রাজধানী | The Daily Ittefaq

ঈদে ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় চলবে ২১১ লঞ্চ

ঈদে ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় চলবে ২১১ লঞ্চ
বিশেষ প্রতিনিধি২০ আগষ্ট, ২০১৮ ইং ০২:৪১ মিঃ
ঈদে ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় চলবে ২১১ লঞ্চ
নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে লঞ্চে না উঠতে এবং লঞ্চের ছাদে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে যাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সাথে তিনি খারাপ আবহাওয়ায় লঞ্চ না চালাতে এবং ঈদের সময় লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া না নিতে লঞ্চ মালিক ও শ্রমিকদের প্রতিও আহ্বান জানান। গতকাল রবিবার রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ দিকে নৌযান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থা জানিয়েছে, এবারের ঈদে মোট ২১১টি সরকারি ও বেসরকারি লঞ্চ ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করবে। যার সবগুলোরই ট্রায়াল ও সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
 
নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াতের লক্ষ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশ, জেলা ও পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টরা নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যাত্রীদের যাতায়াত আনন্দময় হবে। যাত্রী, নৌযান মালিক, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টদের সচেতনতার ফলে বিগত চার বছরে বড় ধরনের কোনো লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটেনি।
 
শাজাহান খান বলেন, ঢাকা সদরঘাটে হকারমুক্ত সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করছে। এখানে মলম পার্টি বা অজ্ঞান পার্টির কোনো ধরনের উত্পাত নেই। এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে সরকারের আন্তরিকতার কারণে। ঈদের সময় স্বাভাবিকের চেয়ে যাত্রীদের চাপ অনেক বেশি থাকে। যাত্রীদের সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে নৌযানের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে সরকারের আন্তরিকতার অভাব নেই।
 
ঢাকা সদরঘাট টার্মিনালে লঞ্চে যাতায়াতের সুবিধার্থে ২০টি পন্টুন রয়েছে। সদরঘাটস্থ এক নম্বর টার্মিনাল ভবনের পূর্বদিকে লালকুঠি ও শ্যামবাজার পর্যন্ত পন্টুন এলাকা বাড়ানো হয়েছে এবং পার্কিং ইয়ার্ড করা হয়েছে। পরে মন্ত্রী টার্মিনাল ভবন-২-এ নবনির্মিত মসজিদ এবং ঢাকা নদী বন্দরের নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তার কার্যালয় উদ্বোধন করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হক, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
 
প্রসঙ্গত, নৌযান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার প্রদত্ত তথ্য মতে, ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে চলাচলকারী বেশকিছু বড় লঞ্চ শনিবার থেকে তাদের স্পেশাল সার্ভিস শুরু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিলাসবহুল এমভি অ্যাডভেঞ্চার-১ ও ৯, কীর্তনখোলা-২ ও ১০, সুরভী-৭, ৮ ও ৯, সুন্দরবন-৮, ১০ ও ১১, পারাবত-৮, ৯, ১০, ১১ ও ১২, দ্বীপরাজ, ফারহান-৮, টিপু-৭, কালাম খান-১, গ্রিন লাইন-২ ও ৩। তবে আরও বেশকিছু লঞ্চ স্পেশাল সার্ভিসে যোগ দিতে পারে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩০
যোহর১১:৫৩
আসর৪:১৭
মাগরিব৬:০২
এশা৭:১৫
সূর্যোদয় - ৫:৪৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৭