জাতীয় | The Daily Ittefaq

বাংলাদেশের উন্নয়নের দিকে তাকিয়ে আছে বিশ্ব: আমু

বাংলাদেশের উন্নয়নের দিকে তাকিয়ে আছে বিশ্ব: আমু
অনলাইন ডেস্ক২৮ আগষ্ট, ২০১৮ ইং ১৭:৫৫ মিঃ
বাংলাদেশের উন্নয়নের দিকে তাকিয়ে আছে বিশ্ব: আমু
ফাইল ছবি
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গৃহীত ব্যাপক উন্নয়ন কর্মসূচির ফলে বাঙালি জাতির মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। গোটা বিশ্ব এখন অবাক বিস্ময়ে বাংলাদেশের উন্নয়নের দিকে তাকিয়ে আছে। বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাশা অনুযায়ী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে একটি মর্যাদাশালী রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে।
 
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী এ কথা বলেন। রাজধানীর কাওরান বাজারে বিএসইসি ভবন চত্ত্বরে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন আজ মঙ্গলবার এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
 
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিম, প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আনিস-উল-হক ভূঁইয়া এবং জাতীয় শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খান সিরাজুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। এতে বিএসইসি’র পরিচালক নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ বঙ্গবন্ধুর ওপর স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন।
 
আমির হোসেন আমু বলেন, স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে গড়ে তুলেছিলেন। তিনি স্কুল-কলেজ জাতীয়করণ, শিক্ষকদের স্থায়ী নিয়োগ, কল-কারখানা চালু এবং অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োগের ব্যবস্থা করেছিলেন। বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে তিনি যখন দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তখনই দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে হত্যার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
 
শিল্পমন্ত্রী বলেন, ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড কোনো ব্যক্তি বা পারিবারকেন্দ্রিক হত্যাকাণ্ড ছিল না। এটি ছিল একাত্তরের পরাজিত শক্তির প্রতিহিংসামূলক প্রতিবিপ্লব। এ হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের সঙ্গে লূস কনফেডারেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। ১৫ আগস্ট হত্যাকান্ডের পরবর্তী আড়াই মাসের মাথায় জাতীয় চার নেতা হত্যা, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচাররোধ, সংবিধান থেকে জাতীয় চার মূলনীতি ছেঁটে ফেলার মত মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী ধারাবাহিক কর্মকাণ্ড এর প্রমাণ করে।
 
ইত্তেফাক/কেকে
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৬
এশা৭:০৯
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫১