জাতীয় | The Daily Ittefaq

বেশিরভাগ দলে ভোটের প্রস্তুতি বিএনপি সিদ্ধান্তহীন

বেশিরভাগ দলে ভোটের প্রস্তুতি বিএনপি সিদ্ধান্তহীন
শামছুদ্দীন আহমেদ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ০২:৩৬ মিঃ
বেশিরভাগ দলে ভোটের প্রস্তুতি বিএনপি সিদ্ধান্তহীন
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তোড়জোড় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোতে। দল গোছানো ও ভোটের প্রস্তুতির পাশাপাশি সমমনাদের নিয়ে জোট বাঁধার একরকম হিড়িক চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ দলটির নেতৃত্বাধীন ১৪ দল শরিক এবং সরকার সমর্থকরা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। তবে ভোটের বাকি চার মাসের মতো অবশিষ্ট থাকলেও বিএনপিসহ দলটির নেতৃত্বে থাকা ২০ দল শরিকরা নির্বাচনে অংশ নেওয়া না নেওয়ার প্রশ্নে এখনো সিদ্ধান্তহীন।
 
‘অক্টোবরের পর যে কোনোদিন জাতীয় নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা’- নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া এই ধারণাকে সামনে রেখে পুরোদমে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ইতোমধ্যে বলেছেন, অক্টোবরের মধ্যেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এরইমধ্যে আওয়ামী লীগের ৬০-৭০ জনকে মনোনয়নের ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেছেন- এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার আলাপ হয়েছে। তবে ওই ৬০-৭০ জন কারা তা তিনি নির্দিষ্ট করে জানেন না। এছাড়া প্রতি ছয় মাস পরপর দলীয় প্রার্থীদের ব্যাপারে বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে জরিপ প্রতিবেদন সংগ্রহ করছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী। সূত্রমতে, একটি সংস্থার মাঠ কর্মকর্তারা সম্প্রতি তিনশ আসনে কোন দলের সম্ভাব্য প্রার্থী কারা এবং কার কী অবস্থান সে বিষয়ে সংস্থাটির ঢাকায় প্রধান কার্যালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রজেক্টরের মাধ্যমে ব্রিফ করেছেন। সূত্রমতে, বিভিন্ন সংস্থার জরিপের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব নিজস্ব সোর্স ও আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমেও তিনশ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে মাঠ জরিপ সংগ্রহ করছেন। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে চূড়ান্ত ও সংক্ষিপ্ত তালিকা সংগ্রহ করার কথা শোনা যাচ্ছে।
 
এ ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের ইত্তেফাকের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘দলের প্রার্থীদের বিষয়ে ছয় মাস পরপর প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেদন সংগ্রহ করছেন। যারা বিতর্কিত ও জনবিচ্যুত তাদেরকে এবার মনোনয়ন দেওয়া হবে না। জনগণের কাছে যাদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হবে।’
 
নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গত শনিবার বৈঠক করেছে। কমিটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে এখন থেকেই প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ভিত্তিক দলীয় কমিটি গঠন করতে নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে ভোটারদের আকৃষ্ট করতে আওয়ামী লীগ সরকারের গত দশ বছরের উন্নয়নচিত্র সারাদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরার ওপরও জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর অংশ হিসেবে প্রতিটি জেলায় ‘উন্নয়ন কনসার্ট’ করা হচ্ছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কয়েকটি জেলায় ইতোমধ্যে এই কনসার্ট করা হয়ে গেছে।
 
আওয়ামী লীগ পুরোদমে ভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দিলেও দলটি জোট শরিকদের সঙ্গে আসন বণ্টনের বিষয়টি এখনো ফয়সালা না করায় সংক্ষুব্ধ ১৪ দলের শরিকরা। ওবায়দুল কাদের ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের বর্তমান শরিকসহ আরো যারা নতুন মিত্র হবে তাদেরকে ৬৫-৭০টি আসনে ছাড় দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা রয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপি ও তাদের জোট নির্বাচনে আসবে কী আসবে না এবং বিকল্পধারা সভাপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের উদ্যোগে চলমান বৃহত্তর ঐক্য প্রক্রিয়ার গতিপ্রকৃতি কী হয়, সম্ভাব্য এই জোটের মোহনা কোথায় কার সঙ্গে গিয়ে মিলে- এসব বিষয় পরিষ্কার হওয়ার পর বর্তমান শরিক ও নতুন মিত্রদের সঙ্গে আসন বণ্টনের আলোচনায় যাবে আওয়ামী লীগ।
 
