পাখি : ত্রিরঞ্জিত মুনিয়া
মোহাম্মদ অংকন১৩ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
পাখি : ত্রিরঞ্জিত মুনিয়া
খয়েরি মুনিয়া নামেও পরিচিত। কোনো একসময় ‘কালোমাথা মুনিয়া’ নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এরা দুটি প্রজাতিতে বিভক্ত হয়ে গেছে—খয়েরি বা ত্রিরঞ্জিত মুনিয়া ও তামাটে বা কালোমাথা মুনিয়া।

ত্রিরঞ্জিত মুনিয়া লম্বায় প্রায় ১১ সেন্টিমিটার এবং ওজনে মাত্র ১২ গ্রাম। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির মাথা, ঘাড়, গলা, বুকের কেন্দ্র, অবসারণী ও লেজের তলা চকচকে কালো রঙের হয়। বুকের অবশিষ্টাংশ সাদা। পাখনা, পিঠ ও লেজ লালচে-বাদামি বা খয়েরি। ঠোঁট বেশ শক্ত, ত্রিকোণাকার ও হালকা নীলচে এবং পা, আঙুল ও নখ কালো রঙের।

ত্রিরঞ্জিত মুনিয়া চোখে পড়ে লম্বা ও ঘন ঘাসবন, কাশবন, ধানখেত ও ছোট ছোট ঝোপ-ঝাড়ে। এই পাখিগুলো ছোট থেকে বড় অনেকগুলো ঝাঁকে থাকে। কখনো কখনো ডোরা বাবুই এবং কালোবুক বাবুইয়ের সঙ্গেও চরতে দেখা যায়। এদের খাবার ঘাসবিচি, কাউন, ধান ইত্যাদি। পাখিগুলো নিরীহ তবে ঝাঁক বেঁধে পাকা ধান ও ফসলের বেশ ক্ষতি করে।

ত্রিরঞ্জিত মুনিয়ার প্রজননকাল মে থেকে নভেম্বর। প্রজননকাল শুরু হলে নদী-নালা-ঝোপের ধারে পাতা ও ঘাস দিয়ে বড় বলের মতো বাসা বানায়। বাসায় ঢোকার জন্য লম্বা সুড়ঙ্গের মতো পথ থাকে, ঘাসফুল দিয়ে যার চারপাশটা বেশ সুন্দর করে মুড়ে নেয়। ডিম পাড়ে চার থেকে সাতটি। ডিমগুলো ধবধবে সাদা। স্বামী-স্ত্রী মিলে ১২-১৩ দিনে তা দিয়ে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটায়। বাচ্চাদের বয়স ১৪-১৫ দিন হতে না হতেই উড়তে শেখে। মায়ের সঙ্গে খাবারের খোঁজে বের হয়।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
ফজর৪:১৩
যোহর১২:০৪
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৩৭
এশা৭:৫৪
সূর্যোদয় - ৫:৩৩সূর্যাস্ত - ০৬:৩২
পড়ুন