বাংলাদেশ | The Daily Ittefaq

২০২১ সালে নিঃসন্দেহে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হবো: ড. আতিউর রহমান

২০২১ সালে নিঃসন্দেহে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হবো: ড. আতিউর রহমান
ইত্তেফাক রিপোর্ট১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং ১৩:২৭ মিঃ
২০২১ সালে নিঃসন্দেহে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হবো: ড. আতিউর রহমান
 
সাধারণ কৃষক পরিবার থেকে উঠে এসে মেধা, পরিশ্রম আর চেষ্টায় দেশের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর পদ অলংকৃত করা ব্যক্তির নাম ড. আতিউর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা দিয়ে পেশা শুরু করেন, এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক উন্নয়নধারা, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো, ব্যাংকিং খাত, কৃষিখাত, নারী উদ্যোক্তা গড়ে তোলা, শিক্ষাখাতের প্রসারসহ ভিশন-টোয়েন্টি টোয়েন্টি ওয়ান বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দিক ও প্রতিবন্ধকতার দিক তুলে ধরে পরামর্শ দিয়েছেন ড. আতিউর রহমান। বিশেষ সাক্ষাৎকারটি বক্তব্য আকারে ইত্তেফাক অনলাইনের পাঠকদের কাছে তুলে ধরা হলো...
 
 
আমাদের জন্য আগামী ৫টি বছর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য ৫ বছরের যে পরিকল্পনা সেটা এখনই আরেকটু সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে গ্রহণ করা উচিৎ। আমরা ২০২১ সালে নিঃসন্দেহে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হবো। কিন্তু উচ্চ মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হতে হলে কিছু কাজ খুব গুরুত্ব দিয়ে করতে হবে। তার প্রধান কাজ হলো প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ যুবক যুক্ত হচ্ছে আমাদের অর্থনীতিতে। তাদের জন্য কাজ জোগাড় করতে হবে। এবং এখন আমরা যে পরিমাণ কাজ দিচ্ছি, তার দ্বিগুণ পরিমাণ কাজ আমাদের দিতে হবে। আমরা প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ কাজ দেশের ভিতরে ও বাইরে জোগাড় করতে পারছি। বাকি আরও ১০ লাখ কাজ আমাদের জোগাড় করতে হবে। এই যে বাড়তি এমপ্লয়মেন্ট, এটা কোথা থেকে আসবে। এটার জন্য আমাদের শুরুতেই কিছু হাই পারফর্মিং ইন্ডাস্ট্রি আইডেন্টিফাই করতে হবে। 
 
আগামী দিনের বেশির ভাগ এমপ্লয়মেন্ট আসবে এই সব ম্যানুফাকচারিং খাত থেকে। যদিও তোমার চায়না এখন ম্যানুফাকচারিং খাতে প্রাধান্য বিস্তার করে আছে। কিন্তু তারা  লো কস্ট ম্যানুফাকচারিং থেকে সরে যাচ্ছে। সে জায়গাটা বাংলাদেশ আস্তে আস্তে গ্রহণ করছে  এবং বাংলাদেশের সেই সক্ষমতা  ও ইচ্ছা আছে। ছোট ছোট অনেক উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। সুতরাং এসএমই এর উপর খুব জোর দিতে হবে। ছোট এবং মাঝারি এন্টারপ্রাইজের উপর জোর দিতে হবে। এবং এই জোর দেওয়ার জন্য আমরা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটা নীতিমালা তৈরি করে দিয়েছিলাম। সরকারও এসএমই নীতিমালা তৈরি করেছে। কিন্তু তারপরও এসএমই কিন্তু সেই হারে বাড়ছে না।
 
তার একটা বড় কারণ ঠিকমতো প্রশিক্ষণ আমরা দিতে পারছি না। উদ্যোক্তাদের যে উন্নয়ন, সেটা পায় না। ছোট ছোট উদ্যোক্তাদের যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দরকার, যে প্রশিক্ষণ পেলে একটা সুন্দর বিজনেস প্ল্যান তৈরি করা যায়, ব্যাংকে কি করে অ্যাপ্লাই করলে ফান্ড পাওয়া যায়, মার্কেটিংয়ের জন্য কোথায় যেতে হবে, বিদ্যুৎ কিভাবে পাওয়া যেতে পারে, কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে এইসব মিলিয়ে একটি সমন্বিত স্কিল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং তাদের জন্য আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। যেটা বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন জন জোগাড় করছে। কিন্তু সমন্বিতভাবে স্কিল ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি তৈরি করে এই জায়গাগুলোতে আমাদের একটি পরিকল্পিত উপায়ে কাজটি করতে হবে। দ্বিতীয়ত অর্থায়ন। এদের অর্থায়ন কে করবে? নতুন উদ্যোক্তা গেলেই ব্যাংক অর্থায়ন করবে না। সুতরাং ব্যাংকগুলোকে আইডেন্টিফাই করতে হবে যে, কারা সচেতন একটা সম্ভাব্য উদ্যোক্তা, তাদেরকে ব্যাংক ভাল চিনে। আমাদের অন্য যে কারও চেয়ে ব্যাংক ভাল চিনে। 
 
সুতরাং ব্যাংকগুলোকে উৎসাহিত করা যে ভাল উদ্যোক্তা তোমরা খুঁজে বের করো। আমাদের মধ্য থেকে ছেলে-মেয়ে যাই হোক তাদের মধ্য থেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তোমরা কতগুলো ইনসেনটিভ দাও এবং সেই ইনসেনটিভ সরকারের পক্ষ থেকেও দেওয়া যায়। যেমন, সরকার বাংলাদেশ ব্যাংককে বলতে পারে আপনারা একটা ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম তৈরি করেন। এই উদ্যোক্তারা যদি ব্যাংক থেকে টাকা নেয়, সবাই তো আর ফেল করবে না। বড়জোর ২০-৩০ শতাংশ হয়তো খেলাপি হয়ে যেতে পারে। সুতরাং এই ২০-৩০ শতাংশ যে লোন অ্যামাউন্ট, তার একটা গ্যারান্টি ফান্ড সেন্ট্রাল ব্যাংক থেকে দেওয়া হোক। এবং সেন্ট্রাল ব্যাংক থেকে অন্যান্য ব্যাংককে বলা হোক আপনি একটা গ্যারান্টি স্কিম তৈরি করেন । এই স্কিম ব্যাংকগুলোকে গ্যারান্টি দিবে যে, একজন ভাল উদ্যোক্তা যদি ১-২ বছরের জন্য ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা এই গ্যারান্টি স্কিম থেকে সেই ক্ষতি পুষিয়ে দিবো। 
 
এইভাবে কিন্তু আমরা তাকে অ্যাট্রাক্ট করে নিয়ে আসতে পারি উদ্যোক্তা হিসেবে। এবং তারপরে ফান্ড সহজে পেতে পারে ব্যাংক থেকে। তার জন্য কিছু ইনসেনটিভ স্কিম করা যেতে পারে। যেমন আমরা নারী উদ্যোক্তাদের জন্য করেছি যে ৯% এ তারা ফান্ড পাবে। কৃষকরা ফান্ড পাবে। এইরকম কিছু বিষয়ভিত্তিক নিম্ন সুদের কিছু ফান্ড বাংলাদেশ ব্যাংক তৈরি করতে পারে। সরকার সাপোর্ট করবে, নিম্ন সুদের এখানে ভর্তুকি দিবে। আমরা এখন গাভী চাষের জন্য ৫% লাভে লোন দিতে পারি। কারণ ৫% সেন্ট্রাল ব্যাংক থেকে ভর্তুকি দেয়। সরকার বাজেট থেকে সেটা পুষিয়ে দেয়। কিভাবে পুষিয়ে দেয়? বাংলাদেশ ব্যাংক এই ভর্তুকি আগেই ব্যাংককে দিয়ে দেয়। বছর শেষে যখন সরকারের সাথে হিসাব মেলায়, ওই ৫% এর যে অংকটা আসে সেটা তাদের প্রফিট থেকে কেটে দিয়ে বাকিটা সরকারকে ফেরত দেয়। তাহলে সরকারকেও এটার জন্য তেমন কোন কষ্ট করতে হয় না। শুধুমাত্র হিসেবের একটা ব্যাপার। এসময়ে আমাদের উদ্যোক্তারা ৫% হারে ব্যাংককে লাভ দিলেও ব্যাংক ১০% হারে ইন্টারেস্ট পাচ্ছে। এরফলে গাভী চাষে ছোট ছোট খামারের একটা বড় বিপ্লব ঘটে যাচ্ছে। এটাকে আরও বাড়াতে হবে। 
 
