রাজধানী | The Daily Ittefaq

আলোচনায় লেকহেড স্কুলের জঙ্গি কানেকশন

আলোচনায় লেকহেড স্কুলের জঙ্গি কানেকশন
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মোতালেব-নাসির সাময়িক বরধাস্ত মালিক গ্রেফতারের পর বের হয়ে আসলো সকল তথ্য
আবুল খায়ের২৪ জানুয়ারী, ২০১৮ ইং ০১:০৩ মিঃ
আলোচনায় লেকহেড স্কুলের জঙ্গি কানেকশন

জঙ্গি তৈরির কারখানা সেই লেকহেড গ্রামার স্কুল আবারও আলোচনায় এসেছে। নিখোঁজ জঙ্গি নেতা রেজোয়ান হারুনের সঙ্গে ঘনিষ্ট বন্ধুত্ব রয়েছে গ্রেফতারকৃত লেকহেড গ্রামার স্কুলের মালিক খালেদ হাসান মতিনের। রেজওয়ান হারুনের বাবা ইঞ্জিনিয়ার হারুণ ছিলেন এই স্কুলের মালিক। তিনি স্কুল পরিচালনার পাশাপাশি জঙ্গি কর্মকান্ডে জড়িত। হলি আর্টিজানের ঘটনার পর একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা জঙ্গি তৈরির কারখানা হিসেবে এই লেকডেহ স্কুলের সন্ধান পায়। তখন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তত্পরতায় প্রেক্ষিতে ইঞ্জিনিয়ার হারুণ তার ছেলের বন্ধু খালেদ হাসান মতিনের কাছে স্কুলটি বিক্রি করে দেন। এভাবে এক জঙ্গির কাছ থেকে আরেক জঙ্গির  ছেলের কাছে এই স্কুলের মালিকানা হস্তান্তর হয়। মালিক খালেদ হাসান মতিন গ্রেফতার হওয়ার পর বের হয়ে এসেছে জঙ্গি কর্মকান্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি। বন্ধ করে দেওয়া লেকহেড গ্রামার স্কুলটিকে খুলে দিতে আদালতের আদেশ অমান্য করে রাষ্ট্রীয় নথি পাচার করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তা-কর্মচারী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মচারী ও লেকহেড স্কুলের এক পরিচালকের বিরুদ্ধে করা মামলার এজাহারে এ তথ্য গতকাল মঙ্গলবার বের হওয়ার প্রেক্ষিতে সারাদেশে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে দুর্ধর্ষ জঙ্গি তৈরির কারখানা লেকহেড গ্রামার স্কুল।

জানা গেছে, হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর অনেক জঙ্গির লেকহেড গ্রামার স্কুলে সম্পৃক্ততার তথ্য পায় একাধিক গোয়েন্দা। স্কুলের পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীদের                 অনেকের বিরুদ্ধে জঙ্গি কর্মকান্ডের জড়িত থাকার একের পর এক প্রমাণ আসতে থাকে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, পরিবারসহ সিরিয়ায় চলে যাওয়া মাইনুদ্দিন শরীফ, তার ভাই রেজোয়ান শরীফ, ফারজাদ হক, রিফাত, রিফাতের ভাই সাদমান, তাসনুভা, ইয়াসিন তালুকদার, আরিফুর রহমান ও সিরিয়ায় চলে যাওয়া জুবায়েদুর রহিমও এই স্কুলের সাবেক শিক্ষক। ২০১৪ সালে ঢাকায় গ্রেফতার হওয়া আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য আহমেদ ওয়াদুদ ওরফে জুম্মন ওরফে সাইফুল ওরফে অর্ণব এই স্কুলের কম্পিউটার শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। তারা ছাড়াও লেকহেড গ্রামার স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজোয়ান হারুনের সঙ্গে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ‘আধ্যাত্মিক নেতা’ কারাবন্দি জসিমউদ্দিন, মালোশিয়া থেকে ফেরত পাঠানো আনসারুল্লাহর শীর্ষ জঙ্গি রেজওয়ানুল আজাদ রানা, পাকিস্তানে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার হওয়া ইফতেখার আহমেদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, লেকহেড স্কুলে সন্ধ্যকালীন মজমা বসতো। সেখানে আসতো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলসহ রাজধানীর নামিদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রী। এই স্কুলের শিক্ষার্থীরাও মজমায় অংশ নিতেন। আর সেখানে বয়ান দেওয়া হতো কিভাবে বেহেস্তে যাওয়া যাবে, কিভাবে পরকালে সবার সঙ্গে দেখা হবে। এভাবে জঙ্গি কাজে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে তারা মগজ ধোলাই দিতেন। আর বয়ান দেওয়ার কাজটি করতেন রাজীব করিম, স্বপরিবারে নিখোঁজ জঙ্গি শিশু হাসপাতালের ডাক্তার রোকন উদ্দিন খন্দকার, ড. রেজাউর রাজ্জাকসহ অনেকে। এভাবে দুর্ধর্ষ জঙ্গি তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয় লেকহেড স্কুলে। এই স্কুলে জঙ্গি কর্মকান্ডের টাকা বিদেশ থেকে আসে। এ তথ্য আসার পর একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা তা তদন্ত করছে।

