বাংলার ভেনিসে বিতর্ক
আমিমুল হাসান১৪ জানুয়ারী, ২০১৫ ইং
বাংলার ভেনিসে বিতর্ক
বাংলার ভেনিস খ্যাত বরিশালের রূপ দেখে এলাম আমরা। নদী নালা খাল বিলের শহর বরিশাল। ঢাকা থেকে যার দূরত্ব প্রায় ৫০০ কিলোমিটার। দূরত্ব যাই হোক লঞ্চ ভ্রমণের আনন্দই আলাদা। তবে শহরের তরুণদের জন্য লঞ্চ ভ্রমণ একটা শঙ্কারও ব্যাপার। পারাবত, কর্ণফুলী, সুরভী, কীর্তনখোলা লঞ্চের নাম শুনেছি, তবে প্রথম বারের মতো আমরা কয়েকজন তরুণ বরিশালের মুখ দেখে এসেছি। রথ দেখা কলা বেচার মতো ঘটনা ঘটেছে।

২০-২১ ডিসেম্বর ২০১৪ বরিশাল ডিবেটিং সোসাইটি আয়োজন করেছে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা। এই আয়োজনে সরকারি-বেসরকারিসহ ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করেন। তুমুল যুক্তি, বুদ্ধির খেলায় মোকাবেলা করে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ফাইনালে যাবার যোগ্যতা অর্জন করে এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মোকাবেলা করে। ফাইনাল বিতর্কে রানার-আপ হয় স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইনাল বিতর্কের বিষয় ছিল- স্বাধীনতা পরবর্তী রাজনৈতিক দৈনতার দায় মধ্যবিত্ত সমাজের। স্টামফোর্ডের বিতার্কিকরা এই প্রস্তাবের কোঠর বিরোধিতা করেন। স্টামফোর্ডের পক্ষে আমি (আমিমুল হাসান), খন্দকার মহিউদ্দিন এবং রাকিব জোহা বিতর্কে অংশগ্রহণ করি।

ফাইনাল বিতর্কে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য বিতর্ক দেখেন। আমাদের সাথে তারা কথা বলেন এবং বিতর্কের প্রশংসা করেন। ফাইনাল বিতর্ক হয় অশ্বিনী কুমার টাউন হলে। অতিথিদের সাথে দর্শকদের ভিড় ছিল হল জুড়ে। বিতর্কের ফাঁকে আমরা ঘুরে বেড়িয়েছি বরিশাল শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। জীবনানন্দ দাশের কীর্তন খোলা নদী এবং পদ্মা নদী আমাদের আপ্লুত করেছে। পদ্মার পানির সাথে ঢেউ-এর ছলাত্ ছলাত্ শব্দ আমাদের একটু সময়ের জন্য হলেও নগর জীবনের বাইরে প্রকৃতির স্বাদ দিয়েছে। বরিশাল শহরের অনেক খুদে বিতার্কিক এসেছিল যারা আগামী দিনের যুক্তির জাদুকর হতে চায়। মনে রাখার মতো একটা ভ্রমণ ছিল আমাদের টিমের সবার জন্য। আবার যেতে চাই আরো ঘুরে বেড়াতে চাই। জয় হোক বরিশালের, জয় হোক বিতর্কের।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৪ জানুয়ারী, ২০১৮ ইং
ফজর৫:২৩
যোহর১২:০৮
আসর৩:৫৭
মাগরিব৫:৩৫
এশা৬:৫২
সূর্যোদয় - ৬:৪২সূর্যাস্ত - ০৫:৩০
পড়ুন