধায় গ্রিসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

বিনম্র শ্রদ্ধায় গ্রিসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন
ফাইল ছবি

বিনম্র শ্রদ্ধা এবং উৎসাহ ও উদ্দীপনায় প্রবাসীদের ব্যাপক অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে গ্রিসে অনুষ্ঠিত হলো মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ব্যাপকভাবে প্রবাসীদের অংশগ্রহণের কথা বিবেচনা করে প্রবাসীদের অনুরোধে এ বছর এথেন্সে অমর একুশে এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সাপ্তাহিক ছুটির দিন ২৩শে ফেব্রুয়ারি আয়োজন করা হয়।

২৩শে ফেব্রুয়ারি বিকালে সমবেত জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে দূতাবাসের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। ভাষা শহিদদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর অমর একুশের তাৎপর্যের উপর একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা মহান একুশের শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার কাজে একযোগে কাজ করার উপর জোর দেন এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের চেতনা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত মো. জসীম উদ্দিন তার বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধার সাথে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের অমূল্য ভূমিকা এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।

আরো পড়ুন: কাশ্মীরে আবারও হামলা, কর্মকর্তা নিহত

তিনি বলেন, কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশির উদ্যোগে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বতঃস্ফূর্ত আগ্রহ ও ঐকান্তিক উদ্যোগের ফসল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পৃথিবীর শতাধিক দেশ পালন করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অবদান রাখার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্যের উপর জোর দেন তিনি।

এরপর বাংলাদেশ দূতাবাস পরিবার, এথেন্সের দোয়েল একাডেমি, বাংলা-গ্রিক শিক্ষা কেন্দ্র এবং স্থানীয় দোয়েল সাংস্কৃতিক সংগঠন -এর অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে একুশের কবিতা, ছড়া, আবৃত্তি, নৃত্য এবং সংগীত পরিবেশন করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৯ শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে এথেন্স মিউনিসিপালিটির এক সভায় কুমুদ্রু পার্কে স্থায়ী শহিদ মিনার স্থাপনের প্রাথমিক অনুমোদন প্রদান করা হয়। এথেন্সে শহিদ মিনার স্থাপনের জন্য এথেন্সে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস দীর্ঘদিন যাবত প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। ২০১৭ সালের ১১ জুলাই রাষ্ট্রদূত মো. জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বে দূতাবাস টিম এথেন্সের মেয়র জর্জিয়াস কামিনিসের সাথে বৈঠক করেন এবং ঐ বৈঠকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এথেন্সে একটি শহিদ মিনার স্থাপনের প্রস্তাব করেন। এ বৈঠকে রাষ্ট্রদূত মেয়রকে শহিদ মিনারের একটি প্রতিকৃতি উপহার দিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেন। এরপর দূতাবাস থেকে এথেন্সের কুমুদ্রু পার্কে একটি শহিদ মিনার স্থাপনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব সংবলিত একটি পত্র প্রেরণ করা হয়। অবশেষে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে সভায় এথেন্স মিউনিসিপালিটি দূতাবাসের প্রস্তাব অনুমোদন করে।

ইত্তেফাক/বিএএফ

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২৬ মার্চ, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন