আইটি প্রশিক্ষণ নিয়ে সাফল্যের সারথীরা
০৬ মে, ২০১৫ ইং
বিশ্বব্যাপী সর্বত্রই এখন আইটির প্রসার ঘটেছে। সব ধরনের প্রতিষ্ঠানেই এখন দৈনন্দিন কাজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রেই রয়েছে আইটির ব্যবহার। আর সেই কারণে আইটি বিষয়ে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবলের চাহিদা সর্বত্রই বাড়ছে। আইটিতে দক্ষ জনবলের  চাহিদার কারণে আইটিতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী হচ্ছেন এখন অনেকেই। কিন্তু অনেকেরই ধারণা রয়েছে যে আইটিতে ক্যারিয়ার গড়তে হলে আইটি ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা জরুরি। এই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে যাচ্ছে আইডিবি-বিআইএসইডাব্লিউয়ের স্কলারশিপ প্রোগ্রাম। নন-আইটি ব্যাকগ্রাউন্ডের জন্যই এই প্রশিক্ষণ উন্মুক্ত। আর এখান থেকে সেই নন-আইটি ব্যাকগ্রাউন্ডের মানুষরাই প্রশিক্ষণ নিয়ে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছেন কর্মজীবনে। কেউ হয়েছেন উদ্যোক্তা, কেউ সফল প্রফেশনাল। তাদেরই কয়েকজনের কথা জানাচ্ছেন তরিকুর রহমান সজীব

মোহা. নাসির উদ্দীন

ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ফোরএক্সিজ আইটি

 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করা নাসির পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন পাবলিক অ্যাফেয়ার্সে। তবে গণিতে পড়ার সময়ে তার ফোরট্রান প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের সাথে পরিচয় ঘটে। আবার গণিতে পড়ার সুবাদে লজিকেও ছিলেন দক্ষ। সবমিলিয়ে প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ তৈরি হয় নাসিরের। ওইসময়েই আইডিবি-বিআইএসইডাব্লিউ স্কলারশিপের বিজ্ঞাপন নজরে আসে এবং ভর্তি হয়ে যান তিনি। সেটা ২০০৬ সালের কথা। দেড় বছরের ডিপ্লোমা শেষ করে অবশ্য শুরুতে বেশ কিছুদিন কর্মহীন থাকতে হয় তাকে। ওই সময় প্রসঙ্গে নাসির বলেন, ‘তখন আমি বেসিসের প্রতিটি সদস্য কোম্পানিতে ইমেইল পাঠিয়েছি। তাতে সাড়া না পেয়েছে আমি প্রতিটি কোম্পানিতে নিজে গিয়ে সিভি জমা দিয়েছি। শেষ পর্যন্ত একটি কোম্পানি আমাকে নিয়ে নেয়। পরে আমি আইডিবি-বিএসআইইডাব্লিউ স্কলারশিপ প্রোগ্রামেও প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করি। এনআইআইটিতেও আমি প্রশিক্ষক ছিলাম।’ উদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রার শুরুর সময় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করার সময়ই দেখেছি যে আইটিতে প্রশিক্ষণ নিয়েও অনেকে সুযোগের অভাবে ভালো কিছু করতে পারছে না। শেষে ২০১০ সালে ফোরএক্সিজ প্রতিষ্ঠা করি। মাত্র পাঁচ হাজার টাকার মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি আমরা। শুরুতে আউটসোর্সিং-নির্ভর কাজ করতে থাকি। শুরুতে কষ্ট হয়েছে চালাতে। তবে লেগে থেকেছি বলেই সাফল্য পেয়েছি।’ পরবর্তী সময়ে বেসিসের সদস্য হয় ফোরএক্সিজ। এখন দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে কাজ করতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নাসির।

 

মোহাম্মদ আব্দুর রহিম ভূঁইয়া

সিইও, পিংবিডি

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে পড়ালেখা করেছেন আব্দুর রহিম। সেখান থেকে বের হয়ে তিনি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন আইডিবি-বিআইএসইডাব্লিউ স্কলারশিপের অধীনে। মাইক্রোসফট সার্টিফায়েড প্রফেশনালও হয়ে যান তিনি। এরপর তিনি আইডিবিতেই সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করেছেন। একটা সময় তার মনে হয় নিজের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার। এভাবেই যাত্রা শুরু করে পিংবিডি। ব্যাকগ্রাউন্ডে আইটি না থাকলেও আইটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কেন গ্রহণ করেছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহিম বলেন, ‘আইটির ব্যবহার যেভাবে প্রসারিত হচ্ছিল, তাতে করে আমার মনে হয়েছে যে ভবিষ্যতে সব ক্ষেত্রেই আইটির ব্যবহার থাকবে এবং এগিয়ে যেতে হলে আইটি বিষয়ে দক্ষতা থাকা জরুরি। ওই সময়েই আমি আইডিবি-বিআইএসইডাব্লিউয়ের ডিপ্লোমা সম্পর্কে জানতে পারি। এখানকার কোর্স-কারিকুলাম দেখেও ভালো লাগে। তাই এই প্রোগ্রামে ভর্তি হয়ে যাই।’ নিজের প্রতিষ্ঠান পিংবিডি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমরা মূলত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ করে থাকি। আমাদের নিজস্ব সিএমএস সফটওয়্যারও রয়েছে। আমাদের কাজের পরিধি আসলে দিনে দিনে বাড়ছে। এখন ১০ জনের একটি টিম নিয়ে কাজ করছি আমরা।’ ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আরও দক্ষ জনবল তৈরির জন্য একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কাজও শুরু করেছেন আব্দুর রহিম। আশা করছেন তাতেও সাফল্য পাবেন তিনি।

মোহাম্মদ শাহ আলম হোসেন

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা (সিটিও),

মাইক্রো সলিউসন্স বাংলাদেশ

 

শাহ আলমের স্নাতক পর্যায়ের পড়ালেখা বাণিজ্য বিভাগ থেকে। স্নাতক শেষ করে চাকরির জন্য চেষ্টা করেও বেশ কিছুদিন বেকার বসে থাকতে হয় তাকে। সেই সময় তিনি এমন কিছু করার কথা ভাবছিলেন যাতে করে তার ব্যবহারিক কাজের দক্ষতা তৈরি হয়। এমন সময়ে তার নজর পড়ে আইডিবি-বিআইএসইডাব্লিউয়ের স্কলারশিপ প্রোগ্রামের খবর। খোঁজ-খবর নিয়ে সাহস করে ভর্তি হয়ে যান এই প্রোগ্রামে। তারপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। এখানকার প্রশিক্ষণ শেষ করে চাকরিও পেয়ে যান শাহ আলম হোসেন। কিন্তু নানা কারণেই কোথাও থিতু হতে পারছিলেন না তিনি। প্রথম চার বছরেই পাঁচটি চাকরি বদল করে অবশেষে চিন্তা করেন ভিন্ন কিছু করার। ততদিনে কাজের প্রায়োগিক দিকগুলোও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে তার কাছে। তাই শুরুতে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার চিন্তা-ভাবনা না থাকলেও ২০১২ সালে মাইক্রো সলিউসন্স বাংলাদেশ গড়ে তোলেন । ক্লায়েন্টদের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের কাজই করছেন তারা। পাশাপাশি চেষ্টা করছেন নিজেদের পণ্য ও সেবা তৈরির। উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য অভিজ্ঞতার প্রয়োজন বলে মনে করেন শাহ আলম। তিনি বলেন, ‘সরাসরি উদ্যোক্তা হওয়া যায় না। পড়ালেখা করে জ্ঞান অর্জন এক কথা আর বাস্তবে সেই জ্ঞান প্রয়োগ করা ভিন্ন কথা। কোথাও বাস্তবভিত্তিক কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হয়। প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়। আমি নিজে সেটাই করতে চেয়েছি।’

