ঢাকা বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ৫ পৌষ ১৪২৬
১৮ °সে

বিশেষ সাক্ষাত্কার

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু জাতীয় পর্যায়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স) পালনের শুভ সূচনা করেন

---- সামীম মোহাম্মদ আফজাল
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু জাতীয় পর্যায়ে  পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স)  পালনের শুভ সূচনা করেন

এ দেশে ঈদে মিলাদুন্নবী (স) উদযাপনকে সফল ও জনপ্রিয় করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। এ বছর ২১ নভেম্বর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স) পালনের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন কী কী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে তা জানার জন্য আমরা কথা বলেছি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজালের সাথে। সাক্ষাত্কারটি গ্রহণ করেছেন মো. তালহা তারীফ।

ইত্তেফাক : পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স) উদযাপনকে আপনি কিভাবে দেখছেন?

সামীম মোহাম্মদ আফজাল :সৃষ্টিকুলের সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, আল্লাহর প্রিয় হাবীব, সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মদ (স)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতি বিজড়িত পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স) বিশ্ববাসীর জন্য অত্যন্ত পবিত্র, তাত্পর্যপূর্ণ এবং মহিমান্বিত দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন প্রিয় নবীকে (স) রাহমাতুল্লিল আলামিন বা সারা দুনিয়ার জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছেন। নবী করিম (স) ১২ রবিউল আওয়াল এ ধরাধামে আগমন করেন। বিশ্ব মানবতার মুক্তির দিশারী হিসেবে তাঁর আগমনের দিন আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা উচিত আমাদের। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স) তারই আয়োজন।

ইত্তেফাক: বাংলাদেশে ঈদে মিলাদুন্নবী (স) উদযাপন কিভাবে শুরু হয়?

সামীম মোহাম্মদ আফজাল :আমাদের এ উপমহাদেশে শত শত বছর ধরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স) উদযাপিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদে মিলাদুন্নবী (স) মাহফিল উদ্বোধনের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স) পালনের শুভ সূচনা করেন। এটা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম ঈদে মিলাদুন্নবী (স) মাহফিল। এরই ধারাবাহিকতায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতি বছর জাতীয় পর্যায়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স) উদযাপন করে আসছে। জাতির পিতা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স) উপলক্ষে সরকারি ছুটিও ঘোষণা করেন।

ইত্তেফাক: পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স) উদযাপনে এ বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশন কী কী উদ্যোগ নিয়েছে?

সামীম মোহাম্মদ আফজাল: ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিবছরের ন্যায় এবারও দেশব্যাপী এই উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে পক্ষকালব্যাপী ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল আয়োজন, বাংলাদেশ বেতারের সাথে যৌথভাবে সপ্তাহব্যাপী সেমিনার ও ধারণকৃত অনুষ্ঠান বেতারে সম্প্রচার, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর সাহানে পক্ষকালব্যাপী ইসলামি ক্যালিগ্রাফি ও মহানবীর (স) জীবনীভিত্তিক পুস্তক প্রদর্শনী, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ চত্বরে মাসব্যাপী ইসলামী বইমেলা, ক্বিরাআত ও হামদ-না‘ত মাহফিল, রাসূল (স) শানে দেশের খ্যাতিমান কবিদের স্বরচিত কবিতা পাঠের মাহফিল, বিশেষ স্মরণিকা ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ, ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মহানবী (স) এর জীবনীভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠান ও স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমমানের মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের মাঝে ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এছাড়াও সারাদেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৬৪ জেলা ও বিভাগীয় কার্যালয়, ৫০টি ইসলামিক মিশন কেন্দ্র ও ৭টি ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিতে আলোচনা অনুষ্ঠান ও ওয়াজ মাহফিল, ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৯ ডিসেম্বর, ২০১৮
আর্কাইভ
 
বেটা
ভার্সন