একধাপ এগিয়ে
এক শিল্পের কারিগর
সাজিদ আরাফাত১৪ জানুয়ারী, ২০১৫ ইং
 

শরীফ মো. আবু সুফিয়ান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি হতে লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশুনা শেষ করেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বৃহত্  কেমিকেল উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইউসিএল ও স্বদেশী প্রতিষ্ঠান রেমেক্স কর্পোরেশনের চামড়া প্রকৌশলী এবং কারিগরি পরামর্শক হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়া তিনি ইটালির লেদার কেমিক্যাল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে কারিগরি পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি পূর্বে জাপানিজ কোম্পানি ভিগ টেকনোসেও চামড়া প্রকৌশলী হিসেবে চাকরি করেছেন।

চামড়া শিল্পের ভগ্নদশা সম্পর্কে তার যথেষ্ট ধারণা ছিল তারপর শিক্ষাজীবন শেষ করে তিনি চামড়া শিল্পে ক্যারিয়ার তৈরিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। শুরুটা তার কখনোই মসৃণ ছিল না। বিভিন্ন চড়াই উতরাই পেরিয়ে সাফল্যকে আলিঙ্গন করেছেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা তার কর্মের ভিত তৈরিতে যথেষ্ঠ সাহায্য করেছে এবং শিল্পের বর্তমান অবস্থা এবং এর প্রচলন পদ্ধতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা অর্জনের জন্য শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায়ই তিনি সুযোগ পেলেই ট্যানারি এবং সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলোতে কার্যক্রম দেখতে যেতেন। ব্যবহারিক জ্ঞানের হাতে খড়ি তখনই। এ জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাইদের থেকে যারা চামড়া শিল্পে বিভিন্ন কারখানায় এবং প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন।

তাকে জিজ্ঞেসে করেছিলাম চামড়া শিল্পে ক্যারিয়ার তৈরিতে ঝুকি কেমন। প্রত্যুত্তরে তিনি বলেন ঝুকি যথেষ্টই রয়েছে কিন্তু যারা ঝুকি নিতে শিখেছে, আত্মপ্রত্যয়ই এবং যাদের নিজের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে তাদের জন্যে এই শিল্পে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। এই শিল্পে প্রতিযোগিতা তুলনামূলকভাবে বেশি এবং যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হয় কারণ চামড়া শিল্পে তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার থেকে শুরু করে কর্পোরেট কালচার সবকিছুরই অনুশীলন তুলনামূলকভাবে দিন দিন বাড়ছে। শিক্ষণ পদ্ধতিও এই শিল্পে অনেক ধীর গতির কারণ বেশিরভাগ সময়ই আমাদের দেশ হতে চামড়া ক্রাস্ট অথবা ফিনিসড আকারে বিদেশে রপ্তানি হয়ে যায়, যার ফলে দেশে চামড়ার পণ্য উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সংখা তুলনামূলকভাবে কম। তবে বর্তমান সময়য়ে পণ্য উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বিদেশি বিনিয়োগ ও সহবিনিয়োগ ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে।

চামড়া প্রকৌশলীদের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশি চামড়া প্রকৌশলীদের অভিজ্ঞতা অন্যান্য দেশের প্রকৌশলীদের থেকে কোন অংশেই কম নয় বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেকটুকুই এগিয়ে যেমন ক্রাস্ট এর কথাই ধরা যাক, বাংলাদেশ ক্রাস্ট নিঃসন্দেহে অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক ভাল করে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৪ জানুয়ারী, ২০১৮ ইং
ফজর৫:২৩
যোহর১২:০৮
আসর৩:৫৭
মাগরিব৫:৩৫
এশা৬:৫২
সূর্যোদয় - ৬:৪২সূর্যাস্ত - ০৫:৩০
পড়ুন