আদালত | The Daily Ittefaq

‘গ্রেনেড হামলার আলামত আদালতের অনুমতি ছাড়াই নষ্ট করা হয়েছে’

‘গ্রেনেড হামলার আলামত আদালতের অনুমতি ছাড়াই নষ্ট করা হয়েছে’
অনলাইন ডেস্ক২৭ আগষ্ট, ২০১৮ ইং ১৭:০৭ মিঃ
‘গ্রেনেড হামলার আলামত আদালতের অনুমতি ছাড়াই নষ্ট করা হয়েছে’
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনার আলামত আদালতের অনুমতি ছাড়াই নষ্ট ও ধ্বংস করা হয়েছে।
 
রাষ্ট্রপক্ষে প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান আজ সোমবার আসামি লুৎফুজ্জামান বাবরের আইনজীবীর যুক্তিতর্ক পেশকালে আদালতে এ কথা বলেন।
 
সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, নিরস্ত্র মানুষের সমাবেশে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ বর্বরোচিত ও নৃশংস গ্রেনেড হামলার মতো ঘটনা শুধু এশিয়া মহাদেশেই নয় পৃথিবীর ইতিহাসেও নেই।
 
রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালতে একুশে আগস্টের ঘটনায় আনা পৃথক মামলায় একই সঙ্গে বিচার চলছে। মামলায় এ পর্যন্ত ৪৪ আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক পেশ শেষ হয়েছে।
 
আজ ছিল এ মামলার যুক্তিতর্ক পেশ করার ১১০তম দিন। বাবরের পক্ষে আজ ষষ্ঠ দিনের মতো মুক্তিতর্ক পেশ করেছেন তার আইনজীবী নজরুল ইসলাম। এ আসামির যুক্তিতর্ক পেশ শেষ হলে আসামিপক্ষে যুক্তিতর্ক পেশ সমাপ্ত হবে। আগামীকাল ২৮ ও পরদিন ২৯ আগস্টও মামলার তারিখ ধার্য রয়েছে।
 
আজ আসামি বাবরের পক্ষে তার আইনজীবী এ মামলার সাক্ষি আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাসিম (পিডব্লিও-১৫৩), মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম (পিডব্লিও-১৫৪)-এর সাক্ষ্য থেকে যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন। এছাড়াও মামলার আসামি মুফতি হান্নান ও মাওলানা আবদুস সালামের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে যুক্তিতর্ক তুলে ধরে আসামিপক্ষ। 
 
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল কাহ্হার আখন্দের (পিডব্লিও-২২৫) সাক্ষ্য থেকে যুক্তিতর্ক তুলে ধরছেন আইনজীবী নজরুল ইসলাম। এ যুক্তিতর্ক অসমাপ্ত অবস্থায় মামলার কার্যক্রম কাল মঙ্গলবার পর্যন্ত মূলতবি করা হয়েছে।
 
আদালত আজ আসামি বাবরের আইনজীবীকে সাক্ষ্য ও জবানবন্দি থেকে প্রাসঙ্গিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে তাগিদ দিয়েছে।
 
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে প্রধান কৌসুঁলি সৈয়দ রেজাউর রহমান, বিশেষ পিপি মো. আবু আব্দুল্লাহ্ ভুঁইয়া, আকরাম উদ্দিন শ্যামল, এডভোকেট ফারহানা রেজা, আমিনুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
 
বিএনপি-জামায়াতের জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের এক সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই নৃশংস হামলায় ২৪ জন নিহত ও নেতাকর্মী-আইনজীবী-সাংবাদিকসহ পাঁচ শতাধিক লোক আহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের পত্নী আইভি রহমান।
 
তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের প্রথম সারির অন্যান্য নেতা এই গ্রেনেড হামলা থেকে বেঁচে যান। এতে অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডের প্রচন্ড শব্দে তার শ্রবণশক্তিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। বাসস
 
ইত্তেফাক/কেকে
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩৩
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৫
এশা৭:০৮
সূর্যোদয় - ৫:৪৮সূর্যাস্ত - ০৫:৫০