সুন্দরগঞ্জে তিস্তা গিলে খাচ্ছে ফসলি জমি ও বসতবাড়ি
২১ জুন, ২০১৭ ইং
খুব শিগগিরই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে ত্রাণ বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে —ইউএনও এস এম গোলাম কিবরিয়া

g রাশিদুল আলম চাঁদ, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা

উপজেলায় তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদ-নদী গিলে খাচ্ছে ফসলি জমি ও বসতবাড়ি। গত পাঁচদিনের ব্যবধানে তীব্র ভাঙনে সহস্রাধিক একর ফসলি জমি এবং দুই শতাধিক পরিবারের ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের কবলে পড়েছে পাঁচ শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ি। জানা গেছে, অবিরাম বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর, কঞ্চিবাড়ি ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে উপজেলার হরিপুর, শ্রীপুর, কঞ্চিবাড়ি ও কাপাসিয়া ইউনিয়নে তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে দুই শতাধিক পরিবারের ঘর-বাড়ি ও সহস্রাধিক একর ফসলি জমি। মাথায় হাত দিয়ে বসেছে চরাঞ্চলের কৃষকরা।

কাপাসিয়া ইউনিয়নের কালাইসোতার চরের জমি জিরাত ও বসত বাড়ি বিলীন হয়ে যাওয়া আনসার আলী জানান, পরিবার-পরিজন নিয়ে আমি এখন নিঃস্ব। কোথায় গিয়ে আশ্রয় নিব। দুইটি ঘরের মধ্যে একটি ঘর নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। বর্তমানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়ি বাঁধে আশ্রয় নিয়েছি। নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া পরিবারগুলো বাঁধের উপর খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবন-যাপন করছে।  কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান, গত চারদিনের ভাঙনে কমপক্ষে দুই শত পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পাঁচ শতাধিক পরিবারকে আশ্রয় কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বাঁধের উপর সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম গোলাম কিবরিয়া জানান, খুব শীঘ্রই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে। 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২১ জুন, ২০১৮ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পড়ুন