আদালত | The Daily Ittefaq

চ্যারিটেবল মামলার আসামি মুন্নার জামিন বাতিল

চ্যারিটেবল মামলার আসামি মুন্নার জামিন বাতিল
অনলাইন ডেস্ক২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ১৫:৫৮ মিঃ
চ্যারিটেবল মামলার আসামি মুন্নার জামিন বাতিল
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্নার জামিন বাতিল করেছে আদালত। একই সঙ্গে, এ আদালতের প্রতি অনাস্থা বিষয়ে আদেশ ও যুক্তিতর্ক শুনানির দিন মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ধার্য করা হয়েছে। দুদকের পক্ষে কৌঁসুলি মোশররফ হোসেন কাজল এ কথা জানান।
 
রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত আজ সোমবার এ আদেশ দেন।
 
কাজল বলেন, এ মামলার চার আসামি হচ্ছেন- বেগম খালেদা জিয়া, তার প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়ের রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। আজ খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী হাজিরা দাখিল করেন।
 
খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লা মিয়া জানান, খালেদা জিয়ার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সম্পর্কিত ব্যবস্থা গ্রহণে আদেশ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।
 
আজ আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খানের পক্ষে শুনানিকালে মুন্না আদালতে যুক্তিতর্ক শুনানি মুলতবি করার আবেদন করেন। তার এ আবেদন নামঞ্জুর হলে আদালতের প্রতি অনাস্থা জানান মুন্না এবং একইসঙ্গে মনিরুল ইসলাম খান। এতে মুন্নার অস্থায়ী জামিন বাতিল করেন আদালত। তবে মনিরুল ইসলাম খান স্থায়ী জামিনে থাকায় তার জামিন বহাল থাকে।
 
এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই যুক্তিতর্ক শুনানি তথা বিচার চলবে বলে আদেশ দেয় আদালত।
 
এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুঁলি অ্যাডভোকেট মোশররফ হোসেন কাজল জানান, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই বিচার চলবে বলে ২০ সেপ্টেম্বর আদেশ দেয় আদালত। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আইন অনুযায়ী তার (খালেদা জিয়া) হাজিরা দাখিল করবেন। সে অনুযায়ী আজ মামলার কার্যক্রম শুরু হয়।
এ মামলার যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল গত ১২ সেপ্টেম্বর। কিন্তু সেদিন খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে পারেনি কারা কর্তৃপক্ষ। তার পরিবর্তে খালেদার কাস্টডি আদালতে পাঠানো হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয় খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হতে ‘অনিচ্ছুক’। এরপর ১৩ সেপ্টেম্বরও খালেদার ‘অনিচ্ছা’র কথা জানিয়ে একই কাস্টডি পাঠানো হয় আদালতে। খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই বিচার চলবে কি-না, এ বিষয়ে সেদিন মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শুনে ২০ সেপ্টেম্বর আদেশ দেয় আদালত।
 
এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ৩২ জন। ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়। এ ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে এ মামলা করে দুদক।
 
এর আগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে এখন পুরতান কেন্দ্রীয় কারাগারে সাজা ভোগ করছেন বেগম খালেদা জিয়া। বাসস।
 
ইত্তেফাক/এমআই
 
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৯
মাগরিব৫:২৯
এশা৬:৪২
সূর্যোদয় - ৫:৫৯সূর্যাস্ত - ০৫:২৪