রাজনীতি | The Daily Ittefaq

বিএনপি না এলেও আগামী নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনে হবে :নাসিম

বিএনপি না এলেও আগামী নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনে হবে :নাসিম
ইত্তেফাক রিপোর্ট২০ এপ্রিল, ২০১৭ ইং ০০:৩০ মিঃ
বিএনপি না এলেও আগামী নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনে হবে :নাসিম

আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বিএনপি অংশগ্রহণ না করলেও বর্তমান সংবিধানের আলোকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠি হবে। কারণ ক্ষমতা পরিবর্তনের একমাত্র পথ জাতীয় নির্বাচন। এখন যে যত শ্লোগান দিক না কেন কোনো কাজ হবে না। নির্বাচনকালীন সরকার প্রধানের ব্যাপারে কোনো আপস হবে না। সংবিধানের বাইরে বিন্দুমাত্র আপস করার কোনো সুযোগ নেই। গতকাল বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে জাসদ আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।  এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। আর সেই নির্বাচনে জনগণের মন জয় করেই ১৪ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে ক্ষমতায় আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, কে নির্বাচনে আসল, কে আসল না- এ নিয়ে আওয়ামী লীগের কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই। কারণ নির্বাচনে অংশ নেওয়া, না নেওয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর নিজস্ব সিদ্ধান্ত। এক্ষেত্রে হুমকি দিয়ে কোনো লাভ হবে না। জনগণ গতবার যেভাবে ভোট দিয়েছিল, এবারও সেভাবে ভোট দেবে। কাউকে তোষামোদ করার দরকার নেই। তবে গতবারের মতো এবারও যদি সেই দল (বিএনপি) নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তাহলে দলটি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। আর কেউ যদি কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে এবারের নির্বাচন ভণ্ডুল করতে চায় তাহলে আবার সে ব্যর্থ হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারকেই ক্ষমতায় আসতে হবে। জনগণও এটা চায়। নইলে দেশের চলমান উন্নয়ন মুখ থুবড়ে পড়বে, জনগণ আবারো অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচন অন্য যে কোনো জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে আলাদা। এই নির্বাচনে জয়ের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য অপশক্তির অপতত্পরতা আরো কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে।

সভাপতির বক্তৃতায় জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, যারা জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে এদেশের রাজনীতিতে তাদের কোনো স্থান নেই। রাজনীতির মাঠে কেবল মুক্তিযোদ্ধারাই থাকবে, কোনো রাজাকার সমর্থিত শক্তি থাকবে না। জঙ্গি দমনের যুদ্ধ চলছে এবং এ যুদ্ধটা আমরা এখনো সম্পন্ন করতে পারিনি। যুদ্ধটা আমরা আগেই শেষ করতে পারতাম যদি জঙ্গির দোসর বিএনপি-জামায়াত চক্র এবং খালেদা জিয়া জঙ্গিদের প্রকাশ্যে সমর্থন না দিতেন। তিনি বলেন, জঙ্গি দমনে আমরা বার বার বাধাগ্রস্ত হয়েছি, জঙ্গির তাণ্ডব দেখেছি, আগুন সন্ত্রাস দেখেছি, ৯২ দিনের আগুন যুদ্ধ দেখেছি এবং এ সব কিছুকে অতিক্রম করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জঙ্গি দমন যুদ্ধ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

জাতীয় পার্টির (জেপি) সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক মন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলাম বলেন, রাজনীতির একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত জনকল্যাণ এবং জনগণের ওপর আস্থা স্থাপন। মূলত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সূত্র ধরে বলতে চাই, কাউয়া ও ফার্মের মুরগিরা দেশটাকে চেটেপুটে খাচ্ছে। এটা বন্ধ করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।’ সভায় অন্যান্যের মধ্যে জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহদাত হোসেন, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টির জাকির হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৬ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
ফজর৪:১৪
যোহর১২:০৩
আসর৪:৩৮
মাগরিব৬:৩৫
এশা৭:৫১
সূর্যোদয় - ৫:৩৪সূর্যাস্ত - ০৬:৩০