‘হামরা মরার পর পাব বিধবা ভাতার কার্ড’
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং
g আদমদীঘি (বগুড়া) সংবাদদাতা

‘হামরা মরার পর পাবো সরকারের দেওয়া বিধবা বা বয়স্ক ভাতার কার্ড। কেউ হামাকরোর একটা কার্ড করে দিচ্ছে না’ -কথাগুলো কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলছিলেন আদমদীঘির জিনইর বাউস্ত পাড়ার দুই বিধবা নারী। বিধবা সুফিয়া বেওয়া ও জইদা বেওয়া আরো বলেন, ‘কেউই আমাদের কথা শোনে না, কাকে বললে কার্ড হবে। একাধিকবার মেম্বারের কাছে ধর্না দিয়ে কোনো লাভ হয়নি।

জানা যায়, আদমদীঘি সদর ইউনিয়নের জিনইর গ্রামের বাউস্ত পাড়ার মৃত করিম প্রামাণিকের বিধবা স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৭১)। তার স্বামী ১৬/১৭ বছর আগে মারা যান। এরপর সুফিয়া মানুষ সেবায় বাড়ি বাড়ি দাইয়ের কাজ করেন।  তার ৭১ বছর বয়স হলেও আজ পর্যন্ত তার নামে কোনো বিধবা বা বয়স্ক ভাতা কার্ড জুটলো না। একই পাড়ার মৃত আবুল হোসেনের স্ত্রী জইদা বেওয়া (৭৩)। তার স্বামী আবুল হোসেন মারা যান ১৩/১৪ বছর আগে। এখন পর্যন্ত তার কপালেও জুটেনি বয়স্ক বা বিধবা ভাতার কার্ড। এই দুই নারী বয়স্ক বা বিধবা ভাতা কার্ড থেকে বঞ্চিত। তারা বলেন, ‘কতবার মেম্বার আর চেয়ারম্যানকে বলেছি, তবুও কার্ড দেয় না। এমনকি মেম্বারকে ছবি আইডি কার্ডের ফটোকপি দিয়েছি তবু কোনো কার্ড করে দেয়নি।’

সমাজ সেবা অফিসার মো. শরিফ উদ্দীন জানান, চলতি বিধবা ও বয়স্ক ভাতা প্রদানের আগে মাঠ পর্যায়ে মাইকিং করে যাচাই বাছাই করে ভাতা প্রদান করা হবে। বিধবা ভাতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিধবা ভাতার ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম-নীতি অনুসারে বিধবা ও গরিব হতে হবে। বয়সের কোনো ব্যবধান নেই।

 

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ইং
ফজর৫:১৩
যোহর১২:১৩
আসর৪:২০
মাগরিব৫:৫৯
এশা৭:১২
সূর্যোদয় - ৬:২৯সূর্যাস্ত - ০৫:৫৪
পড়ুন