জানা গেছে, ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এ স্কুলের গুলশান এবং ধানমন্ডিতে দুটি শাখা রয়েছে। বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই এই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা থেকে শুরু করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন জঙ্গি কার্যক্রমে জড়িত। দেশে-বিদেশে আত্মগোপনে থাকা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নিহত অনেক জঙ্গিরই এই স্কুলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ছিল। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম ও নব্য জেএমবির সদস্যদের অনেকেরই এই স্কুলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে। জানা গেছে, এই স্কুলের প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ জেনিফার আহমেদ বাংলাদেশ হিযবুত তাহরীর এর অন্যতম প্রধান সংগঠক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গোলাম মাওলার স্ত্রী। নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সাথে জেনিফারও সম্পৃক্ততা ছিল। অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠাতাসহ লেকহেড স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী মিলে অন্তত অর্ধশত ব্যক্তি জঙ্গি সম্পৃক্ততায় জড়িত। যার নেপথ্যে রয়েছেন এই স্কুলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা রেজোয়ান হারুন ও গোলাম মাওলা। সর্বশেষ আত্মগোপনে যাওয়ার আগে এই স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন রেজোয়ান হারুন। অন্যদিকে এই স্কুলের অধ্যক্ষ হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশে কার্যক্রম চালুর নেপথ্য নায়ক গোলাম মাওলার স্ত্রী জেনিফার আহমেদ। হিযবুত তাহরীর ছাড়াও এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিদেশি বিভিন্ন জঙ্গির সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে।

লেকহেড গ্রামার স্কুলটি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনপ্রাপ্ত নয়। এটির বিরুদ্ধে ধর্মীয় উগ্রবাদে অনুপ্রেরণা দান, উগ্রবাদী সংগঠন সৃষ্টি, জঙ্গি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতাসহ জাতীয়/স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। এজন্য প্রতিষ্ঠানটির সকল কার্যক্রম বন্ধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে ২০১৬ সালের নভেম্বরে একটি সরকারি সংস্থার প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা বোর্ডকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো। পরবর্তীতে গত বছরের জুলাই মাসে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে ঢাকা বোর্ড। এসবের ভিত্তিতে জঙ্গিবাদে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ এনে ঢাকার লেকহেড গ্রামার স্কুলটি বন্ধের নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ঢাকা জেলা প্রশাসককে পাঠানো এক চিঠিতে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এই স্কুলের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় ঢাকার জেলা প্রশাসক। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে জেলা প্রশাসকের হয়ে একজন ম্যাজিস্ট্রেট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় স্কুলটি সিলগালা করে দেয়। এর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি স্কুলটির অ্যাডমিনের দায়িত্বপালনকারী একজনের হেফাজতে দেওয়া হয়। পরে স্কুল বন্ধের নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হলে আদালত ৯ নভেম্বর রুল জারি করেন। এতে স্কুলটি বন্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। গত ১৪ নভেম্বর ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্কুলটি খুলে দেওয়ার রায় দেন হাইকোর্ট। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন।

