জাতীয় | The Daily Ittefaq

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রকে এখনও ছাড়পত্র দেয়া হয়নি: পরিবেশমন্ত্রী

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রকে এখনও ছাড়পত্র দেয়া হয়নি: পরিবেশমন্ত্রী
ইত্তেফাক রিপোর্ট০৯ জুন, ২০১৬ ইং ১৬:৪৪ মিঃ
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রকে এখনও ছাড়পত্র দেয়া হয়নি: পরিবেশমন্ত্রী
 
রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে এখনও পরিবেশ ছাড়পত্র দেয়া হয়নি বলে সংসদকে জানিয়েছেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু।
 
বৃহস্পতিবার সংসদে টেবিলে উপস্থাপিত প্রশ্নোত্তরে জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য এ কে এম মাইদুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।
 
একই প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী জানান, রামপালে নির্মিতব্য খুলনা ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের অবস্থান প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র সমৃদ্ধ সুন্দরবনের কাছের এলাকায়। এজন্য কেন্দ্রটি নির্মাণে যথোপযুক্ত শর্তারোপ করে এ প্রকল্পের অনুকূলে পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা (ইআইএ) প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সুপার ক্রিটিক্যাল টেকনোলজির হবে। প্রস্তাবিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড অপারেশন ফেস-এ সুন্দরবনের উপর যেন  কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে সেজন্য আলোচ্য প্রকল্পের ৫৯টি শর্ত আরোপ করে এই ‘ইআইএ’ প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়। 
 
প্রতিবেদনে প্রস্তাবিত মিটিগেশন মেজার্স যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে সুন্দরবনের ক্ষতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন,এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হলে স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং সুন্দরবনের ওপর স্থানীয় মানুষের নির্ভরশীলতা হ্রাস পাবে।
 
ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া অধিবেশনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজীর এক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু সংসদকে জানান, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সুন্দরবনে চার দফা অগ্নিকাণ্ডে পরিবেশসহ লতাগুল্মের ক্ষতি হয়েছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্ষতি যাতে না হয়, এ জন্য কর্মপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
 
এস এম মোস্তফা রশিদীর এক প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ ও বন মন্ত্রী জানান, বর্ষা মৌসুমে মাছ ধরার এলাকা নির্বিঘ্ন করতে স্থানীয় জেলে, দুষ্কৃতিকারীরা সুন্দরবনে অবৈধভাবে আগুন লাগিয়েছিল। তদন্তে সেটিই পাওয়া গেছে। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, সুন্দরবনে যারা আগুন লাগার জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দু’জনকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে। এছাড়া কর্তব্যে অবহেলার জন্য চারজন বনকর্মীকে সাময়িক কর্মচ্যুত করা হয়েছে।
 
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৬
এশা৭:০৯
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫১