সেই ‘বনের রাজা’র দণ্ড বহাল

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০১৯, ১৬:০৮ | অনলাইন সংস্করণ

  অনলাইন ডেস্ক

‘বনের রাজা’ ও ‘বনখেকো’ হিসেবে পরিচিত পাওয়া ওসমান গনি। ছবি: সংগৃহীত

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় চাকরিচ্যুত ও সাবেক প্রধান বন সংরক্ষক ওসমান গনিকে দেওয়া ১২ বছরের কারাদণ্ডের রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। মঙ্গলবার বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ তার লিভ টু আপিল খারিজ করে দেন।

আপিল আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন মো. খুরশীদ আলম খান। আর ওসমান গণির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন।

২০০৭ সাল থেকে কারাগারে কাটানো ওসমান গণি ভালো আচরণের জন্য দণ্ড রেয়াত পেয়ে ২০১৬ সালে মুক্তি পান।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, আসামি ওসমান গণির করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে আগের সাজার রায়ই বহাল থাকলো।

আরো পড়ুন: ঠাকুরগাঁওয়ে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

এর আগে ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ওসমান গণিকে ১২ বছরের সাজার রায় দেন নিম্ন আদালত। পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে ওসমান গণি হাইকোর্টে আপিল করলে বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর বেঞ্চ ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর তা খারিজ করে দেয়। এরপর হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছিলেন গণি। কিন্তু মঙ্গলবার তার সেই আবেদনও খারিজ হয়ে যায়।

বিগত সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালে ওসমান গণির উত্তরার বাসায় অভিযান চালায় যৌথবাহিনীর সদস্যরা। এসময় ৯৯ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা, ৩ হাজার মালয়েশিয়ান রিংগিত, ১৩০০ ডলার ও প্রচুর স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেন তারা। গণির বিছানার তোশক, বালিশ, চালের ড্রাম, স্টোররুমে রাখা ট্রাঙ্ক ও আলমারিতে এসব মুদ্রা পাওয়া যায়। 

ঘটনাটি সে সময় সারা দেশে ব্যাপক আলোড়ন তোলে। পরে গণমাধ্যমে ‘বনের রাজা’ উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশ হয়। লোকের মুখেও ‘বনের রাজা’ বা ‘বনখেকো’ বলে পরিচিত হন ওসমান গনি। 

ইত্তেফাক/জেডএইচ