রাজধানী | The Daily Ittefaq

পলওয়েল মার্কেটে রকমারি পোশাকের সমাহার

পলওয়েল মার্কেটে রকমারি পোশাকের সমাহার
রফিকুল ইসলাম রবি২০ জুন, ২০১৭ ইং ০৩:২০ মিঃ
পলওয়েল মার্কেটে রকমারি পোশাকের সমাহার

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নামি-দামি ব্রান্ডের পোশাকের পসরা রাজধানীর পলওয়েল সুপার মার্কেটে। ভিনদেশি এসব পণ্যের জন্য এর আলাদা সুনামও রয়েছে। তবে ঈদেও বেচাকেনা এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি এখানে। ক্রেতার ভিড় নেই বললেই চলে। তবে রমজানের শেষের দিকে ব্যবসা ভালো হবে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা।

পলওয়েল দোকান মালিক সমিতির কোষাধক্ষ্য এ বি এম সালাউদ্দিন বাশার বলেন, আমাদের লক্ষ্য বেশি বিক্রি, কম মুনফা। আর বিক্রিকে টার্গেট করে আমরা ঈদের আগে প্রস্তুত থাকি। তবে এবার বেচাকেনা অন্যান্য বছরের চেয়ে ৪০ শতাংশ কম। এর কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। আমাদের প্রস্তুতির কোনো ঘাটতি দেখছি না। আমাদের নানা বৈচিত্র্যের পোশাকের সংগ্রহ রয়েছে। প্রতিবারই ঈদের আগে আমরা ক্রেতাদের চহিদা, পোশাকে ক্রেতার রুচি ও আবহাওয়াকে লক্ষ্য রেখে কালেকশন করি। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

তবে রমজানের শেষের দিকে বেচাকেনা বাড়বে বলে আশা বিক্রেতাদের। ক্রেতারা বলছেন, দেশি পণ্যের মান বিদেশি পণ্যের চেয়ে ভালো হওয়ায় এবার বিদেশি পণ্যের মার্কেট থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে অনেকে।

এই মার্কেটে যৌক্তিক দামে বিদেশি পণ্য ক্রয়ের সুযোগ রয়েছে। যেখানে চীন, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ভারতের হাল ফ্যাশনের নারী, পুরুষ ও শিশুদের আইটেম পাওয়া যায়। যদিও দেশি কিছু আইটেমও পাওয়া যায়।

পলওয়েল মার্কেটের নিচতলা ও দোতলার দোকানগুলোতে সাধারণত খুচরা বিক্রি হয়। তৃতীয় তলা থেকে পঞ্চম তলা পর্যন্ত রয়েছে পাইকারির পাশাপাশি খুচরা বিক্রির ব্যবস্থা। প্রথম দুটি ফ্লোরে রয়েছে নারী-পুরুষ ও শিশু আইটেমের সমাহার। তৃতীয় তলা থেকে দোকানগুলো বেশিরভাগই বিশেষায়িত। যে দোকানে প্যান্ট বিক্রি হয়, তারা শুধু প্যান্টই বিক্রি করেন। আবার যারা জুতা তুলেছেন, তারা জুতাই বিক্রি করেন। তবে পাইকারি বিক্রির পাশাপাশি খুচরা বেচাকেনা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তারা বলেন, পাইকারি এবং খুচরা মূল্যের পার্থক্য সর্বোচ্চ ১শ’ টাকা। এজন্য আগের চেয়ে খুচরা বিক্রি বেড়েছে।

গতকাল পলওয়েল মার্কেটে ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিবছরের মতোই ছিমছামভাবে সাজানো হয়েছে মার্কেটটি। রয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। টাকা দিয়ে পণ্য সামগ্রী কিনে ক্রেতাদের যাতে ঠকতে না হয়, সেদিকে রয়েছে কর্তৃপক্ষের বিশেষ নজর। মার্কেটের কোনো দোকান বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল পণ্য বিক্রি করলে, প্রমাণ সাপেক্ষে সেই দোকানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। রয়েছে জরিমানার ব্যবস্থা।

পলওয়েল মার্কেটে মূলত শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীদের হাল ফ্যাশনের পোশাকই পাওয়া যাচ্ছে বেশি। ছোট-বড়দের থ্রি পিস, শর্ট ও লং লেহেঙ্গা, বোম্বের পাঞ্জাবি, পাকিস্তানি থ্রি পিস, ছেলেদের শার্ট, জুতা, কেডস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া মেয়েদের জুতা-স্যান্ডেলও আছে।

রক ল্যান্ডসে পাওয়া যাচ্ছে তরুণদের যাবতীয় হাল ফ্যাশনের পোশাক, কেডস, বেল্ট, টিশার্ট, শর্ট শার্টসহ যাবতীয় সামগ্রী। দোকানের মালিক জহিরুল জানালেন, এখানে ১৬০০ টাকা থেকে ২৬০০ টাকার মধ্যে বিদেশি জিন্স পাওয়া যাচ্ছে।

নিপ্রীতা এন্টারপ্রাইজ দোকানের বিক্রেতা বলেন, ঈদকে লক্ষ্য রেখে নতুন পোশাকের সংগ্রহ আছে তাদের। ইন্ডিয়ান প্যান্ট পাওয়া যাচ্ছে ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে। চীনের একই পোশাক সেখানে ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা। ইন্ডিয়ান শার্টের দাম ১ হাজার ৪০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকার মধ্যে।

থ্যাইল্যান্ডের, ইতালি, জার্মানির মূল ব্যান্ডের শার্ট ও টি-শার্টের দাম ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু। এসব পোশাকের সর্বোচ্চ দাম ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২১ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫০
মাগরিব৫:৩১
এশা৬:৪৩
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৬