বিনোদন | The Daily Ittefaq

শিশুদের জন্য নাটকের উৎসব

শিশুদের জন্য নাটকের উৎসব
ইত্তেফাক রিপোর্ট২১ মার্চ, ২০১৭ ইং ০০:৫০ মিঃ
শিশুদের জন্য নাটকের উৎসব

‘শিশুহত্যার বিক্ষোভে আজ কাঁপুক বসুন্ধরা’ এ স্লোগান নিয়ে শুরু হয়েছে শিশু-কিশোরদের নাট্য উত্সব। বিশ্ব শিশু কিশোর ও যুবনাট্য দিবস উপলক্ষে ইন্টারন্যাশনাল অ্যামেচার থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন (আইএটিএ) এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব থিয়েটার ফর চিলড্রেন অ্যান্ড ইয়ং পিপল-এর (এএসএসআইটিজে) বাংলাদেশ কেন্দ্র পিপলস থিয়েটার গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় আয়োজন করে আলোচনা ও বিশেষ অনুষ্ঠানের। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। তিনি বলেন, জ্ঞান ও আত্মার বিকাশের জন্য সংস্কৃতি চর্চার দরকার আছে। ভয়াবহ ব্যাপার হলো, আজ শিশুদের সংস্কৃতি চর্চার অবসরই দেওয়া হচ্ছে না।

চারদিনব্যাপী অ্যানিমেশন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু

অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রকে দেশীয় দর্শকদের মাঝে আরো জনপ্রিয় করতে শুরু হলো ‘মাইক্রোসফট অ্যানিমেশন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে এই আয়োজন শুরু হয় গতকাল সোমবার। চারদিনব্যাপী এই আয়োজনের মোট ১৫টি অ্যানিমেটেডে চলচ্চিত্র দেখানো হবে।

উত্সবের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী সকাল থেকে শুরু হলেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল সোমবার সন্ধ্যায়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যুত্, জ্বালানি এবং খনিজসম্পদ  প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এছাড়াও অতিথি ছিলেন কার্টুনিস্ট শিশির কুমার ভট্টাচার্য্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের সভাপতি এস এম আরিফ রায়হান শোভন।

বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের পরিপূরক

ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের পরিপূরক। মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা বাংলাদেশ কোনোদিন ভুলবে না। ইন্ডিয়ান টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (আইটেক) প্রোগ্রাম এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

গতকাল সোমবার আয়োজিত ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে যারা সে দেশে পড়াশোনা করেছেন তাদের সম্মিলনীর আয়োজন বসেছিল কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে। প্রতিবছর ভারত সরকার ২০০ জনকে এই বৃত্তি প্রদান করে আসছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, ভারত বৃহত্ অর্থনীতির দেশ। কয়েক দশকের মধ্যে বিশ্বের প্রথম তিনটি দেশের মধ্যে অবস্থান করবে ভারত। বাংলাদেশের অর্থনীতিও খুব দ্রুত উন্নতি করছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জীষ্ণু প্রসন্ন মুখার্জি। আর শিক্ষাবৃত্তিতে অংশ নেয়া তরুণদের প্রতিনিধি হিসেবে স্মৃতিচারণ করেন ভাসানী মির্জা, ফাবিয়া বুশরাত চৌধুরী, আব্দুল কাদের জিলানী ও মার্গারিট মধু।

ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেন, বাংলাদেশের যা স্বপ্ন তা ভারতেরও স্বপ্ন। মানুষের উন্নয়নের জন্য সবসময় দুই দেশ একে অন্যের পাশে দাঁড়াবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্ধৃতির কথা উচ্চারণ করেন তিনি বলেন, আগে বাংলাদেশ ও ভারত পাশে পাশে ছিল এখন দুই দেশ সাথে সাথে থাকবে। তিনি বলেন, আই টেক ও আইসিসিআর এ দুই প্রোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশের তরুণদের বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৫ নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৫:০১
যোহর১১:৪৬
আসর৩:৩৫
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩০
সূর্যোদয় - ৬:২০সূর্যাস্ত - ০৫:০৯