১৪ দল শরিক জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ইত্তেফাককে বলেন, আগেভাগে আসন বণ্টনের বিষয়টি সুরাহা করলে আমাদেরও ভোটের প্রস্তুতিটা ভালো হবে। বিষয়টিকে ঝুলিয়ে রাখা কারও জন্য মঙ্গলজনক নয়। ১৪ দলের আরেক শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেননও ইত্তেফাককে বলেছেন, আসনের বিষয়টি ফয়সালা করার জন্য আমরা বারবার তাগিদ দিয়েছি; কিন্তু আওয়ামী লীগ এ ব্যাপারে এখনো আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেনি। দ্রুত বিষয়টা সমাধান করা জরুরি।
 
জানা গেছে, বিএনপিসহ দলটির নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচনে এলে সেক্ষেত্রে এইচএম এরশাদের জাতীয় পার্টিকে (জাপা) নিয়ে আবারও মহাজোট কিংবা বৃহত্তর জাতীয় জোট গঠন করতে পারে আওয়ামী লীগ। সেক্ষেত্রে জাপাকে ৩০-৪০টি আসনে ছাড় দেওয়া হতে পারে। যদিও জাপা ৬০-৭০টি আসন দাবি করছে। বর্তমান দশম সংসদে জাপা ৩৪টি আসনে জয়ী হয়েছিল। বিএনপি ভোটে এলে এবং কোনো কারণে জাপাকে নিয়ে জোট গঠন না হলেও জাপার সঙ্গে আসন সমঝোতায় যাওয়ার পরিকল্পনা আছে আওয়ামী লীগের। অন্যদিকে, ১৪ দলের বর্তমান শরিকদের ছাড়াও নতুন মিত্র হিসেবে যেসব দল ও জোট সঙ্গে আসবে তাদেরও কিছু আসনে ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে আওয়ামী লীগের। সম্ভাব্য নতুন মিত্রদের মধ্যে রয়েছে সাবেক বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার তৃণমূল বিএনপি ও তার নেতৃত্বাধীন জোট বিএনএ। আছে ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমানের নেতৃত্বে গত শনিবার ১৫টি ইসলামি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিন নতুন জোট ইসলামিক ড্রেমোক্রেটিক এলায়েন্সও (আইডিএ)।
 
এদিকে, নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি এখন সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের দিকে। সোমবার অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও এ ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। জানা গেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনে আলাপের বিষয়টি তুলে ধরে সোমবারের বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নেতাদের জানিয়েছেন- তিনিও (তারেক রহমান) এই মুহূর্তে বৃহত্তর ঐক্য গঠন ও আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিএনপির বিশ্বাস, কিছু মতপার্থক্য থাকলেও সহসাই অধ্যাপক বি. চৌধুরী, ড. কামাল, জেএসডি সভাপতি আ.স.ম আবদুর রব ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ সমমনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে নিয়ে বৃহত্তর ঐক্য গঠন করা সম্ভব হবে।
 
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে বিএনপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে জাতিসংঘের রাজনীতি বিষয়ক সহকারী মহাসচিব মিরোস্লাভ জেঙ্কার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। একই সফরে তারা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সঙ্গেও বৈঠক করেন। মির্জা ফখরুল জানিয়েছেন, এসব বৈঠকে তারা বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে কী কী করণীয় সে বিষয়েও প্রতিনিধি দল লিখিতভাবে জানায়। জানা গেছে, আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে বিএনপির প্রতিনিধি দল যুক্তরাজ্য ও ভারত সফরেরও পরিকল্পনা করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গেও বৈঠক আয়োজনের চেষ্টা করছে বিএনপি।
 
বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একাদশ সংসদ নির্বাচনকে তারা দলের অস্তিত্ব রক্ষার বিষয় হিসেবে দেখছেন। সেই কারণে বৃহত্তর ঐক্য গঠন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায়ের চেষ্টার পাশাপাশি নির্বাচন ও আন্দোলনেরও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কোনো কারণে এবারও শেষ পর্যন্ত নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত হলে সেক্ষেত্রে তফসিল ঘোষণার পর স্বল্পমেয়াদি তবে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এক্ষেত্রে নির্বাচন যদি হয়েও যায় তাহলে বিরামহীন আন্দোলন চালিয়ে যাবার পরিকল্পনা করছে দলটি। কারণ দলটি মনে করে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেওয়া ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।
 
নির্বাচনের বিষয়ে বিএনপি সিদ্ধান্তহীন থাকলেও আওয়ামী লীগের মতো এইচএম এরশাদের জাপাও নির্বাচনি প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। নির্বাচনি ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে গতকাল মঙ্গলবার থেকে রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে জাপা দুই দিনব্যাপী ‘কিকঅফ ইভেন্ট’ শুরু করেছে। গতকাল এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাপা চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ বলেছেন, ‘আমাদের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে। আগামীতে নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা আবারও ক্ষমতায় আসবো। আমার হাতে রক্তের দাগ নেই। ক্ষমতায় যাবার একমাত্র পথ নির্বাচন। এত নির্যাতন-নিপীড়নের পরেও আমরা টিকে আছি। দলকে শক্তিশালী করতে পারলে আবারও আমাদের ক্ষমতায় ফেরা কঠিন কিছু নয়। কারণ মানুষ পরিবর্তন চায়।’ দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা আর কারও ক্ষমতায় যাবার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহূত হবো না। আমরা তিনশ আসনেই নির্বাচন করতে প্রস্তুত। আপনারাও প্রস্তুতি নিন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি গঠন করুন যেন জোর করে কেউ সিল মারতে না পারে।’ তবে এই অনুষ্ঠানে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ কেন্দ্রীয় নেতা ও সংসদ সদস্যদের বেশিরভাগই অনুপস্থিত ছিলেন।
 
১৪ দল শরিক জাতীয় পার্টি-জেপিও নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে গত শনিবার রাজধানীতে দলটি বর্ধিত সভা করে। এতে সারাদেশের ৬৮টি সাংগঠনিক জেলার নেতারা যোগ দেন। সভায় আগামী নির্বাচনেও অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। সভায় জাতীয় পার্টি-জেপি চেয়ারম্যান ও পানিসম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, ‘জেপি একটি উদার ও নির্বাচনমুখী দল। প্রয়োজনে আমরা একা নির্বাচন করবো, দরকার হলে সবকটি আসনে হারবো, তবুও নির্বাচন বয়কট করবো না। কারণ জেপি নির্বাচনি প্রক্রিয়া চালু রাখা এবং এই পথকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় বিশ্বাস করে।’
 
অন্যদিকে, দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করলেও একাদশ নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীও। সম্প্রতি ঢাকায় দলের বর্ধিত সভায় তিনি বলেছেন, আমরা সরকারের পদত্যাগ চাই না, সুষ্ঠু নির্বাচন চাই, সুষ্ঠু হলে আমরা ভোটে অংশ নেব। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি ও বাসদসহ আটটি বাম দলের সমন্বয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক বামমোর্চার পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, তারা সুষ্ঠু নির্বাচন চান। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পেলে তারা নির্বাচনে অংশ নেবেন। এছাড়া ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোও ইতোমধ্যে একাধিক জোট গঠন করেছে। সরকারকে সমর্থন জানিয়ে তারাও ঘোষণা দিয়েছে নির্বাচনে যাওয়ার। এমনকি অনিবন্ধিত অন্তত ২০টি দলও পৃথক জোট বেঁধে সরকারি দলের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচনে যাওয়ার কথা বলেছে।
 
ইত্তেফাক/অারকেজি
 
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৯
মাগরিব৫:২৯
এশা৬:৪২
সূর্যোদয় - ৫:৫৯সূর্যাস্ত - ০৫:২৪