রাজধানী | The Daily Ittefaq

দোহারে পল্লী বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল বিতরণ করায় বিক্ষোভ

দোহারে পল্লী বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল বিতরণ করায় বিক্ষোভ
দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) সংবাদদাতা১৯ জুন, ২০১৭ ইং ০২:৫৫ মিঃ
দোহারে পল্লী বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল বিতরণ করায় বিক্ষোভ

ঢাকার দোহারের ইকরাশী ও কাচারীঘাট গ্রামে ভূতুড়ে বিদ্যুত্ বিল (অতিরিক্ত বিল) করার অভিযোগে গত শনিবার পল্লী বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে গ্রাহকরা। বিক্ষুব্ধ জনতা ঢাকা পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি-২ এর এজিএমসহ তিন কর্মকর্তাকে অন্তত দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। এ ছাড়াও নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের ছোট গোবিন্দপুর, গোল্লা ও ময়মন্দি গ্রাম থেকে এবার চলতি মাস (জুনের) বিদ্যুত্ বিলে পুকুর চুরির অভিযোগ উঠেছে ঢাকা পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি-২ এর বিরুদ্ধে।

দোহার ইকরাশী ও কাচারীঘাট গ্রামে ভুতুড়ে বিদ্যুত্ বিলের কারণে গ্রাহকরা একপর্যায়ে পল্লী বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষের এজিএমসহ তিন কর্মকর্তাদের ওপর জনতা চড়াও হয়ে মারধর করতে যায়। ওই দুই গ্রামে প্রায় চার হাজার গ্রাহকের ভূতুড়ে বিল এসেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দোহার উপজেলায় ৫৬ হাজার পল্লী বিদ্যুত্ গ্রাহক আছে। বেশির ভাগ গ্রাহকের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত বিল করেছে বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষ।

গত শনিবার সকাল ৯টার দিকে পল্লী বিদ্যুতের মাঠকর্মী মো. জানে আলম ও মো. হাবিব ইকরাশী ও কাচারীঘাট গ্রামে গ্রাহকদের বাড়িতে বাড়িতে বিদ্যুত্ বিল বিতরণ করতে যান। এ সময় বিগত মাসের তুলনায় চলতি মাসের বিদ্যুত্ বিলে বড় অঙ্কের অসামঞ্জস্য দেখে আঁতকে ওঠে গ্রাহকরা। বিলে লেখা ইউনিট দেখে সন্দেহ হলে সব গ্রাহক যে যার মিটারে থাকা ইউনিট দেখতে শুরু করে। প্রায় সব গ্রাহকই দেখতে পায়, মিটারে থাকা রিডিং থেকে ১০০ থেকে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিল বেশি করা হয়েছে প্রতিটি বিলে। পল্লী বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষের এমন ‘পুকুরচুরি’তে তাত্ক্ষণিকভাবে ক্ষোভে ফেটে পড়ে গ্রাহকরা।

ঢাকা পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি-২-এর এজিএম এসএম রাশেদুজ্জামানসহ আরো দুই কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরও অবরুদ্ধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় রাশেদুজ্জামান অতিরিক্ত বিলের বিষয়ে ভুল স্বীকার করে তা সমাধানের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ঢাকা পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি-২ এর এজিএম এস এম রাশেদুজ্জামান বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। তদন্ত করে গ্রাহকদের মাঝে পুনরায় সঠিক বিল বিতরণ করা হবে।

ঢাকা পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি-২ এর ডিজিএম প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেন বলেন, বাড়তি বিল কিভাবে করা হলো, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ঢাকা পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি-২ এর জেলারেল ম্যানেজার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, যদি এ রকম কারো কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে গ্রাহককে বিলের কাগজ নিয়ে অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৯ নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৫:১৫
যোহর১১:৫৬
আসর৩:৪০
মাগরিব৫:১৯
এশা৬:৩৬
সূর্যোদয় - ৬:৩৫সূর্যাস্ত - ০৫:১৪