রাজধানী | The Daily Ittefaq

শ্রমিকদের প্রজনন স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ কারাখানার উৎপাদনশীলতা বাড়ায়

শ্রমিকদের প্রজনন স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ কারাখানার উৎপাদনশীলতা বাড়ায়
অনলাইন ডেস্ক০৯ ডিসেম্বর, ২০১৫ ইং ১৯:০০ মিঃ
শ্রমিকদের প্রজনন স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ কারাখানার উৎপাদনশীলতা বাড়ায়

পোশাক শিল্প কারখানায় নিয়োজিত শ্রমিকদের প্রজনন স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগে কারাখানার উৎপাদনশীলতা বাড়ে শতকরা ১৩ ভাগ। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে স্থাপিত শীর্ষস্থানীয় পোশাক কারখানায় এক বছর ধরে পরিচালিত গবেষণার এ তথ্য প্রকাশ করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফুলকি। নেদারল্যান্ড দুতাবাসের সহায়তায় ‘নিরাপদ’ প্রকল্পের আওতায় বুুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত কর্মশালায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেদারল্যান্ডের বাংলাদেশস্থ রাষ্ট্রদূত লিওনি এম কালিনারে। অন্যান্যের মধ্যে ফার্স্ট সেক্রেটারি এলা ডি ভোগ্ড, ফুলকি চেয়ারম্যান রাশেদুল হাসান, বিজিএমইএ সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারুক হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।    

এ সময় নেদারল্যান্ডের বাংলাদেশস্থ রাষ্ট্রদূত লিওনি এম কালিনারে বলেন, পেশোক শিল্প কারখানা গুলোতে সচেতনতা মূলক প্রশিক্ষ কার্যক্রম এখানকার উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। ফুলকি গত তিন বছর ধরে যে কার্যক্রম চালিয়েছে তার প্রসংশা করে তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে জরিপ কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিচালিত গবেষণা প্রতিবেদনই বলছে পোশাক শিল্পে নিয়োজিত সুবিধা বঞ্চিত নারী শ্রমিকরা এখন লজ্জা, জড়তা এবং সামাজিক চাপ থেকে বেরিয়ে আসছে। তারা এখন নিজেদের প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, পোশাক শিল্প কারখানার মালিকের প্রতি এক টাকা খরচে ১৩ টাকা পর্যন্ত উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ে। আর এর বাইরে থাকায় পোশাক শিল্পে প্রতি বছর ২২.৫ মার্কিন ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে প্রতি এক হাজার জন শিশু জন্মের সময় ১৯৪ জন মা অথবা শিশু অনিরাপদ প্রসুতি সেবার কারণে মৃত্যু বরন করেন। পোশাক শিল্প কারখানাগুলোতে মা ও শিশুর এই উচ্চ মৃত্যু হার উদ্বেগজনক। এখানে প্রতি বছর ৮,০০০-১০,০০০ নারী গর্ভধারন, অনিরাপদ গর্ভপাত অথবা শিশু প্রসবকালীন সমস্যায় মৃত্যু বরন করছেন। আর্থিক, সাংস্কৃতিক অথবা ভৌগলিক অবস্থানের কারনে বাংলাদেশে অধিকাংশ গরীব ও ঝুঁকিপূর্ণ পেশার নারীরা যৌন স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা, নিরাপদ ঋতুস্রাব পরিচালনা, নিরাপদ গর্ভধারণ, গর্ভকালীন ত্রুটি, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য, বিকল্প সেবা, নিরাপদ প্রসব, প্রসব পরবর্তী সেবা ও নবজাতকের সুরক্ষা বিষয়ে খুবই অল্প জানেন এবং সেবায় প্রবেশাধিকার পান।

প্রতিবেদন প্রকাশ শেষে বেশ কয়েকজন শ্রমিক ও কারখানা মালিকরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এসময় অনন্ত গার্মেন্টস লিমিটেডের অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর সারা নাফিসা কাকলি বলেন, নারী শ্রমিকদের মধ্যে প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রোগ্রাম চালুর পর তার কারখানায় অনুপস্থিতির হার ৯৫ শতাংশ কমে গেছে। একই ধরনের মন্তব্য করেছেন ডিবিএল গ্রুপ ও জায়েন্ট গ্রুপের প্রতিনিধিরা।  

 

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৫ নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৫:১২
যোহর১১:৫৪
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩৫
সূর্যোদয় - ৬:৩৩সূর্যাস্ত - ০৫:১২