লাইফস্টাইল | The Daily Ittefaq

অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারে মানুষের মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ছে

অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারে মানুষের মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ছে
২০৫০ সালের মধ্যে কেড়ে নেবে কোটি প্রাণ :বিশেষজ্ঞদের অভিমত
আবুল খায়ের১৩ নভেম্বর, ২০১৭ ইং ২৩:৪৯ মিঃ
অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারে মানুষের মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ছে

দেশে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের মাত্রা বাড়ছে বিপজ্জনকহারে। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে এর প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যাচ্ছে। এতেই স্বাস্থ্যহানির ঝুঁকিতে পড়ছে রোগীরা। বিভিন্ন অলিগলির ওষুধের দোকানিরাও এখন ডাক্তার! দোকানদাররা শুধু অ্যান্টিবায়োটিক দিয়েই ক্ষতিসাধন করেন না, বেশির ভাগ সময় তারা অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো কোর্স না দিয়ে দুই-এক ডোজ প্রদান করেন। যেটা রোগীর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর বলে দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা মনে করেন। বাইরের দুনিয়ায় রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পরামর্শ তো দূরের কথা, ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির কোনো নিয়ম নেই বলেও তারা উল্লেখ করেন। অথচ আমাদের দেশে এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ ব্যাপক উদাসীনতার পরিচয় দিচ্ছে। যত্রতত্র ব্যবহার রোধ ও বিক্রির ক্ষেত্রে ওষুধ প্রশাসনের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। ২০৫০ সাল নাগাদ ‘অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স’র কারণে এক কোটি মানুষের মৃত্যুর হওয়ার তথ্য উঠে আসার প্রেক্ষিত্রে এ ব্যাপারে শেষ পর্যন্ত টনক নড়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ওষুধ প্রশাসনের। এ ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টিতে মাঠে নেমেছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও বিশ্বব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টিতে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

