রাজনীতি | The Daily Ittefaq

বিএনপি নেতাদের বিদেশ যাত্রা তাদের রাজনীতির দৈন্যতারই বহিঃপ্রকাশ : ড. হাছান মাহমুদ

বিএনপি নেতাদের বিদেশ যাত্রা তাদের রাজনীতির দৈন্যতারই বহিঃপ্রকাশ : ড. হাছান মাহমুদ
অনলাইন ডেস্ক১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ২০:০৭ মিঃ
বিএনপি নেতাদের বিদেশ যাত্রা তাদের রাজনীতির দৈন্যতারই বহিঃপ্রকাশ : ড. হাছান মাহমুদ
বিএনপি নেতাদের বিদেশ যাত্রা তাদের রাজনীতির দৈন্যতারই বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ এমপি।
 
আজ বৃহস্পতিবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের নতুন ভবনে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির নিয়মিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
 
তিনি বলেন, আমরা রাজনীতি করি জনগণের জন্য। আমাদের কোন বক্তব্য বা অভিযোগ থাকলে তা আমরা জনগণণকে বলি। বিএনপি জাতিসংঘে যাওয়ার মাধ্যমে এটিই প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের মানুষের ওপর তাদের কোন অাস্থা নাই। তারা (বিএনপি) নালিশ দেশের জনগনকে না দিয়ে বিদেশে গিয়ে বিদেশীদের কাছে উপস্থাপন করছে। এটি তাদের রাজনীতির দৈন্যতারই বহিঃপ্রকাশ এবং জনগণের ওপর তাদের আস্থাহীনতার বহিঃপ্রকাশ।
 
সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সুবিধার্থে কারা অভ্যন্তরে যে অাদালত স্থাপন করা হয়েছে সেখানে তিনি গতকাল হাজির হননি। অথচ এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ছিল আরও ছয় মাস আগে। কিন্তু বেগম জিয়া ও তার আইনজীবীরা তার অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে বেগম জিয়া এবং তার অাইনজীবীরা তাকে আদালতে হাজির করেননি। প্রকৃতপক্ষে দেশের আইন ও আদালত বেগম জিয়া, বিএনপি এবং তাদের আইনজীবী প্যানেল কর্তৃক প্রচণ্ডভাবে হেনস্তার স্বীকার। আমরা আশা করবো বিএনপি দেশের আইন এবং আদালতকে সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে কাজ করবে।
 
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্ণেল তাহেরের বিচার এবং বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আদালত স্থাপন দুটি ভিন্ন। কর্ণেল তাহেরের বিচার হয়েছিল ক্যামেরা ট্রায়ালে। জনসাধারণের প্রবেশ সেখানে নিষিদ্ধ ছিল এমনকি সাংবাদিকদেরও সেখানে প্রবেশাধিকার ছিলো না। প্রকৃতপক্ষে সেটি গোপন বিচার করা হয়েছিল। আর বেগম খালেদা জিয়াকে যেখানে রাখা হয়েছে তার কাছাকাছি একটি পরিত্যক্ত ভবনে তার সুবিধার্থে অাদালত স্থাপন করা হয়েছে। সেটি একটি ওপেন অাদালত যেখানে আইনজীবি, সাংবাদিকসহ সবাই যেতে পারেন।
 
তিনি আরো বলেন বেগম জিয়াকে রাখা ভবনটি পরিত্যক্ত কারাগারের একটি ভবনকে কারাগার ঘোষনা করে রাখা হয়েছে।কিন্তু যেই ভবনে আদালত স্থাপন করা হয়েছে সেটি একটি পরিত্যক্ত ভবন মাত্র। কারাগারের কোন অংশ নয়।
 
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনসহ প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির সদস্যবৃন্দ।
 
ইত্তেফাক/নূহু
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৪
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