রাউটার ডেটা ট্রান্সমিশনে সংঘর্ষ বা বাধার সম্ভাবনা কমায়
২৯ মে, ২০১৭ ইং
রাউটার ডেটা ট্রান্সমিশনে সংঘর্ষ বা বাধার সম্ভাবনা কমায়
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

মো. নুরুল হক

প্রভাষক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ

মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

 

প্রশ্নঃ  সুইচ কি? সুইচ ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা লিখ।

( সুইচ (Switch) : কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমে হাবের মতো এটিও একটি কানেকটিং ডিভাইস হিসেবে ব্যবহূত হয়। তবে সুইচ প্রেরক হতে আগত সিগনালকে গ্রহণ করার পর সরাসরি টার্গেট কম্পিউটারে প্রেরণ করে। কিন্তু হাব সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে সকল কম্পিউটারে পাঠায়।

সুইচের সুবিধা (Advantages of Switch):

(১)   ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সংঘর্ষ বাধার সম্ভাবনা কমায়।

(২) ভার্চুয়াল LAN ব্যবহার করে ব্রডকাস্ট নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

সুইচের অসুবিধা (Disadvantages of Switch) :

(১)   হাবের তুলনায় সুইচের দাম অপেক্ষাকৃত বেশি।

(২)   ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব নয়।

(৩) কনফিগারেশন তুলনামূলকভাবে জটিল।

প্রশ্নঃ  রাউটার কি? রাউটার ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা লিখ।

(রাউটার (Router): রাউটার ইন্টারনেটওয়ার্ক কানেকটিভিটি ডিভাইস হিসেবে ব্যবহূত হয়। রাউটারের মাধ্যমে একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা যায় এবং নেটওয়ার্ক সমপ্রসারণ করা যায়। এটি পোস্টম্যান-এর মতো উত্স কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে ডেটা প্যাকেট (ডেটার সমষ্টি) পৌঁছে দেয়।

রাউটারের সুবিধা (Advantages of Router) :

(১)   রাউটার ডেটা ট্রান্সমিশনে সংঘর্ষ বা বাঁধার সম্ভাবনা কমায়।

(২) এখানে ব্রডকাস্ট ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব হয়।

(৩) বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন( ইন্টারনেট, টোকেন, রিং ইত্যাদি সংযুক্ত করতে পারে।

রাউটারের অসুবিধা (Disadvantages of Router) :

(১) রাউটারের দাম বেশি।

(২) একই প্রটোকল ছাড়া রাউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে না।

(৩) এর কনফিগারেশন তুলনামূলকভাবে জটিল।

(৪) অপেক্ষাকৃত ধীরগতিসম্পন্ন।

প্রশ্নঃ নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড কি? সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।

( নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (Network Interface Card- NIC) : দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য একটি বিশেষ বর্তনীর প্রয়োজন হয়। এ বর্তনীকে যে কার্ডের উপর সজ্জিত করা হয় তাকে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বলে। একে LAN কার্ডও বলা হয়। নেটওয়ার্ক কার্ডের বৈশিষ্ট্য হলো এতে ৪৮ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নাম্বার থাকে যার ফলে একটি কার্ডের সাথে অপরটির কোন মিল থাকে না এই ক্রমিক নম্বরকে ম্যাক অ্যাড্রেস বলে। বিভিন্ন ধরনের অতিরিক্ত সুবিধা প্রাপ্তির জন্য ব্যবহূত উক্ত কার্ডসমূহকে Add in Card হিসেবে অভিহিত করা হয়। এ ধরনের কার্ডগুলো মাদারবোর্ডের এক্সপানশন স্পটে স্থাপন করা হয়। এই কার্ডকে এক্সপানশন স্পটে বসানোর পর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরিকৃত ড্রাইভার সফটওয়্যার দ্বারা ইন্সটল করতে হয়। NIC কার্ডটি পিসি এবং ডেটা ক্যাবলের সিগন্যাল আদান-প্রদানের কাজটি সমন্বয় করে থাকে। তবে বর্তমান কালের সকল কম্পিউটার বা ল্যাপটপে NIC কার্ড বিল্ট ইন থাকে বিধায় পৃথক কোনো কার্ড বসানোর প্রয়োজন হয় না। নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড পিসি এবং ডেটা কেবলের মধ্যে সিগন্যাল আদান-প্রদানের কাজটি সমন্বয় করে থাকে।

 

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৯ মে, ২০১৮ ইং
ফজর৩:৪৫
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩৫
মাগরিব৬:৪৩
এশা৮:০৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৮
পড়ুন