জাতীয় | The Daily Ittefaq

ছাত্রলীগ হাল ধরলে নিরক্ষরতা দূর করতে লম্বা সময় লাগবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছাত্রলীগ হাল ধরলে নিরক্ষরতা দূর করতে লম্বা সময় লাগবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ১৮:১৬ মিঃ
ছাত্রলীগ হাল ধরলে নিরক্ষরতা দূর করতে লম্বা সময় লাগবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছাত্রলীগ হাল ধরলে বাংলাদেশ হতে নিরক্ষরতা দূর করতে লম্বা সময় লাগবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। 
 
শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস’ উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। সাক্ষরিত অভিযান শিরোনামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রিকসা চালায় এমন সাতজন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন হল ক্যান্টিন বালকের হাতে বই তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 
 
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ছাত্রলীগকে সারা বাংলাদেশে নিরক্ষরতা দূর করতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আমি মনে করি যথার্থভাবেই ছাত্রলীগ তাদের টার্গেট করা সময়ের মধ্যেই ঘোষণা করবে বাংলাদেশে কোনো নিরক্ষরতা নেই। আমাদের পার্শ্ববর্তী তামিলনাড়ু-তে ১০০ ভাগ শিক্ষিত। আমাদের দেশে এত সম্পদ রয়েছে। আমি মনে করি আমাদের সেই জায়গাতে যেতে আর লম্বা সময় লাগবে না যদি ছাত্রলীগ হাল ধরে।
 
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  বলেন, ২০০১ এ যখন আমরা ক্ষমতা ছাড়ি তখন সাক্ষরতা হার ছিল ৬০ শতাংশ। ২০০৯ এ যখন ক্ষমতা গ্রহণ করি তখন এই হার ৪০-৪১ শতাংশ। এই ধরনের ইতিহাস কোনো রাষ্ট্রে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। আমরা চার হাজার মেগোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ রেখে গেলাম এসে পেলাম তিন হাজার ২০০ মেগাওয়াট। আমরা চালে ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ সেখানে আমরা দেখলাম লক্ষ লক্ষ টন খাদ্য ঘাটতি। সেই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কোথায় নিয়ে গেছেন!  ২০০৮ এ তিনি বলেছিলেন বদলে দিবেন বাংলাদেশকে।  তিনি যথার্থভাবেই তার ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন।
 
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা ঘুরুন সারা বাংলাদেশে। নিজের চোখে দেখুন আমরা কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছি। পায়রা বন্দরের দিকে চলে যান, কক্সবাজারের দিক দিয়ে চলে যান আমাদের নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে সেখানে চলে যান। কিভাবে উন্নয়নের মহাস্রোতে আমরা মিলিয়ে গেছি সেটা লক্ষ্য করেন। পৃথিবীর যেখানেই যাই আজকে আমাদের বলে না বাংলাদেশ থেকে আসছ, ভিন্ন লাইনে দাঁড়াও। আমাদের আজকে সমীহ করে। আমি যেখানেই যায় সেখানে বলে তোমাদের সফলতার কারণটা কি। আমি বলি, ‘প্রধানমন্ত্রী জনগণকে ভালোবাসেন, জনগণ তার ওপর আস্থা রেখেছে যেমনভাবে তার পিতার প্রতি আস্থা ছিল সারা বাংলাদেশের মানুষের।’ ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে বেঁচে থাকতে দেয়নি। 
 
এ সময় তিনি বলেন, আমি সারা বাংলাদেশে ঘুরে বেড়াই। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা দেখেছি।
 
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক।
 
ইত্তেফাক/এমআই
 
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫৩
আসর৪:১৬
মাগরিব৬:০১
এশা৭:১৩
সূর্যোদয় - ৫:৪৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৬