রাজধানী | The Daily Ittefaq

হালাল শিল্পের মাধ্যমে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয় সম্ভব : আমু

হালাল শিল্পের মাধ্যমে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয় সম্ভব : আমু
অনলাইন ডেস্ক১৯ জুন, ২০১৭ ইং ১৭:৩৯ মিঃ
হালাল শিল্পের মাধ্যমে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয় সম্ভব : আমু
অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি হালাল খাদ্য ও পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটিয়ে বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।
 
তিনি বলেন, হালাল শিল্প বিশ্বব্যাপী একটি উদীয়মান শিল্পখাত। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত হওয়ায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্বব্যাপী হালাল খাদ্য ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ হালাল খাদ্য ও পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটিয়ে বিশ্ববাজারে রপ্তানি বাড়াতে পারে।
 
শিল্পমন্ত্রী রবিবার ঢাকায় ‘বাংলাদেশ হালাল এক্সপো-২০১৭’ এর সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
 
ইসলামিক ফউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের সাবেক পরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল বক্তব্য রাখেন।
 
শিল্পমন্ত্রী বলেন, হালাল শিল্প এখন বিশ্ব ইসলামিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অনুসঙ্গে পরিণত হয়েছে। ২০১৪ সালে বিশ্বে হালাল শিল্পের পরিমাণ ছিল ৭৯৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে প্রতিবছর হালাল খাদ্য ও পণ্যের চাহিদা ১০.৮ শতাংশ হারে বাড়ছে। ২০১৯ সাল নাগাদ বিশ্বে হালাল শিল্পের পরিমাণ ৩.৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে। হালাল খাদ্যের মত বিশ্বে হালাল পর্যটন শিল্পখাতও দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্ব পর্যটন শিল্পখাতের শতকরা ১১.৬ ভাগ হালাল পর্যটন শিল্পের আওতাভুক্ত। ২০১৯ সাল নাগাদ এ শিল্প ২৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে।
 
শিল্পমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের অনুকরণীয় মডেল। কৃষি উৎপাদনে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বে তৃতীয় এবং চাল, মিঠে পানির মাছ ও ছাগল উৎপাদনে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। তৈরি পোশাকের পর বাংলাদেশ রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণ ও রপ্তানির জন্য নতুন বাজার খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। এ লক্ষ্যে উদ্যোক্তাদের নগদ প্রণোদনাসহ সরকারি নীতিসহায়তা জোরদার করা হয়েছে।
 
তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীতে হালাল সনদপ্রাপ্ত ১৬টি খাদ্য ও পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মত আয়োজিত এ প্রদর্শনী হালাল খাদ্যের পরিচিতি বৃদ্ধির পাশাপাশি বাজার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।বাসস
 
ইত্তেফাক/ইউবি
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৯ জুন, ২০১৭ ইং
ফজর৩:৪৬
যোহর১২:০২
আসর৪:৪২
মাগরিব৬:৫২
এশা৮:১৭
সূর্যোদয় - ৫:১৪সূর্যাস্ত - ০৬:৪৭