শিক্ষাঙ্গন | The Daily Ittefaq

ইবির ভিসি হিসেবে ২ বছর পূর্তিতে ড. রাশিদ আসকারীর সাক্ষাত্কার

ইবির ভিসি হিসেবে ২ বছর পূর্তিতে ড. রাশিদ আসকারীর সাক্ষাত্কার
কে এম মাহ্ফুজ, ইবি প্রতিনিধি০৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ১১:৪৬ মিঃ
ইবির ভিসি হিসেবে ২ বছর পূর্তিতে ড. রাশিদ আসকারীর সাক্ষাত্কার
অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী। ২০১৬ সালের আগস্ট মাসের ২১ তারিখ থেকে দায়িত্ব পালন করছেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর পদে। একজন দক্ষ প্রশাসক ও স্বনামধন্য শিক্ষক পরিচিতির বাইরেও আন্তর্জাতিক জরিপে বাংলাদেশের অন্যতম ইংরেজী লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে খ্যাতি আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের এ অধ্যাপকের। দৈনিক ইত্তেফাকসহ দেশ-বিদেশের পত্র-পত্রিকায় সমসাময়িক বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখেন তিনি। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের দায়িত্ব গ্রহণের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে তার। দায়িত্ব পালনের দুই বছরের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়টিকে কে আন্তর্জাতিকীকরণের জন্য দেশের গন্ডি পেরিয়ে এক দেশ থেকে অন্য দেশে ছুটে চলেছেন। এতে বিদেশী বিভিন্ন দেশের সাথে শিক্ষাক্ষেত্রে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন দুয়ার খুলে যাচ্ছে। সূচিত হচ্ছে আন্তর্জাতিকীকরণের এক নতুন মাত্রা। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, রাজনীতি, প্রগতিশীলতার চর্চাসহ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে নিজের স্বপ্নের কথা জানাতে সম্প্রতি মুখোমুখি হয়েছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন কে এম মাহ্ফুজুর রহমান মিশু।
 
ইত্তেফাক: ভিসি হিসেবে সফলতার দুই বছর পূর্ণ করায় ইত্তেফাকের পক্ষ থেকে অভিনন্দন। দায়িত্ব পালনের এ সময়টি কেমন ছিল?
 
ড. আসকারী: ধন্যবাদ। সো ফার সো গুড। হানিমুন পিরিয়ড তো কেটে গেছে। তবুও ভালোমন্দ মিলিয়ে খারাপ না।
 
ইত্তেফাক: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এখন কোন পথে চলছে?
ড. আসকারী: আন্তর্জাতিকীকরণের পথে। শিক্ষা-গবেষণা-উদ্ভাবন সকল ক্ষেত্রেই এক ধরনের আঁভগার্দ (avant-garde) চলছে।
 
ইত্তেফাক: ২০১৬ সালে আপনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পেয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কি কি উলে-খ্যযোগ্য কাজ করেছেন এবং আর কোন কাজগুলো জরুরি ভাবে করা প্রয়োজন বলে মনে করেন?
ড. আসকারী: বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ দ্বারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃষ্টিনন্দন ম্যুরাল স্থাপন, দীর্ঘ ১৬ বছর পর মহামান্য রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে দেশের বৃহত্তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত করা, ৭০ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকার উন্নয়ন কাজ সমাপ্তির পথে এবং নতুনভাবে ৫০০ কোটি টাকার মেগা প্রজেক্ট একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ৮টি  নতুন নিড্স বেজ্ড সাবজেক্ট খোলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অর্গানোগ্রাম প্রনয়ণ করে সরকারি অনুমোদন নেয়া হয়েছে। অনার্স, মাস্টার্স, এম ফিল এবং পিএইডি প্রোগ্রামসমূহের  একাডেমিক অর্ডিন্যান্স কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স মেকানিজমের আলোকে বিশ্বমানের করা হয়েছে। বিদেশী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে। সেশন জ্যাম প্রায় শূন্যের কোঠায় চলে এসেছে। কর্ম ঘন্টা বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ করতে দীর্ঘ-প্রচলিত সান্ধকালীন কোর্স বন্ধ করা হয়েছে। মাদক-সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মুক্ত দেশ গড়তে সাংস্কৃতিক ও সচেতনতা সৃষ্টিমূলক বিবিধ শিক্ষা-অতিরেক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য দৃষ্টি নন্দন লেক সংস্কারসহ অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধির জন্য নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
আর জরুরিভাবে করার প্রয়োজন রয়েছে: রিসার্চ সেল গঠন, ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং সেল গঠন, সকল বিভাগে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গড়ে তোলা, চাকুরী মেলার আয়োজন করা, বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম সম্প্রসারণ করা প্রভৃতি।
 
ইত্তেফাক: বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আপনি কি কোন সমস্যার সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন?
ড. আসকারী: সমস্যা তো আছেই।  তবে সবকিছু সতর্কতার সাথে মোকাবিলা করে চলেছি।
 
ইত্তেফাক: এই বিশ্ববিদ্যালয় কে ঘিরে আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা বা  স্বপ্নের কথা জানতে চাই?
ড. আসকারী: ইবিকে একটি ওয়ার্ল্ড ক্লাস ইউনিভার্সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
 
