রাজধানী | The Daily Ittefaq

সংস্কার বাকি রেখেই আজ উদ্বোধন হচ্ছে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের

সংস্কার বাকি রেখেই আজ উদ্বোধন হচ্ছে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের
রেজাউল হক কৌশিক১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ০৮:২৬ মিঃ
সংস্কার বাকি রেখেই আজ উদ্বোধন হচ্ছে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের
 
প্রায় চার বছর পর নতুন নামে, নতুন রূপে আসছে হোটেল রূপসী বাংলা। আগের নাম হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকা নামেই ফিরছে হোটেলটি। তবে সংস্কার কাজ শেষ না হওয়ায় এখনো পর্যন্ত অতিথি উঠার মতো অবস্থা হয়নি। পুরো কাজ শেষ করতে আরো কিছুদিন লাগবে। টানা চার বছর সংস্কার কাজ শেষে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে হোটেলটি আজ বৃহস্পতিবার উদ্বোধন করা হবে। হোটেলটি সংস্কার কাজের জন্য বন্ধ থাকায় এ সময়ে ১৩৩ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে চালু হলে এটা পর্যটন শিল্পে ব্যাপক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি লাভজনক প্রতিষ্ঠান হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
 
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের মার্কেটিং অ্যান্ড বিজনেস প্রমোশন বিষয়ক পরিচালক শাহিদুস সাদিক ইত্তেফাককে বলেন, এখন উদ্বোধন হলেও অতিথিদের জন্য এখনো প্রস্তুত হয়নি। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।
 
জানা গেছে, পাঁচতারা হোটেল রূপসী বাংলা হোটেলকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা নামে ব্রান্ডিং শুরুর আগে হোটেল ভবনের ব্যাপক সংস্কার কাজ হাতে নেওয়া হয়। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে সাময়িকভাবে বন্ধ হয় হোটেলটি। পরের বছরের মার্চ মাসে সংস্কার কাজ শুরু হয়। এখনো চলছে সংস্কারের কাজ। নির্ধারিত সময়ে সংস্কার শেষ না হওয়ায় এরই মধ্যে কয়েক দফায় সময় বাড়ানো হয়েছে। ফলে ব্যয়ও বেড়েছে। প্রথমে সংস্কার কাজের জন্য ৩৪৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হলেও এখন তা ৬০ শতাংশ বেড়ে ৫৫০ কোটি হয়েছে।
 
সূত্র জানায়, ষাটের দশকের মাঝামাঝিতে দেশে প্রথম পাঁচতারা মর্যাদায় যাত্রা শুরু করে হোটেলটি। ২০১১ সাল পর্যন্ত হোটেলটি পরিচালনা করে স্টারউডের চেইন কোম্পানি শেরাটন। শেরাটনের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে ২০১১ সালের মে থেকে ২০১৪ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত হোটেলটি পরিচালিত হয় রূপসী বাংলা নামে। চুক্তি অনুযায়ী হোটেলটির পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়া ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলস গ্রুপ ৩০ বছর হোটেলটি পরিচালনার পর চাইলে দু’দফায় পাঁচ বছর করে আরো ১০ বছরের জন্য চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে পারবে। মেয়াদ বাড়াতে চাইলে সেসময় বিএসএলের (বাংলাদেশ সার্ভিস লিমিটেডের) কাছে আবেদন করলেই চলবে।
 
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে ও পরে এ হোটেলের ঐতিহাসিক ভূমিকা ও গুরুত্ব রয়েছে। সেজন্য হোটেল ভবনের আকর্ষণীয় ঐতিহ্য সমুন্নত রেখে মূলভবন না ভেঙ্গে সংস্কার করা হচ্ছে। বাড়ানো হচ্ছে সুযোগ-সুবিধা। হোটেলের অতিথি কক্ষের আয়তন ২৬ থেকে ৪০ বর্গমিটারে বাড়ানো হয়েছে। দিনের আলোসম্বলিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দর্শনযোগ্য স্থানে ডাইনিং স্থানান্তর, স্পেসিয়ালিটি ও থিম রেস্টুরেন্ট নির্মাণ, আধুনিক অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা ও অডিও-ভিজুয়াল লাইটিং সুবিধাসহ পাবলিক এরিয়া, ব্যাংকুয়েট হল ও মিটিং রুম সংস্কার, হেলথ ক্লাবসহ সুইমিংপুল অন্যত্র স্থানান্তর এবং আধুনিকায়ন, রন্ধনশালা ও লন্ড্রির সরঞ্জামাদি প্রতিস্থাপনসহ সংস্কার ও মেকানিক্যাল-ইলেকট্রিক্যাল-প্লাম্বিং সিস্টেমের আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
 
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৪
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