ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৭ ফাল্গুন ১৪২৫
২৪ °সে

সাফাত আহমেদের জামিন শুনানি মঙ্গলবার

সাফাত আহমেদের জামিন শুনানি মঙ্গলবার
বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাফাত আহমেদ। ছবি : সংগৃহিত

বনানীর বহুল আলোচিত ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাফাত আহমেদের জামিন বিষয়ে আগামী মঙ্গলবার শুনানির দিন ধার্য করেছেন বিচারক। গত ১৫ জানুয়ারি মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন করেন।

ঢাকার ৭ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খাদেমুল কায়েশ সময় আবেদন মঞ্জুর করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২২ জানুয়ারি ধার্য করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু তার জামিন বাতিলের আবেদন করেন। অন্যদিকে সাফাতের আইনজীবী তার স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন।

সাফাতের আইনজীবী ও ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি নজিবউল্ল্যা হিরু জানান, ১৭ মাসের ওপর কারাবন্ধী, অসুস্থতা এবং তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ার ট্রাইব্যুনাল জামিন মঞ্জুর করেন। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী তার দ্রুত পাইলস অপারেশন করতে ডাক্তার পরামর্শ দিয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাফাতের আরেক আইনজীবী মো. হেমায়েত উদ্দিন মোল্লা জানান, মামলায় মোট ১৪ জনের সাক্ষী গ্রহণ করা হয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এছাড়া ভিডিও এবং ফরেনসিক রিপোর্টেও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে ধর্ষণের শিকার হন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই তরুণী। ওই ঘটনার ৪০ দিন পর ৬ মে রাজধানীর বনানী থানায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন এক তরুণী।

এজাহারভুক্ত অপর চার আসামি হলেন- পিকাসো রেস্তোরাঁর অন্যতম মালিক ও রেগনাম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে সাদমান সাকিফ, সাফাতের বন্ধু নাঈম আশরাফ (সিরাজগঞ্জের আবদুল হালিম), সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ (রহমত)।

৮ জুন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম দেলোয়ার হোসেনের আদালতে সাফাতসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের পরিদর্শক ইসমত আরা এমি। অভিযোগপত্রে ৪৭ জনকে সাক্ষী করা হয়।

আরো পড়ুন : গ্রেফতারের পর বন্দুকযুদ্ধে বার্মাইয়া শামসু নিহত

১৩ জুলাই ঢাকার দুই নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শফিউল আজম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। আসামি সাফাত ও নাঈমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯ (১) ধারা এবং অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ৯ (১) এর ৩০ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।

গত ২৯ নভেম্বর সাফাত আহমেদের জামিন মঞ্জুর করেন একই বিচারক। এর আগে বিভিন্ন সময় আসামি সাফাত আহমেদের দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন এবং বন্ধু সাদমান সাকিব জামিন পেয়েছেন। এখন শুধু নাঈম আশরাফ কারাগারে রয়েছেন।

ইত্তেফাক/ইউবি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন