রাজনীতি | The Daily Ittefaq

জাতিসংঘ-যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাসেলস-লন্ডন ঘুরে লাভ হবে না: হাছান মাহমুদ

জাতিসংঘ-যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাসেলস-লন্ডন ঘুরে লাভ হবে না: হাছান মাহমুদ
অনলাইন ডেস্ক১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ১৬:০১ মিঃ
জাতিসংঘ-যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাসেলস-লন্ডন ঘুরে লাভ হবে না: হাছান মাহমুদ
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, জাতিসংঘ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাসেলস এবং লন্ডন ঘুরে কোন লাভ হবে না। সংবিধানের একচুলও ব্যত্যয় হবে না। ভারত, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানের মতো যে সরকার নির্বাচিত হয়ে দেশ পরিচালনা করে আসছে সেই সরকারই নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবে। আমাদের সংবিধানের অালোকে তাদের সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে শেখ হাসিনাই নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে এবং নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সুতরাং এ নিয়ে বিদেশে দৌড়ঝাঁপ করে কোন লাভ হবে না।
 
মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
 
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করার পর মুক্তিযোদ্ধের বিরুদ্ধচারী, পাকিস্তানিদের দোসর এমনকি পাকিস্তান প্রতিনিধি দলের ডেপুটি লিডার শাহ্ অাজিজুর রহমানকে তার মন্ত্রী সভার প্রথম প্রধানমন্ত্রী করেছিলেন এবং যারা মুক্তিযোদ্ধের বিরুদ্ধচারন করেছিল তাদের সবাইকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে যারা এই দেশ এবং দেশের পতাকাটাই চায়নি সেই মতিউর রহমান নিজামি এবং কামরুজ্জামানকে মন্ত্রী বানিয়ে তাদের গাড়িতে লাল সবুজের সূর্য খচিত সবুজ পতাকা লাগিয়ে দিয়েছিলেন। এটি শুধু জাতির সঙ্গে প্রতারণাই নয় ফৌজদারি অপরাধেরও সামিল এবং তাদের সহিংসতার অভ্যাস তারা এখনো অব্যাহত রেখেছে। সেই কারণেই এরা যুদ্ধের সময় মানুষের ঘর-বাড়ি পুড়িয়েছে আর এখন মানুষের গায়ে পেট্রল ঢেলে দিয়ে জীবন্ত মানুষকে জ্বালিয়ে দিচ্ছে। 
 
বিএনপিতে অনেক নেতা আছেন যারা মুসলিম লীগ ও জামায়াতে ইসলামীর পরবর্তী প্রজন্ম মন্তব্য করে সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন,, বিএনপির অনেক নেতা মুসলিম লীগ ও জামায়াতে ইসলামীর পরবর্তী প্রজন্ম। আর বিএনপির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অনেক নেতা আছেন যাদের পরিবারের হয় মুসলিম লীগ ব্যাকগ্রাউন্ড অথবা পাকিস্তানি পক্ষ অবলম্বনকারী বিভিন্ন দলের ব্যাকগ্রাউন্ড। আর কিছু আছে সুযোগ সন্ধানী।
 
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান দুর্জয়ের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দারসহ বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
 
ইত্তেফাক/এমআই
 
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২১ অক্টোবর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫০
মাগরিব৫:৩১
এশা৬:৪৩
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৬