ঢাকা জেলার ম্যাজিস্ট্রেট ইলিয়াস মেহেদী বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে লেকহেড গ্রামার স্কুলের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে স্কুলটি আমাদের বন্ধ করার জন্য বলা হয়েছে। আমরা প্রতিষ্ঠানটির দু’টি শাখার সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘একজন অ্যাডমিনের জিম্মায় স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি রেখে আসা হয়েছে। তার কাছ থেকে ৮ নভেম্বর থেকে অ্যাকাডেমিকসহ সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে লিখিত নেওয়া হয়েছে। এর ব্যতিক্রম হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০৬ সালে ধানমন্ডির ৬/এ সড়কে প্রতিষ্ঠিত হওয়া স্কুলটির প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন হিযবুত তাহরীরের প্রধান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গোলাম মাওলার স্ত্রী জেনিফার আহমেদ। বর্তমানে ধানমন্ডির ১১/এ সড়কে ও গুলশানের ১৩৫ নম্বর সড়কে অবস্থিত স্কুলটি শুরু থেকেই জঙ্গিবাদে মদদ দিয়ে আসছিল। ২০০৯ সালে হিযবুত তাহরীর নিষিদ্ধ হওয়ার পর প্রথম আলোচনায় আসে এই স্কুল। ওই সময় স্কুলটি পরিচালনার পূর্ণ দায়িত্ব নেন হারুন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের কর্ণধার হারুন অর রশিদ ও তার ছেলে রেজোয়ান হারুন। এরপর থেকে এই স্কুলে আরও বেশি জঙ্গিবাদে মদদ দেওয়ার অভিযোগ বাড়তে থাকে। গোয়েন্দা সংশ্লিষ্ট একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, লেকহেড স্কুলের এক সময়ের চেয়ারম্যান লতিফ আহমেদ হলো প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ জেনিফার আহমেদের বাবা। তার আরেক সন্তান সাব্বির আহমেদও এই স্কুলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। এছাড়া আরেক অধ্যক্ষ ফারজানা আহমেদের বিরুদ্ধেও জঙ্গিবাদে মদদ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গোলাম মাওলা-জেনিফার আহমেদ দম্পতির সূত্র ধরেই এই স্কুলে হিযবুত তাহরীরের শীর্ষ নেতা মনিরুজ্জামান মাসুদ, নাঈম, জুবায়ের কৌশিক, জাহিদুর রহমান, মৌমিতাসহ আরও অন্তত দু’জন শিক্ষক কর্মরত ছিলেন, যাদের বিরুদ্ধে হিযবুতের তাহরীরের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার প্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা।

জানা গেছে, জঙ্গি আলী হাসান মাহমুদ রিপন, রাফায়েল, সাদ্দামও এই স্কুলের সাবেক শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া আল-কায়েদা ইন এরাবিয়ান পেনিনসুলা বা একিউএপি’র সঙ্গে সম্পৃক্ত রাজীব করিম ছিলেন এই স্কুলের সাবেক শিক্ষক। যুক্তরাষ্ট্রগামী বৃটিশ এয়ারওয়েজ উড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে গ্রেফতারের পর তিনি বর্তমানে বৃটিশ কারাগারে বন্দি। রাজীব করিমের ভাই তেহজিব করিম, তেহজিবের স্ত্রী সিরাত করিমও এই স্কুলের সাবেক শিক্ষক। ২০১০ সালে ইয়মেনে আল-কায়েদাবিরোধী অভিযোনে গ্রেফতার হয়েছিলেন তেহজিব। তেহজিবের শ্বশুর এ রশিদ চৌধুরীও এই স্কুলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন ইত্তেফাককে জানান, লেকহেড গ্রামার স্কুলের মালিক খালেদ হাসান মতিনের বিরুদ্ধে অনেক তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে, তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনের মামলার প্রস্তুতি চলছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মোতালেব-নাসির সাময়িক বরধাস্ত

ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার হওয়া শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সহকারী (পিও) মোতালেব হোসেন এবং মন্ত্রনালয়ের উচ্চমান সহকারী নাছির হোসেনের বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতির’ তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই দুই কর্মকর্তাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে গত রবিবার রাতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে বনানী থানায় মামলা করেছে ডিবি। মামলায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ করা হয়েছে। এদিকে গতকাল সকালে গ্রেফতারকৃত মোতালেব হোসেন, নাছির হোসেন এবং লেক হেড স্কুলের মালিক মো. খালেদ হাসানকে আদালতে হাজির করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এবং মামলাটি তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।

এদিকে দুদক সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে দুদকের অনুসন্ধান টিম কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছে। এর আগে গতকাল সকালে এক অনুষ্ঠানে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যে সকল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে  গণমাধ্যমে ঘুষ-দুর্নীতির সংবাদ এসেছে, এগুলোর বিষয়ে ইতোমধ্যেই অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয় নয়, যে কোনো মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ঘটলে দুদক অবশ্যই অনুসন্ধান করবে।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩৩
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৫
এশা৭:০৮
সূর্যোদয় - ৫:৪৮সূর্যাস্ত - ০৫:৫০