চাটমোহরে দোফসলি জমি লিজ নিয়ে ইটভাটা
১৯ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
চাটমোহরে দোফসলি জমি লিজ নিয়ে ইটভাটা

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান রশিদ হুসাইনী বলেন, ‘ইটভাটা স্থাপনের আগে কৃষি বিভাগের প্রত্যয়ন নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু এক্ষেত্রে তা নেওয়া হয়নি। প্রত্যায়নের জন্য তারা কোনো আবেদনও করেনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

g চাটমোহর (পাবনা) সংবাদদাতা

পাবনার চাটমোহর উপজেলার গুনাইগাছায় কৃষি জমি লিজ নিয়ে অননুমোদিত ইটভাটা স্থাপন করা হচ্ছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ইটভাটা স্থাপনের বিষয়ে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন কিংবা কৃষি বিভাগ কিছুই জানে না বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ইটভাটা স্থাপনকারী কোনো ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি। ইটভাটা স্থাপন কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরাও এ ব্যাপারে মুখ খোলেনি।

সরেজমিনে অনুসন্ধান চালিয়ে এলাকাবাসী ও ভাটা নির্মাণ কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে—ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান গুনাইগাছা এলাকার কাদরের ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে প্রায় ৩০ বিঘা ফসলি কৃষিজমি লিজ নিয়ে ইটভাটা স্থাপন প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এলাকার প্রায় ২০ জন কৃষক বার্ষিক প্রতি বিঘা ২০ হাজার টাকায় জমি লিজ দিয়েছেন। এই জমি দোফসলি। চৈতালী ও ধান উত্পাদন হয়ে থাকে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়—বেশ কিছু শ্রমিক ইটভাটা নির্মাণ কাজে নিয়োজিত। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন—এক ইঞ্জিনিয়ার প্রতি সপ্তাহে এসে তাদের মজুরি পরিশোধ করেন।

সরকারের অনুমোদন ছাড়াই নির্বিঘ্নে কৃষি জমি বিনষ্ট করে ইটভাটা তৈরি করা হচ্ছে। ইটভাটা তৈরি বা স্থাপনের পূর্বে পরিবেশ অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট শাখার অনুমোদন নিতে হয়। এ ক্ষেত্রে ভাটা স্থাপনকারীদের কোনো অনুমোদন নেই বলে একাধিক সূত্র জানা গেছে।

এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান রশিদ হুসাইনী বলেন, ‘ইটভাটা স্থাপনের আগে কৃষি বিভাগের প্রত্যায়ন নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু এক্ষেত্রে তা নেওয়া হয়নি। প্রত্যায়নের জন্য তারা কোনো আবেদনও করেনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসনিক পদক্ষেপ কেবল ইউএনও মহোদয় নিতে পারেন।’

 

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৯ অক্টোবর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৪২
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫২
মাগরিব৫:৩৩
এশা৬:৪৪
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:২৮
পড়ুন