আদালত | The Daily Ittefaq

কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে চালকদের লাইসেন্স : হাইকোর্ট

কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে চালকদের লাইসেন্স : হাইকোর্ট
ইত্তেফাক রিপোর্ট৩১ জুলাই, ২০১৮ ইং ০৩:২৩ মিঃ
কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে চালকদের লাইসেন্স : হাইকোর্ট
ঢাকার বিমান বন্দর সড়কে বাস চাপায় নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারকে এক সপ্তাহের মধ্যে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য জাবালে নূর পরিবহন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ক্ষতিপূরণের অর্থ নিহতদের পরিবার পেয়েছে কি না সেটা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চেয়ারম্যানকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া আহত শিক্ষার্থীদের চিকিত্সাসেবা বহনের জন্য ওই পরিবহন মালিককে বলা হয়েছে।
 
এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মোঃ খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ আদেশ দেন। এ ছাড়া কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে গণপরিবহনের চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে ও হচ্ছে এবং সড়কে চলাচলকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এ বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বিআরটিএর চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে। পাশাপাশি দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় জাবালে নূর পরিবহনের দায়-দায়িত্ব নিরূপণ করতে বুয়েটের অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটকে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দিতে বিআরটিএ ও ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী ১২ আগস্ট মামলাটি পরবর্তী শুনানির জন্য কার্যতালিকায় থাকবে।
 
রবিবার রাজধানীতে বাস চাপায় শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী মিম ও করিমের মৃত্যুর ঘটনায় হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটে নিহত শিক্ষার্থীদের পরিবারকে দুই কোটি টাকা করে চার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়। শুনানিতে তিনি বলেন, এটা সাধারণ কোনো দুর্ঘটনা নয়, সরাসরি মানুষ হত্যা। কারণ এ শিক্ষার্থীরা ফুটপাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন বাসের জন্য। দুটি বাসের রেষারেষির কারণেই তাদের উপর একটি বাস উঠিয়ে দেয়া হয়। যার কারণে এই হত্যাকাণ্ড। অসাবধানতাবশত রাস্তা পার হতে গিয়ে যদি তারা মারা যেত তা হলে হত্যাকাণ্ড বলার সুযোগ ছিল না। এ কারণে হাইকোর্টের যথাযথ নির্দেশনা দেয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, দুই বাসের রেষারেষির কারণে এর আগে তিতুমির কলেজের শিক্ষার্থী রাজীব একটি হাত হারিয়ে মৃত্যুবরণ করে। এখনই যদি লাগাম টেনে না ধরা হয় তা হলে অনেক মানুষকেই এভাবে মৃত্যুবরণ করতে হবে।
 
রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ইতোমধ্যে দুটি বাসের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে। আহতদের চিকিত্সা চলছে। এ সময় উপস্থিত সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব আদালতে বলেন, এই দুর্ঘটনার দায় কোনোভাবেই সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের এড়ানোর সুযোগ নেই। তাদের আদালতে ডেকে পাঠানো উচিত।
 
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে হাইকোর্ট অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের পাশপাশি রুল জারি করে। রুলে নিহত শিক্ষার্থী করিম ও দিয়ার পরিবারকে দুই কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছে আদালত। চার সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব, সড়ক পরিবহন সচিব, পুলিশের আইজি, ডিএমপি কমিশনার, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক), বিআরটিএ চেয়ারম্যান ও জাবালে নূর পরিবহন কর্তৃপক্ষকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩৪
যোহর১১:৫১
আসর৪:১১
মাগরিব৫:৫৪
এশা৭:০৭
সূর্যোদয় - ৫:৪৮সূর্যাস্ত - ০৫:৪৯