এই ধরনের উদ্যোক্তা শুধুমাত্র গাভী চাষে কেন, যে কোন ধরনের উদ্যোক্তা যদি এই রকম উদ্যোগ নেয় তারা নারী কিংবা যুবক আসে তাদেরকে উৎসাহিত করা উচিৎ। শুনেছি হাজার হাজার নারী উদ্যোক্তা নাকি এখন ই-কমার্সে যুক্ত হয়েছে। কিন্তু তারা পণ্য ডেলিভারির জন্য ভাল সুযোগ পাচ্ছে না। হয়তো এর জন্য ছোট একটা ভ্যানের দরকার হয়, ছোট গাড়ির দরকার হয়। সারা দেশব্যাপী যে কুরিয়ার সার্ভিসের সাপোর্ট দরকার হয়, এসব জায়গাতে আরও বেশি নতুন উদ্যোক্তা আসা উচিত। সুন্দর সুন্দর আরও লজিস্টিক ফার্ম গড়ে তোলা উচিৎ। এই জায়গাটাতে সাপোর্ট দেওয়া উচিৎ সরকারের। অর্থাৎ সরকারকেই গবেষণা করে হাই পারফর্মিং ইন্ডাস্ট্রি গুলো কি কি এগুলো খুঁজে বের করতে হবে। বের করে ওইসব জায়গাগুলোতে উৎসাহিত করতে হবে। এরপর এসএমই খাতে ব্যাংকগুলোকে আরও উৎসাহিত করার জন্য মনে করেন যেসকল ব্যাংক তার টোটাল ক্যাপিটালের ৩০ শতাংশ এই সব এসএমই উদ্যোক্তাদের দেয়, তাদের জন্য কর্পোরেট ট্যাক্স ৪২% এর ক্ষেত্রে ৫% শতাংশ কমিয়ে দেওয়া যেতে পারে। তাহলে কিন্তু তারা নিজের থেকেই উদ্যোগ নিতে আগ্রহী হবে। 
এরকম নতুন নতুন উদ্ভাবনী চিন্তা বের করে আনতে হবে। এবং এরকম চিন্তাগুলো মাথায় আছে। আমরা যদি ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে সত্যি সত্যি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ হতে চাই, তাহলে কিন্তু আমাদের গ্রোথ রেট ৭-৮% এরও ছাড়িয়ে যেতে হবে। এবং আমাদের এমপ্লয়মেন্ট ২০ লাখেরও উপরে চলে যাবে। আমি মনে করি এটা সম্ভব। শুধুমাত্র উদ্যোক্তাদের সমর্থন দিয়েই এটা সম্ভব। কিন্তু এর সাথে যুক্ত করতে হবে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো। এটা কিন্তু শুধুমাত্র রাস্তা না। অবকাঠামোর একটা বড় অংশ হতে হবে লো কস্ট অবকাঠামো। যেমন নদীপথে ব্যাপক উন্নতি করা উচিৎ। রেলের ব্যাপক উন্নতি করা উচিৎ। মালামালগুলো সস্তায় পরিবহন নিশ্চিত করতে হবে। লজিস্টিকসের কোম্পানিগুলোকে সহযোগিতা করতে হবে। ঢাকা এয়ারপোর্টকে আরও আধুনিক করতে হবে। এইখানে কেন আমরা হাব করতে পারি না। এয়ারলাইন্সের হাব ঢাকা হতে পারে। সমস্ত পণ্য আমরা নদীপথে ঢাকা এনে বিমান পরিবহনের মাধ্যমে সারা বিশ্বে পৌঁছে দিতে পারি। যেসব ট্রান্সপোর্ট কার্গোগুলো ঢাকায় এসে নামবে তারাই হয়তো আমাদের সাহায্য করবে এয়ারপোর্ট বাড়াতে। এরকম করে প্রথমত নতুন নতুন চিন্তা করতে হবে। আমার মনে হয় একটা সাহসী উদ্যোগ নিলে, একটি সাহসী অর্থনৈতিক নেতৃত্ব দিতে পারলে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার যে স্বপ্ন সেটা পূরণ করা মোটেও কঠিন হবে না। 
 
এবং এর মূল কথা হলো, আমাদের তরুণ যে উদ্যোক্তা তাদের উপর নির্ভর করতে হবে। তাদেরকে অর্থ দিতে হবে। তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এবং যে সকল ইন্ডাস্ট্রি ভাল পারফর্ম করবে, সেগুলোকে আইডেন্টিফাই করতে হবে। যেগুলোর এক্সপোর্ট গ্রোথ কম তাদেরকে উৎসাহ দিতে হবে। এবং এর মধ্যে আইটি টেকনোলজি অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। আমাদের ছেলেমেয়েরা অলরেডি আউটসোর্সিংয়ে ভাল করছে, অলরেডি ই-কমার্সে ভাল করছে। তাদেরকে আরও উৎসাহ দেওয়া, আরও অর্থ দেওয়া এবং নতুন নতুন স্কিম তৈরি করে তাদেরকে উৎসাহ দিতে হবে। আমরা সেন্ট্রাল ব্যাংক থেকে অনেক এক্সপেরিমেন্ট করেছি এবং ভাল রেজাল্ট পেয়েছি। এগুলোকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত। সরকারকেও উৎসাহিত করা উচিত সেন্ট্রাল ব্যাংককে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস সবাই মিলে চেষ্টা করলে বাংলাদেশ নিঃসন্দেহে এগিয়ে যাবে শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও। 
 
একটি ভাল অর্থনীতি গড়ে তুলতে প্রাইভেট সেক্টরগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের যে সব চেম্বার আছে, তাদের নেতৃত্বে দেশের প্রত্যেকটি জেলায় একটি করে চেম্বার আছে। চেম্বারগুলোকে ক্যাপাসিটি বিল্ড করতে সাহায্য করতে হবে। তারা উদ্যোক্তা খুঁজে বের করতে সাহায্য করতে পারে। তারপর সেক্টোরাল চেম্বার আছে যেমন, ইউনিয়ন চেম্বার আছে, ফরেন চেম্বার আছে, তারপর কান্ট্রি চেম্বার যেমন জার্মান চেম্বার, জাপানিজ চেম্বার আছে । এরকম চেম্বারগুলোকে সাথে নিয়ে এই কাজগুলো করতে হবে। এবং এর জন্য সরকারের যে মন্ত্রণালয় আছে, তাদেরকে আমলাতান্ত্রিক গতানুগততা ছেড়ে একেকটা কর্পোরেট হাউজের মতো কাজ করতে হবে। প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয়ে দরকার হলে একটা অ্যাডভাইজরি প্যানেল গঠন করতে হবে। তারা সর্বক্ষণ নীতিমালা সমর্থন দেবে। এগুলো কো অর্ডিনেট করবে হয়তো মিনিস্ট্রি অব ফাইন্যান্স কিংবা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সবাইকেই মনে করতে হবে যে একটি বিজনেস ফ্রেন্ডলি  সরকার আছে এবং ব্যবসায়ের খরচ কমিয়ে এনে সেরা ব্যবসায়বান্ধব সেরা ৪০টি দেশের মধ্যে ঢুকে যেতে পারি। 
 
আমরা যেন এটা নিশ্চিত করতে পারি যে আমাদের এখানে ব্যবসায় করা কঠিন না সহজ। এরকম একটি বার্তা সারাবিশ্বকে দিতে হবে। স্কিল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং ইনস্টিটিউটগুলোকে সাথে নেওয়া, সরকারী-বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উৎসাহিত করা রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের মাধ্যমে তাদেরকে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এই দুটি ক্ষেত্রে তাদেরকে ফান্ড দেওয়া। তারা ল্যাব তৈরি করবে, সেখানে উদ্যোক্তা তৈরি করার জন্য ট্রেনিং দেবে। পাবলিক হোক আর প্রাইভেট হোক এই ধরনের ফান্ড তৈরি করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে এই ধরনের ট্রেনার তৈরি করে এদের জন্য কিছু চ্যালেঞ্জ ফান্ড দেওয়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। এই ভাবে উদ্যোক্তা তৈরি হবে। তার মানে কি, চেম্বারগুলোকে সাথে নেওয়া, শিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সাথে নেওয়া, এবং একেবারে মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত তাদেরকে আইসিটি ফ্রেন্ডলি করে গড়ে তোলা, সেখানে যত রকমের সমর্থন দেওয়া দরকার-শিক্ষক দিয়ে, ল্যাবরেটরি দিয়ে সমর্থন দিতে হবে। এবং অনলাইনে অনেক কনটেন্ট ম্যাটেরিয়াল শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া, আজকাল অনেক দেশি-বিদেশি ফার্ম এগুলো নিয়ে কাজ করছে। তাদেরকে উৎসাহিত করার মধ্য দিয়ে একটি দেশ গড়ে উঠবে সবাই মিলে যখন একসাথে কাজ করবে। 
 
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে ড. আতিউর রহমান বলেন, বন্যা এবং রোহিঙ্গা একসঙ্গে আসাতে সরকারের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে মোকাবেলা করবেন বলে আশা রাখি। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের সবগুলো বিভাগই দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে, আমার বিশ্বাস, শিগগিরই এসব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। 
 
ইত্তেফাক/আনিসুর
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৪:৩১
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৫
মাগরিব৫:৫৯
এশা৭:১২
সূর্যোদয় - ৫:৪৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৪