এদিকে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করে আসছেন আইসিডিডিআরবি’র কয়েকজন বিজ্ঞানি। অন্যতম গবেষক ড. দিলরুবা আহমেদ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমাদের হাতে কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিকের সংখ্যা দিনে দিনে কমে আসছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোয় সংক্রামক রোগ বেশি, অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজনও বেশি। কিন্তু বিশ্বে যত ওষুধ তৈরি হচ্ছে তার মাত্র নয় ভাগ কেনে উন্নয়নশীল দেশগুলো। উন্নত দেশগুলোর দৃষ্টি এখন অসংক্রামক ব্যাধির দিকে। উন্নত দেশগুলো নতুন অ্যান্টিবায়োটিক তৈরিতে খুব একটা আগ্রহী নয়। কাজেই বিষয়টি বেশ উদ্বেগজনক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও বলছে, একদিকে যেমন আরও নতুন নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার হওয়া প্রয়োজন, তেমনি একই সঙ্গে সরকার ও সাধারণ মানুষের উচিত হবে অ্যান্টিবায়োটিকের সুচিন্তিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারে জীবাণুগুলো ওষুধ প্রতিরোধী এবং ওষুধের বিরুদ্ধে লড়াই করে টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জন করছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটানো সম্ভব না হলে অচিরেই খুব সাধারণ সংক্রমণ, সামান্য কাটাছেঁড়া থেকে মৃত্যু হবে মানুষের। বিশ্বের ১১৪টি দেশ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যান্টিবায়োটিকের ওপর এই প্রতিবেদন করেছিল। সাধারণত ব্যাকটেরিয়া, প্যারাসাইট, ভাইরাস অথবা ছত্রাকজনিত কারণে সৃষ্ট রোগের চিকিত্সায় অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। অ্যান্টিবায়োটিক কাজ না করার ঝুঁকির বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাধারণ স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তাবিষয়ক কর্মকর্তা। বিশ্বব্যাপী অনেক সংক্রমণের ঘটনাই একটি নিত্যদিনের বিষয়। নিউমোনিয়ায় সংক্রমিত হয় ফুসফুস, মূত্রনালীতে সংক্রমণ হয়, রক্তপ্রবাহে সংক্রমণ ঘটে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় ডায়রিয়ার সংক্রমণ এবং যৌনসংসর্গের কারণেও বিভিন্ন যৌনরোগ সংক্রমণের বিস্তার ঘটে। বিশ্বের সর্বত্রই নিয়মিতভাবে এসব সংক্রমণ ঘটছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যেসব রোগের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে সেসব দেশে ওইসব রোগ মোকাবিলার ক্ষমতা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও রক্তের সংক্রমণের জন্য দায়ী সাতটি আলাদা ধরনের ব্যাকটেরিয়া নিয়ে গবেষণার তথ্য উপস্থাপন করা হয়। বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের রোগীদের ওপর দুটি প্রধান অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করে দেখা গেছে, এগুলো আর কাজ করছে না। এদের একটি কার্বাপেনম। নিউমোনিয়া, রক্তে প্রদাহ ও নবজাতকদের দেহে প্রদাহের মতো রোগ নিরাময়ে এই অ্যান্টিবায়োটিকটি ব্যবহূত হয়ে থাকে। অ্যান্টিবায়োটিক কাজ না করার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, চিকিত্সকরা এ ধরনের ওষুধ বেশি ব্যবহার করায় এবং রোগীরা ওষুধ ঠিকমতো না খাওয়ায় জীবাণু ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে। মূত্রতন্ত্রের প্রদাহে যে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হচ্ছে গত শতকের আশির দশক থেকে তা খুব কম কাজ করছিল। বর্তমানে এ রোগের ওষুধ একেবারেই অকার্যকর হয়ে গেছে। এদিকে গনোরিয়ার মতো রোগে বছরে ১০৬ মিলিয়ন লোক আক্রান্ত হচ্ছেন।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ, হাসপাতালে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধে টিকা ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। পৃথিবীর এক-তৃতীয়াংশ মানুষ এ অঞ্চলেই বাস করে। এই অঞ্চলের কিছু কিছু অংশে অ্যান্টিবায়োটিক এখনই কোনো কাজ করছে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আমাদের দেশে জীবাণুগুলো ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠার অন্যতম কারণগুলোর একটি ওষুধের দোকানগুলোতে কোনো ধরনের ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ বিক্রি করা। অনেক সময় দেখা যায়, ওষুধ বিক্রেতারাই হয়ে ওঠেন ডাক্তার। সামান্য জ্বর সর্দিতেও কোনো বাছবিচার না করে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে বলেন, এটা খান ঠিক হয়ে যাবে। এটি অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। এদিকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া বা কেনার মাধ্যমে যে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়, তার জন্য অনেক সময় দায়ী রোগী বা তার অভিভাবক নিজেই। ডাক্তাররা রোগ বুঝে কয়েক দিনব্যাপী অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার কথা বলেন। অর্থাত্ সাত দিন বা ১৫ দিনের কোর্স কমপ্লিট করতে বলেন। কিন্তু অসচেতন রোগীরা দুই একদিন কিংবা তিন-চার দিন অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পর সুস্থ হয়ে গেলে আর খান না। ফলে পরবর্তীতে ওই অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করে না। এভাবেই রোগীদের অসচেতনতার ফলে অ্যান্টিবায়োটিক তার কার্যকারিতা হারায়। ফলে শরীরের ভেতরে নিস্তেজ হয়ে যাওয়া রোগ জীবাণুগুলো অ্যান্টিবায়োটিক বিরোধী হয়ে ওঠে এবং পরে আবার সক্রিয় হয়ে অ্যান্টিবায়োটিককে অকার্যকর করে দেয়। ঢাকায় দু’বছরের কমবয়সী শিশুদেরকে নিয়ে পরিচালিত সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিটি শিশু গড়ে বছরে ১০ বারের বেশি অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স গ্রহণ করেছে, যার মাত্রা বিশ্বে অনুসৃত মাত্রার চেয়ে আশংকাজনকভাবে বেশি।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালের যুগ্ম পরিচালক অধ্যাপক ডা. বদরুল আলম জানান, অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে এখন অনেক রোগীর ওভারডোজ ছাড়া কাজ হচ্ছে না। আগে যেখানে এক ডোজে কাজ হতো, এখন সেখানে ৩ ডোজ দিতে হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ জানান, কথায় কথায় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা ঠিক না। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে যায়। তিনি বলেন, কিছু রোগী এক দুই ডোজ অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করার পর তা বন্ধ করে দেন। চিকিত্সকের ব্যবস্থাপত্রের বাইরে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা খুবই স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ। এ ব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মনজুর হোসেন জানান, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যহারের ফলে এখন অনেকের ওভারডোজ দিয়েও কাজ হচ্ছে না। অথচ এই ওভার ডোজের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় লিভার ও কিডনিসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। তিনি বলেন, বিশেষ করে শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশি সচেতন হতে হবে।