ইত্তেফাক: ছাত্র থেকে ভাইস চ্যান্সেলর। জীবনের দীর্ঘ এ পথপরিক্রমার গল্পগুলো শুনতে চাই?
ড. আসকারী: তা সময় সাপেক্ষ। তবে সততা, নিষ্ঠা, একাগ্রতা আর সহমর্মিতা নিয়ে আমি এগিয়ে চলেছি।
 
ইত্তেফাক: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌলিক তফাত্ কোথায়?
ড. আসকারী: বুত্পত্তিগত অর্থে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে তেমন কোন তফাত্ নেই। তবে ইবিতে থিওলজির ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ ফ্যাকাল্টি।
 
ইত্তেফাক: দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা কি কাঙ্খিত মানে উন্নিত হতে পেরেছে? যদি না হয়, সেটি কেন?
ড. আসকারী: : উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া । বাজার অর্থনীতির এ যুগে বাণিজ্যিকীকরণের সর্বগ্রাসী প্রবণতার অভিঘাত অন্যান্য জায়গার মতো শিক্ষাঙ্গনেও পড়ছে। বিশেষ করে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সেক্টরে। তার পরও গত এক দশকে উচ্চ শিক্ষা-গবেষণা ও উদ্ভাবনে সাফল্যের সংখ্যাও কম নয়।
 
ইত্তেফাক: আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ডের তুলনায় দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেশি পিছিয়ে আছে। মান উন্নয়ন করা যাচ্ছে না কেন?
ড. আসকারী: ছাত্র-শিক্ষক রেশিও একটি বড় সঙ্কট । তাছাড়া গবেষণা ও গবেষণাগারের পেছনে আরো অনেক বেশি যত্নবান হওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাছাড়া শিক্ষকতা পেশায় সর্বোচ্চ মেধাবীদের আগ্রহী করে তোলার ব্যবস্থাও নেয়া দরকার।
 
ইত্তেফাক: এই ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সব সময় সরব থাকে এবং ছিল। বিভিন্ন সময়  ছাত্র রাজনীতির আড়ালে স্থানীয় আঞ্চলিক নেতারা তাদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ক্যাম্পাস কে অস্থিতিশীল করার অভিযোগ আছে। এই বিষয়ে আপনি কিছু বলুন-
ড. আসকারী: বর্তমান সময়ে সে ধরনের সঙ্কট তেমনটি দেখা যায় নি । তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
 
ইত্তেফাক: বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি কতখানি যুক্তিযুক্ত বলে আপনি মনে করেন?
ড. আসকারী: আমি সবসময়ই ইতিবাচক, প্রগতিশীর ও উন্নয়নমুখী ছাত্র রাজনীতির পক্ষে।
 
ইত্তেফাক: ইতোপূর্বে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ভিসিই মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি। বিষয়টি আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন? 
ড. আসকারী: যেনতেনভাবে মেয়াদপূর্তি আমার অভিপ্রায় নয়। আমার লক্ষ্য হলো আমার দায়িত্ব কালে সর্বোচ্চ মেধা, যোগ্যতা, সৃজনশীলতা, স্বচ্ছতা এবং আন্তরিকতা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃশ্যমান এবং টেকসই উন্নয়ন ঘটানো। আমার ইনিংসে আমি আমার সাধ্যমত সর্বোচ্চ রান করতে চাই। টিকে থাকার স্বার্থে বিনা রানে  ওভারগুলো নষ্ট করতে চাইনা।
 
ইত্তেফাক: বিরোধী মতাদর্শের শিক্ষকদের ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি?
ড. আসকারী: আদর্শ যার যার, বিশ্ববিদ্যালয়টা সবার।
 
ইত্তেফাক: প্রশাসক নাকি শিক্ষক, কোনটিতে আপনি বেশী স্বাচ্ছন্দবোধ করেন?
ড. আসকারী: আমার আনন্দ সৃষ্টিশীল সবকিছুতেই। প্রশাসক হলেও আমি নিয়মিত ক্লাস নেই।
 
ইত্তেফাক: বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট সম্পর্কে কিছু বলবেন কি?
ড. আসকারী: সেশনজটকে যাদুঘরে পাঠাবো।
 
ইত্তেফাক: একাডেমিক কার্যক্রম কে গতিশীল করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সঙ্গে ৩৭ জন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। এই তরুন শিক্ষকদের প্রতি আপনার পরামর্শ কি?
ড. আসকারী: সততা, নিষ্ঠা, দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেম দিয়ে তারা তাদের দায়িত্ব পালন করবে। শ্রেণীকক্ষে অর্জন করবে তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তা এবং গবেষণায় দেখাবে প্রগাঢ় নিষ্ঠা ও মৌলিকত্ব।
 
ইত্তেফাক: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পাঠদানের মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। বিষয়টি নিয়ে আপনার ভাবনা কী?
ড. আসকারী: সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আধুনিকতম ICT- নির্ভর অ্যাপ্লায়েন্সেস প্রয়োগকরে পাঠদানের মান বড়ানো দরকার।
 
