আদালত | The Daily Ittefaq

শাম্মী হত্যা: মামলা তদন্ত করবে পিবিআই, ময়নাতদন্ত পর্যালোচনায় কমিটি

শাম্মী হত্যা: মামলা তদন্ত করবে পিবিআই, ময়নাতদন্ত পর্যালোচনায় কমিটি
ইত্তেফাক রিপোর্ট০৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং ১১:৫৪ মিঃ
শাম্মী হত্যা: মামলা তদন্ত করবে পিবিআই, ময়নাতদন্ত পর্যালোচনায় কমিটি
গৃহবধু শাম্মী হত্যা মামলার তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বর্তমান ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনার জন্য তিনজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ দিয়ে কমিটি গঠন করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গঠিত কমিটি বর্তমান ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা করে নতুন করে প্রতিবেদন দাখিল করবে।
 
বিচারপতি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের ডিভিশন বেঞ্চ আজ এই আদেশ দেন।
 
এর আগে মামলার তদন্ত নিয়ে গড়িমসির অভিযোগে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নওশের আলী ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সোহেল মাহমুদকেও তলব করেন হাইকোর্ট। তলবের প্রেক্ষিতে তারা উভয়েই আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন।  
 
ময়নাতদন্ত রিপোর্টে ডা. সোহেল মাহমুদ নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকলেও তা মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট নয় বলে উল্লেখ করেছিলেন। একইসঙ্গে তিনি এই মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে অভিহিত করেছেন। পরবর্তীতে আদালত ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দেখে উপরোক্ত এই আদেশ দেন।  
 
আদালতে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।
 
গত ৫ নভেম্বর ‘গৃহবধু শাম্মী হত্যা মামলা-মাকে বাবা অনেক কষ্ট দিয়ে মেরেছে’ তদন্ত কর্মকর্তার গড়িমসির অভিযোগ-শিরোনামে একটি প্রতিবেদন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়।
 
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৭ জুন রাতে রাজধানীর কল্যাণপুরে ভাড়া বাসায় একটি বায়িং হাউসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন টিটু তার স্ত্রী শামিমা লাইলা আরজুমান্না খান শাম্মীকে অমানবিক নির্যাতন করে হত্যা করে। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
 
এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. ফরহাদ হোসেন বাদি হয়ে পরদিন মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ ঘাতক স্বামী আলমগীর ও তার তৃতীয় স্ত্রী ইসরাত জাহান মুক্তাকে গ্রেফতার করে।
 
ইত্তেফাক/কেআই
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১২ নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৫:০৯
যোহর১১:৫২
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩৪
সূর্যোদয় - ৬:৩০সূর্যাস্ত - ০৫:১১