শিক্ষাঙ্গন | The Daily Ittefaq

ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলার নেপথ্যে

ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলার নেপথ্যে
ঢাবি প্রতিনিধি১৫ জুলাই, ২০১৭ ইং ১৯:৪২ মিঃ
ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলার নেপথ্যে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক একই বিভাগের অধ্যাপক আবুল মনসুর আহাম্মদকে নিয়ে ছাত্রদের অ্যাকাডেমিক ফেসবুক গ্রুপে নিন্দা করেন। এতে অধ্যাপক আবুল মনসুর আহমাদ ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার শাহবাগ থানায় তথ্য প্রযুক্তির  ৫৭ ধারায় মামলা করেন। মামলার এজহারে তিনি তার ব্যক্তিগত এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। 
 
জানা যায়, সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের মাস্টার্স পরীক্ষার ফল নির্ধারিত সময় ৫৬ দিনের বাইরে ৮৬ দিন পরে প্রকাশিত হলে একটি দৈনিকে এ নিয়ে প্রতিবেদন হয়। সেখানে মৌখিক পরীক্ষা বোর্ড এবং পরীক্ষা কমিটির প্রধান অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীনের নম্বরপত্রে ঘষামাজার কারণে ফলপ্রকাশে বিলম্ব হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
 
পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর অধ্যাপক ফাহমিদুল হক ওই মাস্টার্সের ছাত্র-ছাত্রীদের অ্যাকাডেমিক ফেসবুক গ্রুপে একটি পোস্ট দেন। যদিও তিনি ড. গীতি আরা নাসরিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও টেব্যুলেশন বা সেই পরীক্ষা কমিটি কোনোটিরই অংশ ছিলেন না। ওই পোস্টে তিনি অধ্যাপক আবুল মনসুর আহামদকে ফল বিলম্বের জন্য অভিযুক্ত করেন। তিনি পত্রিকা রিপোর্ট প্রকাশের পেছনেও ড. মনসুরের ভূমিকা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
 
পত্রিকার সংবাদ এবং পরীক্ষা কোনো কিছুর সঙ্গে সম্পৃক্ত না হয়েও ফেসবুকে পোস্ট দেয়া সম্পর্কে জানতে অধ্যাপক ফাহমিদুল হকের সঙ্গে তার ফোন এবং ফেসবুকে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
 
মামলা করার বিষয়ে অধ্যাপক আবুল মনসুর আহমাদ ইত্তেফাককে বলেন, আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো হয়েছে। এটা একটা অপরাধ। আমি এই অপরাধের আইনি প্রতিকার চেয়েছি।
 
ইত্তেফাক/ইউবি
 
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৮ জুলাই, ২০১৭ ইং
ফজর৪:০২
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৩
মাগরিব৬:৪৭
এশা৮:০৭
সূর্যোদয় - ৫:২৬সূর্যাস্ত - ০৬:৪২