ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৭ ফাল্গুন ১৪২৫
২৪ °সে
ব্রিজ আছে রাস্তা নেই
রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী চন্দনা আক্তার জানান, আগে ব্রিজ ছিল না, তখন যেভাবে নৌকায় ও কাপড় ভিজিয়ে রাস্তা পাড় হয়েছি ব্রিজ নির্মাণের পরও একই অবস্থা। এই ব্রিজটি টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নির্মাণ করা হয়। যা দেড় বছর অতিবাহিত হয়েছে। দুপাশে মাটি ভরাটসহ সংযোগ সড়ক না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে উপজেলার সাতটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। ছবি: ইত্তেফাক রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী চন্দনা আক্তার জানান, আগে ব্রিজ ছিল না, তখন যেভাবে নৌকায় ও কাপড় ভিজিয়ে রাস্তা পাড় হয়েছি ব্রিজ নির্মাণের পরও একই অবস্থা। এই ব্রিজটি টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নির্মাণ করা হয়। যা দেড় বছর অতিবাহিত হয়েছে। দুপাশে মাটি ভরাটসহ সংযোগ সড়ক না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে উপজেলার সাতটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। ছবি: ইত্তেফাক
রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী চন্দনা আক্তার জানান, আগে ব্রিজ ছিল না, তখন যেভাবে নৌকায় ও কাপড় ভিজিয়ে রাস্তা পাড় হয়েছি ব্রিজ নির্মাণের পরও একই অবস্থা। এই ব্রিজটি টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নির্মাণ করা হয়। যা দেড় বছর অতিবাহিত হয়েছে। দুপাশে মাটি ভরাটসহ সংযোগ সড়ক না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে উপজেলার সাতটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। ছবি: ইত্তেফাক রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী চন্দনা আক্তার জানান, আগে ব্রিজ ছিল না, তখন যেভাবে নৌকায় ও কাপড় ভিজিয়ে রাস্তা পাড় হয়েছি ব্রিজ নির্মাণের পরও একই অবস্থা। এই ব্রিজটি টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নির্মাণ করা হয়। যা দেড় বছর অতিবাহিত হয়েছে। দুপাশে মাটি ভরাটসহ সংযোগ সড়ক না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে উপজেলার সাতটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। ছবি: ইত্তেফাক
রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী চন্দনা আক্তার জানান, আগে ব্রিজ ছিল না, তখন যেভাবে নৌকায় ও কাপড় ভিজিয়ে রাস্তা পাড় হয়েছি ব্রিজ নির্মাণের পরও একই অবস্থা। এই ব্রিজটি টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নির্মাণ করা হয়। যা দেড় বছর অতিবাহিত হয়েছে। দুপাশে মাটি ভরাটসহ সংযোগ সড়ক না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে উপজেলার সাতটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। ছবি: ইত্তেফাক রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী চন্দনা আক্তার জানান, আগে ব্রিজ ছিল না, তখন যেভাবে নৌকায় ও কাপড় ভিজিয়ে রাস্তা পাড় হয়েছি ব্রিজ নির্মাণের পরও একই অবস্থা। এই ব্রিজটি টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নির্মাণ করা হয়। যা দেড় বছর অতিবাহিত হয়েছে। দুপাশে মাটি ভরাটসহ সংযোগ সড়ক না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে উপজেলার সাতটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। ছবি: ইত্তেফাক
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
বেটা
ভার্সন