প্রিয় মুখ
জিনিয়াস জাহিদ
১২ নভেম্বর, ২০১৪ ইং
জিনিয়াস জাহিদ
জাহিদুর রহমান। অজপাড়াগায়ে প্রতিকূল পরিবেশে থেকে তিনি লেখালেখি শুরু করেন। এখন তিনি নাগরিক সাংবাদিক। সাংবাদিকতার জন্য ২০১৪ সালে জিতেছেন মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডও। তার বয়স ১০ কি ১১! ছোটবেলা থেকে গ্রামে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা জাহিদকে প্রলুব্ধ করল সাংবাদিক হতে। জাহিদ সেই পথেই হাটতে থাকলেন। মূলত তিনি সাংবাদিকতা শুরু করেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াবস্থায়। খুব কাছের স্কুলটির দূরত্ব ছিল ১০ কি.মি দূরে। পূর্বচরবাটা থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি দূরে হেঁটে গিয়ে মিলতো জেলা শহর। এলাকার এসব বেহাল চিত্র দেখে সাংবাদিকতা শুরু করেন তিনি।

শুরুটা বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকা ও সাপ্তাহিকে লেখালেখি করে। ইত্তেফাক, যুগান্তর ও সংবাদের চিঠিপত্র কলামে লিখতেন নিয়মিত। যাইহোক, গ্রামের সমস্যার কথাতো জানলো সবাই। তার লেখনিতে এলাকায় স্কুল, কলেজ হয়েছে। হয়েছে উন্নত রাস্তাঘাট, ডাকঘর ও কমিউনিটি হসপিটালও। ২০০৪ সালে এসএসসি পাস করে জেলা শহরে যান। সেখান থেকেই সাংবাদিকতার ওপর একটি প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজের লেখার হাতকে আরেকটু পোক্ত করলেন। প্রফেশনালি সাংবাদিকতা শুরু করেন নোয়াখালীর লোক সংবাদ প্রত্রিকায়।

সমাজে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা, শিশুদের অধিকারের কথা উঠে আসে জাহিদের লেখায়। লেখালেখির জন্য ২০০৫ সালে তিনি অর্জন করেছেন ম্যাসলাইন মিডিয়া সেন্টার প্রবর্তিত প্রাকৃতজন পুরস্কার। ২০১১ সালে পান আলোকিত ফেনী পুরস্কার। বাল্য বিয়ে নিয়ে ফার্স্ট নিউজে প্রকাশিত লেখার জন্য এবছর তিনি প্রিন্ট মিডিয়া বিভাগে প্রথম স্থান হয়ে জিতেন ইউনিসেফের মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড।

সাত ভাই বোনের মধ্যে জাহিদ অবস্থান পঞ্চম। বাবা লুত্ফর রহমান ৪০ বছরেরও বেশি সময় শিক্ষকতা করেছেন। মা আনোয়ারা বেগম গৃহিণী। জাহিদ তিতুমীর কলেজ থেকে বিএসএস পাস করেন। পড়েন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজও।

জাহিদ বলেন, আমরা সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ। নিষ্ঠার সাথে সামাজিক বৈষম্য ও সমস্যাগুলো নিয়ে লিখে যেতে চাই। সাংবাদিকতাই করবো যতদিন পারি। কারণ সাংবাদিকতাই আমার প্রাণ।

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১২ নভেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পড়ুন