বিনোদন | The Daily Ittefaq

‘নায়কের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য যোগ্য শিল্পীর খুবই অভাব’

‘নায়কের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য যোগ্য শিল্পীর খুবই অভাব’
অনলাইন ডেস্ক১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং ১০:০৭ মিঃ
‘নায়কের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য যোগ্য শিল্পীর খুবই অভাব’
 
সম্প্রতি চলচ্চিত্র থেকে অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিনেতা মিশা সওদাগর। আগামী জানুয়ারি থেকে তিনি আর কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয় করবেন না। এ প্রসঙ্গসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে এই খল-অভিনেতা কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নুরুল করিম
 
কেমন আছেন?
 
আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
 
হঠাৎ করেই চলচ্চিত্র থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর কারণ কী?
 
এটি একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কারও সাথে আমার কোনো বিরোধ নেই। ব্যক্তিগত কারণেই চলচ্চিত্র থেকে বিদায় নিচ্ছি। হল মালিকদের সঙ্গে সমঝোতাও হয়েছে। প্রায় ৩০ বছর ধরে তো একই চরিত্রে, একই রঙে-ঢঙে কাজ করছি। এখন আর এসব ভালো লাগছে না। আর কতদিন করবো! পেশা হিসেবে আমি এই কাজে আর থাকতে চাই না। এখন নিজের পরিবারকে সময় দেবো। ছোট ছেলে স্কুলে পড়ে, তাকে আনা-নেওয়া এবং পরিবারের বাজারটুকু অন্তত নিজে করতে চাই। এছাড়া আমি চলচ্চিত্রশিল্পী সমিতির সভাপতি হিসেবে আমার যে দায়িত্ব আছে তা পালন করবো। চেষ্টা করবো নিজের জায়গা থেকে ভালো কিছু ইন্ডাস্ট্রিকে উপহার দিতে। অনেকেই তো শেষ সময়ে অবসরের সিদ্ধান্ত নেয়, আমি না হয় পিক আওয়ারে এই সিদ্ধান্তটা নিলাম। একদিন না একদিন তো অবসর নিতে হতোই।
 
হাতে থাকা ছবিগুলো প্রসঙ্গে বলুন—
 
যে চলচ্চিত্রগুলো হাতে রয়েছে সেগুলো শেষ করবো এ বছরের মধ্যেই। এরপর নিজেস্ব কিছু পরিকল্পনা রয়েছে।
 
কি পরিকল্পনা?
 
হয়তো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করবো। এটি আমার খুব পছন্দের বিষয়।
 
বর্তমান ইন্ডাস্ট্রিতে ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করার জন্য শিল্পীর সঙ্কট। এর কারণ কী?
 
কে বললো ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করার জন্য শিল্পীর সঙ্কট। ভিলেন নয়, ইন্ডাস্ট্রিতে এখন নায়কের অভাব। নায়কের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য যোগ্য শিল্পীর খুবই অভাব। ইন্ডাস্ট্রিতে ভালো শিল্পী সঙ্কটের কারণেই এবারের ঈদের ছবিগুলো ভালো হয়নি। অনেক হলেই দর্শক খরা চলেছে। এর কারণ মানুষ এই ঈদে ভালো কোনো ছবি পায়নি। ভালো ছবি দর্শক অবশ্যই দেখে। এমন উদাহরণ অনেক রয়েছে।
 
সম্প্রতি যৌথ প্রযোজনার নতুন নীতিমালা হলো। এটা কতটুকু কার্যকর হবে?
 
নীতিমালাটা হয়েছে দেশের স্বার্থে, দেশের চলচ্চিত্রকে বাঁচাতে। এই নীতিমালা মানলে আশা করছি আমাদের ইন্ডাস্ট্রি ঠকবে না। তবে কে কতটুকু মানবে না মানবে সেটা তো আমি জানি না। যাদের কোনো টাকার লোভ নেই এবং দেশের প্রতি মায়া রয়েছে তারা এই নীতিমালা অবশ্যই মানবে। কিন্তু যারা এই নীতিমালা মানবে না তারা কখনও দেশীয় চলচ্চিত্রের মঙ্গল হোক সেটা চায় না। যৌথ প্রযোজনার নতুন নীতিমালা মানলে দেশীয় চলচ্চিত্রের অবস্থা আরও ভালো হবে।
 
কেউ যদি নীতিমালা না মানে—
 
এই নীতিমালা তো দেশের স্বার্থে। তার মানে, যে এটা মানবে না সে দেশবিরোধী অবস্থান নিচ্ছে। তখন কর্তৃপক্ষ সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আশা করছি এই নীতিমালা সবাই মেনে নেবে।
 
ইত্তেফাক/আনিসুর
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৪:৩১
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৫
মাগরিব৫:৫৯
এশা৭:১২
সূর্যোদয় - ৫:৪৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৪