গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই শিক্ষার্থীকে র্যাগিংয়ের অভিযোগে ইটিই বিভাগের ৬ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরাল বডির জরুরি বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বহিষ্কার শিক্ষার্থীরা হলেন ইলেকট্রিনিক্স এ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের (ইটিই) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ঢাকার কোরনীগঞ্জের মো. নুরুল হকের ছেলে মো. শিপন আহম্মেদ, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে মো. শাহিন মিয়া, টাঙ্গাইলের নাগরপুরের মো. আব্দুল হালিমের ছেলে নাদিম ইসলাম, শেরপুরের নাকলীর তপন কুমার ধরের ছেলে হৃদয় কুমার ধর, ভোলা সদরের সুধাংশু ভূষন হালদারের চেলে তুর্য্য হাওলাদার ও ফরিদপুর জেলার মধুখালীর মো. আসাদুজ্জামান খানের ছেলে আশিকুজ্জামান লিমন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল হক জানান, আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ে প্রক্টোরিয়াল বডি ইলেকট্রিনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন (ইটিই) বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. শাহজাহান ও কৃষি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনিসুজামানকে নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে সাক্ষ্য প্রমাণ ও তথ্যের ভিত্তিতে ইটিই বিভাগের ৬ শিক্ষার্থী দোষী প্রমাণিত হয়। প্রক্টোরাল বডি ওই ৬ শিক্ষার্থীকে আজীবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
প্রক্টর অশিকুজ্জামান ভূইয়া বলেন, শনিবার সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত ইলেকট্রিনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভোগের ৬ শিক্ষার্থী কৃষি বিভাগের ১ম বর্ষের দুই শিক্ষার্থীকে (মো. রাজেশ হোসেন শিথিল ও মাহামুদ হাসান) শারীরিক ও মানসিকভাবে টর্চারিং করে র্যাগিং এর ঘটনা ঘটায়। পরে এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দিলে ভাইরাল হয়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরে আসে।
আরও পড়ুন: মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভারতীয় সিরিয়ালের স্ট্রিমিং শুরু (ট্রেলার)
সোমবার বৈঠক বসিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়ার পর ৬ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ৬ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এখন মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ইত্তেফাক/কেকে