ইত্তেফাক: এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারী সম্পর্কে কিছু বলুন?
ড. আসকারী: কর্মকর্তা সংখ্যাতিরিক্ত। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পর্যাপ্ত ট্রেনিং নেই, মোটিভেশন নেই। তবে বিশ্ববিদ্যালয়-প্রেম রয়েছে। তাদের দক্ষ জনশক্তিতে রুপান্তরিত করার চেষ্টা করছি।
 
ইত্তেফাক: প্রতিযোগীতামূলক বিশ্বে কিংবা চাকরির বাজারে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কেমন করছেন?
ড. আসকারী: প্রত্যাশিত। কিছু কিছু বিভাগে গ্রাজুয়েট্স মার্কেটেবিলিটির হার বেশ ভালো।
 
ইত্তেফাক: বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট তীব্র হচ্ছে। সংকট মোকাবেলায় আপনার উদ্যোগ কী?
ড. আসকারী: বর্তমান  ২৫% আবাসন সুযোগ রয়েছে। তবে মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়িত হলে ৭৫% হবে। শতভাগ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় করার প্লান
 
ইত্তেফাক: পরিবহণ নির্ভরতা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্ সমস্যা। কোন পথে এর যৌক্তিক সমাধান দেখেন?
ড. আসকারী: : পরিবহন পুলে এরই মধ্যে বেশ কিছু গাড়ি সংযুক্ত করা হয়েছে। আবাসন সুযোগ বাড়লে পরিবহন নির্ভরতা কমবে। পরিবহনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার প্লান রয়েছে।
 
ইত্তেফাক: পরিসর বৃদ্ধি, না গুণগত মান বাড়ানো। কোনটিকে আপনি বেশি যুক্তিযুক্ত মনে করেন?
ড. আসকারী:  বিষয় দুটো অনেকখানিই পরস্পরের পরিপূরক। আমি গুন এবং পরিমাণ উভয় বাড়ানোর পক্ষে।
 
ইত্তেফাক: দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গুলোর মধ্যে প্রথম ইউজিসি ও শিক্ষামন্ত্রণালয় কর্তৃক পাশকৃত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী  ২০২১ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হবে এই বিষয়ে কিছু বলুন-
ড. আসকারী: :  ইবি অর্গানোগ্রাম একটি মডেল অর্গানোগ্রাম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ২০২১ সালের মধ্যে ইবি একটি সুশৃংখল ও মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে।
 
ইত্তেফাক: ২০২১ সালের পর বিশ্ববিদ্যালয় কে আপনি কোন জায়গায় দেখতে চান?
ড. আসকারী: বর্তমান সরকারের ভিশন ২০২১ এবং ভিশন ২০৪১ বস্তবায়নের একটি সহায়ক ক্ষেত্র হিসেবে দেখতে চাই যা শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মধ্য দিয়ে দেশ ও মাতৃকার উন্নয়নে কাজ করবে।
 
ইত্তেফাক: শিক্ষাক্ষেত্রে আপনি ডিজিটালাইজেশনে কী কী কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন?
ড. আসকারী: লাইব্রেরী অটোমেশনের কাজ চলছে। ICT Cell গঠন হয়েছে। অনতিবিলম্বে সর্বক্ষেত্রেই ডিজিটাইজেশন হবে।
 
ইত্তেফাক: আপনার সময়ে একাডেমিক কার্যক্রম কতটুকু এগিয়েছে?
ড. আসকারী: গত দু বছরে ১ ঘন্টার জন্যও অবাঞ্ছিত স্থবিরতা আসেনি। প্রত্যাশার চাইতে বেশি এগিয়েছে একাডেমিক কার্যক্রম।
 
ইত্তেফাক: স্বাধীনতার ও সাংস্কৃতিক চেতনাবোধ উজ্জীবিত করতে কি কি উদ্যোগ নিয়েছেন?
ড. আসকারী: বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ দ্বারে বঙ্গবন্ধুর ম্যূরাল স্থাপন, কেন্দ্রিয় লাইব্রেরীতে একুশে কর্ণার, মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার উদ্ভোধন। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বৈশাখী মেলা, যাত্রা, নাটক অনুষ্ঠান, ডিবেট ইত্যাদি অনুষ্ঠান।
 
ইত্তেফাক: ইত্তেফাকের সঙ্গে আপনার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। এই বিষয়ে কিছু বলবেন কি?
ড. আসকারী: ইত্তেফাক আমার প্রিয় পত্রিকা। এতে আমার অসংখ্য কলাম প্রকাশিত হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ে এই পত্রিকার ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে।
 
ইত্তেফাক: ইত্তেফাক কে সময় দেয়ার জন্য ইত্তেফাক পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ।
ড. আসকারী: ইত্তেফাককেও এবং সেই সাথে তোমাকেও ধন্যবাদ।
 
ইত্তেফাক/এএম
 
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩৪
যোহর১১:৫১
আসর৪:১১
মাগরিব৫:৫৪
এশা৭:০৭
সূর্যোদয় - ৫:৪৮সূর্যাস্ত - ০৫:৪৯