ভয়ংকর প্রেতাত্মা রূপে
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ভয়ংকর প্রেতাত্মা রূপে
g তা হ মি না  মি লি

 

হালে মুক্তি পেয়েছে হরর ধাঁচের দ্য কনজুরিং সিরিজের নতুন সিনেমা ‘দ্য নান’। এটি কনজুরিং সিরিজের পঞ্চম ছবি। সিরিজের আগের প্রতিটি সিনেমাই দুনিয়াজুড়ে দর্শকদের ভীষণভাবে আলোড়িত করেছে। যে কারণে ‘দ্য নান’ ছবিটি মুক্তির বহু আগেই নির্মাণকাল থেকে সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ছবিটির ট্রেলার দেখে মানুষ এতটাই ভয় পেয়েছিল যে, হলেও দর্শকদের গা হিম করে দেবে, তা আগে থেকেই অনুমান করা গেছে। ট্রেলারের কিছু দৃশ্য এতটাই ভয়ংকর ছিল যে অতি সাহসীদের হূদয়ও কেঁপে উঠেছিল। পিলে চমকে দেওয়া সেই হলিউডি হরর সিনেমা অবশেষে দর্শকদের সামনে চলে এসেছে। এবারের গল্পটি ভ্যাটিকানের এক যাজক ও তার নারী শিষ্যকে নিয়ে। রোমানিয়ায় তাদের পাঠানো হয় এক সন্ন্যাসিনীর আত্মহত্যার তদন্তে। সেই তদন্তে গিয়েই তাদের মুখোমুখি হতে হয় এক ভয়ংকর প্রেতাত্মার। প্রতিহিংসাই সেই প্রেতাত্মার একমাত্র লক্ষ্য। একটি সাধারণ তদন্ত পরিণত হয় প্রেতাত্মার প্রতিহিংসা থেকে বাঁচার লড়াইয়ে। ‘দ্য নান’ ছবিতে প্রেতাত্মা চরিত্রে অভিনয় করেছেন বনি অ্যারনস। ৩৯ বছর বয়সী আমেরিকান এই অভিনেত্রীকে দর্শক আগেই থেকে চেনে ভালো করে। ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হলিউডি ছবি ‘মুলহল্যান্ড ড্রাইভ’-এ ‘বাম’ চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে তার ব্যাপক পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ‘দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ’, ‘দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ টু : রয়েল এনগেজমেন্ট’ ছবিতে তার উপস্থিতি সবার চোখে পড়ে। ‘দ্য কনজুরিং টু’ ছবিতে তাকে ‘ভালাক’ চরিত্রে দেখা গেছে। নিউ ইয়র্কে অভিনয় স্কুলে গেলেও ছোটবেলা থেকে অভিনয়ের ব্যাপারে স্থির কোনো লক্ষ্য ছিল না তার। কারণ তার চেহারা এবং নাক নিয়ে এক ধরনের বিব্রত ভাব ছিল। ইউরোপে স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা এবং বিজ্ঞাপনে কাজ করে এ লাইনে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। তার প্রথম আমেরিকান সিনেমা ‘এক্সিট টু ইডেন’। যেখানে একজন পতিতার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন অ্যারনস। ম্যালা হরর সিনেমায় ছোটখাটো রোলে অভিনয় করেছেন তিনি। এর মধ্যে ‘আই নো হু কিলড মি’, ‘ড্র্যাগ মি টু হেল’, ‘দ্য কনজুরিং টু’ এবং ‘মুলহল্যান্ড ড্রাইভ’ ছবিগুলোর কথা বলা যায়। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘শ্যালো হাল’, ‘রিস্ট কাটারস :এ লাভ স্টোরি’, ‘হেল রাইড’, ‘ইন অ্যালেইনবল’, ‘ওয়ান টু মৈনি’, ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’, ‘ডাহমার ভার্সেস গেসি’, ‘দ্য ফিচেরো’, ‘সিলভার লাইনিংস প্লেবুক’, ‘অ্যাকসিডেন্টাল লাভ’ প্রভৃতি। গত বছর বনি অ্যারনসকে ‘অ্যানাবল ক্রিয়েশন’ ছবিতে দেখা গেছে। ‘ভালাক’ চরিত্রে বার বার দর্শকদের সামনে এসে ভৌতিক নারীরূপে সবার মধ্যে পরিচিতি লাভ করেছেন হলিউডি এই অভিনেত্রী। ‘দ্য নান’ ছবিতে আরেক প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন টাইসা ফারমিগা। মজার ব্যাপার হলো টাইসা ফারমিগা ‘দ্য কনজুরিং’ সিরিজের প্রধানদুটি সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে রূপদানকারী ভেরা ফারমিগার ছোটবোন। ভয়ংকরদর্শী সন্ন্যাসিনী প্রেতাত্মা ভালাক রূপে বনি অ্যারনস জনপ্রিয়তা লাভের কারণে দাবি ওঠে এই চরিত্রটিকে কেন্দ্র করে সিনেমা নির্মাণের। যে কারণে ‘অ্যানাবল ক্রিয়েশন’ ছবিতে তাকে দেখা গেছে। হালের ‘দ্য নান’ ছবির কাহিনি সময়কাল ‘অ্যানাবল ক্রিয়েশন’ ছবির সময়কালেরও বেশ আগে। এখন পর্যন্ত ‘দ্য কনজুরিং’ সিরিজের সময়রেখার সবচেয়ে প্রাচীন চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে ‘দ্য নান’। এ সিনেমার পুরো অংশের শুটিং হয়েছে রোমানিয়ায়। একটি বিষয় লক্ষণীয় হলো, বিশ্বেও আলোড়ন সৃষ্টিকারী ভৌতিক কাহিনিগুলোর উত্স রোমানিয়ায়। এখান থেকে বিভিন্ন হরর স্টোরির সূত্রপাত হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বব্যাপী।

 

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:২৮
যোহর১১:৫৫
আসর৪:২১
মাগরিব৬:০৮
এশা৭:২১
সূর্যোদয় - ৫:৪৪সূর্যাস্ত - ০৬:০৩
পড়ুন