রাজনীতি | The Daily Ittefaq

নির্বাচনের সময় সংসদ ভেঙে দেয়ার দাবি সিপিবির

নির্বাচনের সময় সংসদ ভেঙে দেয়ার দাবি সিপিবির
ইত্তেফাক রিপোর্ট১২ অক্টোবর, ২০১৭ ইং ২১:৪৭ মিঃ
নির্বাচনের সময় সংসদ ভেঙে দেয়ার দাবি সিপিবির
দেশে ভোটগ্রহণের নামে প্রহসন চলছে মন্তব্য করে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় আমূল সংস্কারের দাবি করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। একই সঙ্গে লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি করতে আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙ্গে দেয়ার দাবি জানান তিনি।
 
সিপিবির সভাপতি আশা প্রকাশ করেন, এবারের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে। ওই নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ইসির উপর ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপ শেষে এসব দাবির বিষয় সাংবাদিকদের জানান মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। 
 
সংলাপে দলটির পক্ষ থেকে ১৭টি প্রস্তাব করা হয়। এদিকে একই দিন বিকালে সংলাপে গণতন্ত্রী পার্টির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে ওই সরকার তফসিল ঘোষণার পর রুটিন কাজ ছাড়া নীতিগত কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। এ ছাড়া ইসির উদ্যোগে প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় প্রজেকশন সভার আয়োজনসহ ২১ দফা প্রস্তাব করেছে দলটি।
 
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে পৃথক এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত সংলাপে সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের নেতৃত্বে ১১ সদস্য এবং বিকালে গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আলশ আলীর নেতৃত্বে ১১ সদস্য সংলাপে অংশ নেন। সংলাপে নির্বাচন কমিশনাররা, ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 
শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন চায় গণতন্ত্রী পার্টি
এদিকে ইসির সঙ্গে সংলাপ শেষে গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আলশ আলী বলেন, ‍‌‌সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ২১ দফা প্রস্তাব করেছি। আমরা বলেছি, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংবিধানের আলোকে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সরকার দৈনন্দিন কার্যাবলী ছাড়া নীতিগত কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে না।
 
দলটির অন্য প্রস্তাবনার মধ্যে রয়েছে- অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নির্বাচনকালীন ইসির অধীনে থাকবে। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংবিধানে নির্বাচন কমিশনকে যে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে তা প্রয়োগ করতে হবে।  
 
ইত্তেফাক/ইউবি
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৭ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
ফজর৪:৪২
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫৩
মাগরিব৫:৩৪
এশা৬:৪৬
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:২৯