লাইফস্টাইল | The Daily Ittefaq

নানরুটি-চিকেন টিক্কার স্বাদে: ভোজের খোঁজে

নানরুটি-চিকেন টিক্কার স্বাদে: ভোজের খোঁজে
কড়চা ডেস্ক২১ মার্চ, ২০১৭ ইং ১২:২৬ মিঃ
নানরুটি-চিকেন টিক্কার স্বাদে: ভোজের খোঁজে
 
পুরান ঢাকায় রয়েছে বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি। আর এসব অলিতে গলিতে বিভিন্ন সময়ে গড়ে উঠেছে রসনাবিলাসী মানুষের জন্য নামীদামি হোটেল-রেস্তোরাঁ। কোনো কোনো রেস্তোরাঁ বা খাবারের দোকানের বয়স শতাধিক।
 
যারা আজও সুনামের সঙ্গে তাদের ব্যবসায়িক ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। এমনই একটি প্রতিষ্ঠান পুরান ঢাকার ক্যাফে ইউসুফ। প্রতিষ্ঠানটির খাবারের ঐতিহ্যের গল্প নিয়ে লিখেছেন হামিদ সাব্বির ও ছবি তুলেছেন জীবন আহমেদ।
 
৫ যুগের অধিক সময় ধরে ক্যাফে ইউসুফ সুনামের সঙ্গে ভোজনবিলাসীদের তৃপ্তি মিটিয়ে আসছে। হোটেলটি ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ঢাকা স্টেডিয়াম মার্কেটে ছিল। তখন নাম ছিল ‘ইসলামিয়া হোটেল’। তারপর ৩৬/১, জনসন রোডে ‘ইউসুফ’ নামে যাত্রা শুরু করে। এর বর্তমান মালিক মো. ইব্রাহিম।
 
তিনি বলেন, ‘১৯৫৮ সালে রায় সাহেব বাজার জংশন রোডে হোটেলটির যাত্রা শুরু করে তার দাদা হাজী আবদুল হামিদ। তিনি ’৬২ সালে মৃত্যুবরণ করলে তার ছেলে মো. ইউসুফ ব্যবসার হাল ধরেন। ইউসুফ ২০০৭ সালে মৃত্যুবরণ করলে হাজী ইব্রাহিম এর দায়িত্ব নেন। জানা যায়, শুরুতে হোটেলটির সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবারগুলোর মধ্যে ছিল মোগলাই, চিকেন টিক্কা, শিক কাবাব, বটি কাবাব ও হালিম। বর্তমানে নান রুটি ও চিকেন টিক্কা খুবই জনপ্রিয় ভোজনবিলাসীদের কাছে। নানরুটি ২০ টাকা, চিকেন টিক্কা ১৩০ টাকা (হাফ)। মোগলাই ৬০ টাকা (ডবল ডিম), বটি কাবাব ৮০ টাকা। 
 
এখানে সকালের নাস্তায় পাওয়া যায় খাসির পায়া, মুরুগির স্যুপ, খাসির কলিজি, মুরগির গিলা, ভুনা খিচুড়ি ও ডালভাজি। খাসির পায়া ২ পিস ৭০ টাকা, মুরগির স্যুপ ২ পিস ৬০ টাকা, খাসির কলিজি ৬০ টাকা, মুরগির গিলা ৬০ টাকা, পরোটা ৬ টাকা, তন্দুর রুটি ৬ টাকা ও ডালভাজি ১৫ টাকায় পাওয়া যায়। বর্তমান মালিক হাজী ইব্রাহিম বলেন, ‘আমাদের ঐতিহ্যবাহী হোটেলটি বংশানুক্রমিক চলবে। খাবারের স্বাদের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়, পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সবসময় মনোযোগ রাখা হয়। একসময় খেলোয়াড়, শিল্পী-সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদরা আসতেন। নায়ক ফারুক, প্রবীর মিত্র, এইচ আকবর—এরকম মানুষেরা এসে পার্সেল নিতেন এবং খেয়ে যেতেন।
 
একসময় লালবাগ, পোস্তগোলা, মুন্সীগঞ্জ, লোহজং, উত্তরা, ধানমন্ডি, আজিমপুর, মিরপুর, নারায়ণগঞ্জ, ডেমরা ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকে এখানে এসে গরম গরম নানরুটি, চিকেন টিক্কা ও চিকেন গ্রিল নিয়ে যেতেন। এখানে খেতে আসতে হলে ধোলাইখালের চৌরাস্তায় এসে কোর্টকাচারি যাওয়ার রাস্তা ঠিক হাতের বাম দিকে আসতে হবে। এই হোটেলে ১৫-২০ বছরের পুরোনো বাবুর্চি এখনো কাজ করছেন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৯ আগষ্ট, ২০১৮ ইং
ফজর৪:১৬
যোহর১২:০৩
আসর৪:৩৭
মাগরিব৬:৩২
এশা৭:৪৮
সূর্যোদয় - ৫:৩৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৭