আদালত | The Daily Ittefaq

খুলনায় হত্যা মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন

খুলনায় হত্যা মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন
খুলনা অফিস৩১ মে, ২০১৮ ইং ১৮:৩৭ মিঃ
খুলনায় হত্যা মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন
খুলনায় সুকুমার বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তি হত্যা মামলায় সাত আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১০হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ১২বছর পর আজ বৃহস্পতিবার খুলনার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এস এম আব্দুস ছালাম এ রায় ঘোষণা করেন।
 
এছাড়া ১৪৩ ও ৪৪৭ধারায় দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে তিনমাস করে সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০০টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫দিনের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৬ ও ৩০৭ ধারায় প্রত্যেককে তিনবছর সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। সকল দণ্ডই একসঙ্গে চলবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
 
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ডুমুরিয়া উপজেলার আন্দুলিয়া গ্রামের নারায়ণ চন্দ্র সাহার ছেলে প্রদীপ সাহা (৫২), উত্তর বিলপাবলা এলাকার শচীন বিশ্বাসের ছেলে বিকাশ বিশ্বাস (২৬), সুরেশ বিশ্বাসের ছেলে কার্তিক বিশ্বাস (২৫), হরিদাস শিকদারের ছেলে তপন শিকদার (৩০), কালীদাস শিকদারের ছেলে মতিলাল শিকদার (৪০), মৃত অমূল্য বিশ্বাসের দুই ছেলে সুভাষ বিশ্বাস (৩৯) ও রমেশ বিশ্বাস (৩৬)। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রদীপ সাহা ও সুভাষ বিশ্বাস রায় ঘোষণাকালে আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য পাঁচ আসামি পলাতক রয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১৩জনকে বেকসুর খালাস প্রদান করে আদালত।
 
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদ বলেন, মামলার নথির উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ডুমুরিয়া উপজেলার উত্তর বিল পাবলা গ্রামে ১৬১ একর জলমহাল ইজারা নিয়ে একটি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সাথে মৎস্য চাষ শুরু করেন একই এলাকার অভিমন্যু সরদারের ছেলে ভরত সরদার। এ জলমহাল নিয়ে প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। এ জলমহালটি পুনরায় ইজারা নেয়ার জন্য ২০০৬ সালের ১৮জুলাই রাত ৯টার দিকে মুকুন্দনাথ বিশ্বাসের বাড়িতে বসে এ বিষয়ে আলোচনা চলছিলো। রাত ১১টার দিকে বেশ কিছু ব্যক্তি পিস্তল, রামদা, লাঠিসোটা নিয়ে আলোচনাস্থলে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে তারা ভরত সরদারের মামাতো ভাই সুকুমার বিশ্বাসের গলায় গুলি করে এবং অন্যান্যদের কুপিয়ে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় সুকুমারকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
 
এ ঘটনার পরের দিন ভরত সরদার ১২জনের নাম উল্লেখ করে ডুমুরিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডুমুরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক স্বপন কুমার মজুমদার ২০০৭ সালের ২১ জানুয়ারি ২০জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
 
ইত্তেফাক/এসএস
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩৩
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৫
এশা৭:০৮
সূর্যোদয় - ৫:৪৮সূর্যাস্ত - ০৫:৫০