৮ প্রকল্পে ১ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা অনুমোদন

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০১৯, ১৬:০৮ | অনলাইন সংস্করণ

  অনলাইন ডেস্ক

একনেকের প্রথম সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকারের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) প্রথম সভায় মঙ্গলবার (২২ জানুয়ারি) মোট ৮টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ জন্য মোট ব্যয় হবে ১ হাজার ৮৯৩ কোটি ২২ লাখ টাকা। এর পুরোটাই বাস্তবায়ন হবে সরকারি অর্থায়নে। একনেক চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।

একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের এ সব তথ্য জানান।

এ সময় তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের হার একটু কম হয়েছে। আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী থাকায় প্রকল্প পরিদর্শন করতে পারিনি। তবে এই বাস্তবায়নের হার অতীতের তুলনায় ভালো।’

পাস হওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ’ প্রকল্পের জন্য ৩৪৫ কোটি ৩ হাজার টাকা অনুমোদন। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ‘দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্যের অপ্রধান শস্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কর্মসূচি’ প্রকল্পের জন্য ২০৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অনুমোদন। প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল জানুয়ারি’ ২০১৯ থেকে ডিসেম্বর’ ২০২২।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ‘বিদ্যমান ৭টি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের উন্নয়ন ও নতুন ৬টি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপন’ প্রকল্প। এর জন্য ব্যয় হবে ৩৫৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ জানুয়ারি’ ২০১৯-ডিসেম্বর’২০২১ সাল।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের জাদুঘর ভবন সম্প্রসারণ এবং অন্যান্য ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ’ প্রকল্প। এরজন্য ১৪৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

আরও পড়ুন: চুক্তির ১৬ দিন আগেই কয়লা আমদানি বন্ধ

এছাড়া সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের ‘গোপালগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরী সম্প্রসারণ (তৃতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্পের জন্য ১০২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে বাস্তবায়নের মেয়াদ ছিল ২০১০ সালের জুলাই থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত। দ্বিতীয় পর্যায়ে মেয়াদ বৃদ্ধি করে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়।

ইত্তেফাক/এমআই