ঢাকা শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯, ৮ চৈত্র ১৪২৫
৩০ °সে

ভাঙ্গা বেঞ্চ ও মাটিতে বসেই চলছে পাঠদান

ভাঙ্গা বেঞ্চ ও মাটিতে বসেই চলছে পাঠদান
অবকাঠামোগত সংকটের কারণে গাদাগাদি করে এবং মাটিতে বসেই চলেছ জুগলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম। ছবি: ইত্তেফাক

জরাজীর্ণ টিনশেড ভবন, ঝুঁকিপূর্ণ ক্লাস রুম, খেলার মাঠ ও অবকাঠামো সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলা সদর ইউনিয়নের জুগলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যালয়টিতে নেই টিউবওয়েল, টয়লেট-বাথরুম। নেই শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত আসবাব।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের পুরো টিনশেড ভবনের জীর্ণদশা। স্কুল ঘরের টিনের চালা ফুটো। চেয়ার-টেবিল ও বেঞ্চ গুলোর অবস্থাও নাজুক। দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ভেঙে পড়েছে। তবে এ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল শতভাগ। ভাঙ্গা বেঞ্চে ও মাটিতে বসেই পড়ালেখা করছে শিক্ষার্থীরা।

১৯৯২ সালে উপজেলা সদর ইউনিয়নের জুগলী গ্রামে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর গত ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ হয়।

তিন বছর আগে ঘূর্ণি ঝড়ে বিদ্যালয়ের টিনশেড ভবনটি ভেঙ্গে গেলে জোড়াতালি দিয়ে মেরামত করা হয়। এই জরাজীর্ণ ভবনেই রোদ ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে অনেক কষ্ট করে প্রায় দুইশ শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। শিক্ষার্থীরা জানায়, সামান্য বৃষ্টি হলে ক্লাস রুমে পানি পড়ে। গরমের দিনে ক্লাস করাও কষ্টের। টিউবওয়েল ও পাকা টয়লেট না থাকায় আশপাশের বাড়িতে তাদের যেতে হয়। এদিকে বিদ্যালয়ে নেই খেলার মাঠ। যেটুকু রয়েছে তাও গর্ত।

অভিভাবকরা জানান, স্কুলটি এলাকার শিশুদের শিক্ষাদানে বড় ভূমিকা পালন করছে। স্কুলটিতে লেখাপড়ার মানও ভালো। কিন্তু অবকাঠামো গত সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহাব উদ্দিন বলেন, আমরা চারজন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছি। প্রাথমিক সমাপণী পরীক্ষায় শতভাগ পাশসহ জিপিএ-৫ পাওয়ার কৃতিত্বের দাবীদার এ বিদ্যালয়টি। শিক্ষার্থীদের কষ্টের কথা মাথায় রেখে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা দরকার।

আরো পড়ুন: চীনের প্রেসিডেন্টকে ভয় পান মোদি: রাহুল গান্ধী

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রিমু আক্তার বলেন, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো সমস্যার কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সংস্কার বিহীন স্কুলগুলোকে মেরামত ও অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার এরই মধ্যে প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। আশা করা যায় চাহিদা অনুসারে পর্যায়ক্রমে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে।

ইত্তেফাক/অনি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২২ মার্চ, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন