বাংলাদেশ | The Daily Ittefaq

একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন
বরিশালে হবে ‘শেখ হাসিনা সেনানিবাস’
ইত্তেফাক রিপোর্ট১৫ নভেম্বর, ২০১৭ ইং ০২:১৭ মিঃ
একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন

বরিশালে নতুন একটি সেনানিবাস তৈরির অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে এই সেনানিবাস স্থাপনে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা। চলতি বছর অক্টোবর থেকে শুরু করে ২০২১ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। একনেক বৈঠকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্ উপকূলীয় এলাকা বরিশাল ও পটুয়াখালীতে কোনো সেনানিবাস নেই। জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ অঞ্চলটিতে প্রায়ই প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়। সেনানিবাস না থাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় প্রায় ২০০ কি.মি. দূরে অবস্থিত যশোর সেনানিবাসের সহায়তা নিতে হয়। স্বাধীনতা পরবর্তী সময় হতে যশোর সেনানিবাসকে এ অঞ্চলের ২১টি জেলার প্রতিরক্ষা, দুর্যোগ মোকাবেলা এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে যা বর্তমানে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকার কর্তৃক গৃহীত ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর আওতায় এই সেনানিবাসটি বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার মধ্যবর্তী স্থান লেবুখালীতে স্থাপন করা হবে।

গতকাল শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে মোট ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩৩৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা এরমধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল (জিওবি) ৩ হাজার ৩১৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল হতে ১৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা যোগান দেওয়া হবে। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রকল্পগুলোর বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে সরকারের নেওয়া কিছু মেগা প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনানিবাসটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সভায় ৭১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে মংলা বন্দর চ্যানেলের আউটার বারে ড্রেজিং প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সভায় অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হলো— শালিখা (মাগুরা)-আড়পাড়া-কালিগঞ্জ (ঝিনাইদহ) জেলা মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও মজবুতিকরণ প্রকল্প, বরিশাল (দিনারেরপুল)-লক্ষ্মীপাশা-দুমকী জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙ্গামাটি নদীর উপর গোমা সেতু নির্মাণ প্রকল্প, বৃহত্তর খুলনা ও যশোর জেলা ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়ন প্রকল্প, বৃহত্তর বগুড়া ও দিনাজপুর জেলা ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়ন প্রকল্প, ভেড়ামারা (বাংলাদেশ)-বহরমপুর (ভারত) দ্বিতীয় ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন (বাংলাদেশ অংশ) নির্মাণ প্রকল্প, জাতীয় চিত্রশালা এবং জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্রের সম্প্রসারণ ও অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তকরণ প্রকল্প, ঝিনাইদহ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন (৩য় সংশোধিত) প্রকল্প এবং ইনস্টিটিউট অব বায়োইকুভ্যালেন্স স্টাডিজ এন্ড ফার্মাসিউটিক্যাল সাইন্সেস প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্প। পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, এখন থেকে শুধু গ্যাসভিত্তিক কোনো বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপন না করে ডুয়েল ফুয়েল বিদ্যুত্ কেন্দ্র তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া একনেকের অবগতির জন্য চারটি প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বিবরণী উপস্থাপন করা হয়।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৩ নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৪:৫৯
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৮সূর্যাস্ত - ০৫:১০