সংস্কৃতি | The Daily Ittefaq

শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে অংশীদার বাংলাদেশের দুই সংগঠন

শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে অংশীদার বাংলাদেশের দুই সংগঠন
সুমিত্র নাথ০৯ অক্টোবর, ২০১৭ ইং ০৯:৫৪ মিঃ
শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে অংশীদার বাংলাদেশের দুই সংগঠন
 
এ বছর শান্তিতে নোবেল বিজয়ী আইক্যান (ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবলিশ নিউক্লিয়ার উইপন্স—আইসিএএন)। আইক্যান বিশ্বের ১০১টি দেশের ৪৬৮টি সংগঠনকে নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে পরমাণু প্রযুক্তির বিরুদ্ধে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশেরও দুটি সংগঠন। এই সংগঠন দুটি হলো, সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ এবং ফিজিসিয়ান্স ফর সোস্যাল রেসপনসিবিলিটি।
 
ফিজিসিয়ান্স ফর সোস্যাল রেসপনসিবিলিটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল হাসান খান বলেন, ‘এটি অনেক বড় অর্জন। এর মাধ্যমে বিশ্বশান্তির পথে বাংলাদেশ একধাপ এগিয়ে গেল। বাংলাদেশের মানুষ শান্তির পথে যুক্ত, এ পুরস্কার তা প্রমাণ করে।’
 
সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্টাডিজের সাধারণ সম্পাদক অরূপ রাহী বলেন, ‘পরমাণু প্রযুক্তির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান আছে। বাংলাদেশের হয়ে শান্তির পক্ষে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে ছিলাম। পরমাণু অস্ত্রের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক আন্দোলন হচ্ছে, সেখান থেকে নিজেরাও শিখতে চাই।’
 
অরূপ রাহী তার ফেসবুকে টাইমলাইনে লিখেছেন, ‘এ বছর শান্তিতে নোবেল বিজয়ী আইসিএএন জোটের সদস্য বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র। নোবেল পুরস্কার কোনও অবিসংবাদিত পুরস্কার নয়। কিন্তু শান্তির পক্ষে, পরমাণু অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার জন্য আইসিএএনের নোবেলপ্রাপ্তি বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার বৈশ্বিক আন্দোলনে যে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আইসিএএনের সব উদ্যোক্তা-সমর্থককে অভিনন্দন জানাই। বাংলাদেশে যারা পরমাণু অস্ত্রমুক্ত দুনিয়া গড়ার আন্দোলনের সমর্থক, তাদের অভিনন্দন জানাই। আসুন, সবাই মিলে এই বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করি। যুদ্ধ, অবিচার, শোষণ-বৈষম্যবিহীন, শান্তি আর ন্যায়ের দুনিয়া গড়ি।’ 
 
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ১০০টিরও বেশি দেশে তৃণমূল-পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানো সংগঠন আইসিএএন। প্রথম অস্ট্রেলিয়ায় কার্যক্রম শুরু করলেও সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২০০৭ সালে ভিয়েনায়। বর্তমানে এটির সদর দপ্তর রয়েছে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
 
অন্যদিকে, পুরস্কার জয়ের পর ফেসবুকে একটি পোস্ট করা হয়েছে আইসিএএনের পেজে। এতে বলা হয়, যারা পারমাণবিক অস্ত্র রোধে সোচ্চার থেকেছেন, সেসব মানুষদেরকে এই নোবেল পুরস্কার উত্সর্গ করা হচ্ছে।
 
ইত্তেফাক/আনিসুর
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১২ নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৫:০৯
যোহর১১:৫২
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩৪
সূর্যোদয় - ৬:৩০সূর্যাস্ত - ০৫:১১