গতকাল সোমবার ওষুধ সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে জানানো হয়, ২০৫০ সাল নাগাদ অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স এর কারণে এক কোটি মানুষের মৃত্যু হবে। এখন এ কারণে প্রতিবছর সাত লাখ মানুষ মারা যায়।  সেমিনার থেকে জানানো হয়, সচেতনতা বৃদ্ধিতে আগামীতে অ্যান্টিবায়োটিকের প্যাকেটের গায়ে ‘ফুল কোর্স শেষ না করলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হবে’ কথাটি লিখে দেওয়ার উদ্যোগও নেবে ওষুধ প্রশাসন। ওষুধ প্রশাসন আয়োজিত এ সেমিনারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফয়েজ আহমেদ বলেন, ‘সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে যদি যথাযথ মান নিয়ন্ত্রন করা যায়, তাহলে ১৩ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কমে যাবে।’ প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের প্রতিনিধি ডা. পবিত্র কুমার সাহা বলেন, ‘বড় বড় হ্যাচারিগুলোতে বলা হয়েছে, কোনভাবেই যেন খাবার ও বাচ্চা উত্পাদনের সময় হরমোন বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা না হয়।’ সেমিনার সভাপতিত্ব করেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি অ্যান্টিবায়োটিকের ডোজ অনুযায়ী প্যাকেট সাইজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে এ বিষয়ে ওষুধ উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টার চালু করতে হবে এবং তা সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কিনা মনিটরিং করতে হবে।’ এছাড়া ফুল কোর্স অ্যন্টিবায়োটিক সেবনের জন্য সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার নিয়ে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে গবেষণা করে আসছে আইসিডিডিআরবি। আইসিডিডিআরবি’র ক্লিনিক্যাল মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড ইম্যুনোলজি’র হেড ড. দিলরুবা আহমেদ দশ বছরের বেশি সময়ব্যাপী ১,০০,০০০ জনের রক্তের নমুনা পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং এসবের মধ্যে জীবাণুর উপস্থিতি এবং এসব জীবাণুর মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পরীক্ষা করেছেন। দেখা গেছে, এসব রক্তধারার জীবাণু ব্যাপক হারে বহু ওষুধ প্রতিরোধী (বহু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী) হয়ে উঠেছে এবং এসব ফলাফল বিএমসি জার্নাল অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স অ্যান্ড ইনফেকশন কনট্রোল-এ প্রকাশিত হয়েছে। ড. দিলরুবা আহমেদ বলেন, ‘সমস্যার বিষয়টি হলো, আপনি যদি অ্যান্টিবায়োটিক সেবন বন্ধও করে দেন, এসব ব্যাকটেরিয়া তাদের আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না। তারা নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে রয়ে যায় এবং এসব ওষুধ রোগীদের জন্য ভবিষ্যতে হয়তো আর কাজ করে না।’ তিনি আশা করেন এই গবেষণা প্রাইভেট প্র্যাকটিশনারসহ স্বাস্থ্য পেশাজীবীদেরকে রোগীদের জন্যে ব্যবস্থাপত্র লেখার ক্ষেত্রে সুচিন্তিতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার সংক্রান্ত একটি সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা এবং তার যথাযথ প্রয়োগ এই সমস্যা লাঘবে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।’

স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক ডা. সানিয়া তহমিনা বলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে আমাদের সচেতনতা নেই, শিক্ষিত-নিরক্ষর সবার মধ্যেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা বেশি। তাই সারা দেশের ফার্মেসিগুেলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে।’ তিনি বলেন, এ ব্যাপারে ন্যাশনাল এ্যাকশন প্ল্যান্ট চূড়ান্ত পর্যায়ে। এটা বাস্তবায়ন হলে অ্যান্টিবায়োটিকের যত্রতত্র ব্যবহার বন্ধ হবে।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৩ নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৪:৫৯
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৮সূর্যাস্ত - ০৫:১০