জাতীয় | The Daily Ittefaq

‘আমার চোখের বিনিময়ে শিক্ষার আলো আসুক’

দেশে ফিরেছেন সিদ্দিকুর
‘আমার চোখের বিনিময়ে শিক্ষার আলো আসুক’
ইত্তেফাক রিপোর্ট১২ আগষ্ট, ২০১৭ ইং ০৯:০১ মিঃ
‘আমার চোখের বিনিময়ে শিক্ষার আলো আসুক’
 
রাজধানীর শাহবাগে পুলিশের  টিয়ারশেলের আঘাতে দৃষ্টিশক্তি হারানো তিতুমীর কলেজের ছাত্র সিদ্দিকুর রহমান দেশে ফিরেছেন। ভারতের চেন্নাইয়ের শংকর নেত্রালয়ে চিকিৎসা শেষে গতকাল শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে মালদ্বীপ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। 
 
এ সময় সঙ্গে ছিলেন তার বড় ভাই নায়েব আলী। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সিদ্দিকুর বলেন, শারীরিকভাবে সুস্থ হলেও আমি চোখে এখন আর কিছুই দেখতে পাই না। আমার চিকিত্সার জন্য আমি রাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানাই। আমার সামর্থ্য ছিল না দেশের বাইরে গিয়ে চিকিত্সা করানোর। রাষ্ট্র আমার পাশে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমার খোঁজ নিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি চোখের আলো হারিয়েছি কিন্তু আমার চোখের বিনিময়ে বন্ধুদের জীবনে শিক্ষার আলো ফিরে আসুক।
 
উল্লেখ্য, গত ২০ জুলাই বেলা ১১টার দিকে রুটিনসহ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা শাহবাগে অবস্থান নেন। পুলিশের বেঁধে দেওয়া আধা ঘণ্টা সময়ের পরও অবস্থান চালিয়ে গেলে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে ও লাঠিপেটা করে পুলিশ। এ সময় পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেট সিদ্দিকুর রহমান আহত হন।
 
সিদ্দিকুর সাংবাদিকদের আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন, অন্ধ  বলে যেন সমাজে আমাকে কোনোদিন হেয় হতে না হয়। আমি নিয়মিত লেখাপড়া করতে চাই ও সম্মানজনক অবস্থান চাই। ওই দিন যে অন্যায় আচরণ হয়েছে আমার ওপর, এর জন্য আমার কারো প্রতি কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ কিংবা ক্ষোভ নেই। তবে তদন্তে যদি কিছু বেরিয়ে আসে তাহলে সেটা রাষ্ট্রীয় ব্যাপার। বিষয়টি রাষ্ট্র দেখবে, প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।
 
এদিকে গতকাল বিকালেই সিদ্দিকুরকে বিমানবন্দর থেকে পুন:রায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আরো বেশ কিছুদিন তার চিকিত্সা চলবে বলে পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
 
ইত্তেফাক/আনিসুর
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং
ফজর৫:০৮
যোহর১২:১২
আসর৪:২২
মাগরিব৬:০৩
এশা৭:১৫
সূর্যোদয় - ৬:২৪সূর্যাস্ত - ০৫:৫৮