 

 

মো. বদিউল আলম

ম্যানেজার (সফটওয়্যার), আইটি; ইউটা গ্রুপ

 

কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে অর্থনীতি বিষয়ে পড়ালেখা করেছেন বদিউল আলম। আইটির প্রসারের দিকে লক্ষ্য রেখে ভবিষ্যতে আইটি-নির্ভর ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। আর সে কারণেই আইডিবি-বিআইএসইডাব্লিউ স্কলারশিপে ভর্তি হন তিনি। এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামের দ্বিতীয় রাউন্ডে ডাটাবেজ নিয়ে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন বদিউল আলম। এরপর ড্যাফোডিল সফটওয়্যারে কিছুদিন কাজ করে যোগ দেন ইউটা গ্রুপে। এখানেই আট বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক, সাপোর্ট টিমসহ আইটি সেটআপের পুরেটা নিয়েই কাজ তার। স্কলারশিপ প্রোগ্রাম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটি একটি আন্তর্জাতিক মানের প্রোগ্রাম। যে কারণে আমার মতো অনেকেই আইটির ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে না এসেও কিন্তু আইটিতে ভালো করছে। এই প্রোগ্রাম থেকে আরও বেশ কয়েকজন ইউটা গ্রুপেও করেছে। অনেকেই ইউটা গ্রুপে দুই/তিন বছর কাজ করে এখন প্রাণ, স্কয়ার হসপিটাল, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মতো সব শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে আইটিতে কাজ করছে। এখনও কয়েকজন এখানে কাজ করছে ৫/৬ বছর হলো। সবমিলিয়ে ভবিষ্যতে আইটিতে ক্যারিয়ার গড়তে হলে এটি একটি আদর্শ কোর্স বলেই মনে হয় আমার কাছে।’

রুবাইয়াত বিনতে ইসলাম

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক

 

অনার্স-মাস্টার্স শেষ করে রুবাইয়াত বিনতে ইসলাম আইডিবি-বিআইএসইডাব্লিউ স্কলারশিপের জন্য ভর্তি হন। তার পড়ালেখার বিষয় ছিল গণিত। মাস্টার্স পরীক্ষার পর জানতে পারেন এই স্কলারশিপের কথা। আন্তর্জাতিক মানের এই স্কলারশিপের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। চাকরি খোঁজার পাশাপাশি নিজের কাজের সুযোগের পথ উন্মুক্ত রাখতে শেষ পর্যন্ত ভর্তি হয়ে যান এই প্রোগ্রামে। গণিতের শিক্ষার্থী হওয়ায় প্রোগ্রামিংয়ের সাথে আগে থেকেই খানিকটা পরিচয় ছিল। এবারে পুরোদস্তুর প্রোগ্রামিংয়ের কাজ শিখে ফেলেন। একাদশ রাউন্ডের শিক্ষার্থী রুবাইয়াতের মূল বিষয় ছিল সি শার্প ডটনেট। প্রশিক্ষণ শেষ করে তিনি চাকরি পান স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে। এখানে ব্যাক এন্ডে কাজ করতে হয় তাকে। তাতে করে সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করতে হলেও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে তার যে পড়ালেখা, সেটার তেমন একটা ব্যবহার তাকে করতে হয় না। তেমন সুযোগ পেলে ভালো হতো বলেই মনে করেন তিনি। এখনও ইচ্ছা করেন সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করার।

 

শাহীনূর আখতার

প্রোগ্রামার, এটিআই লিমিটেড

 

আমাদের দেশের মেয়েরাও এখন আইটি বিষয়ক ক্যারিয়ারে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। আগে মেয়েদের অংশগ্রহণ আইটি খাতে অনেক কম থাকলেও এখন সেই চিত্র বদলে গেছে। আইটিতে ক্যারিয়ার গড়ে তোলা এমনই একজন হলেন শাহীনূর আখতার। একাডেমিক পড়ালেখায় অবশ্য তিনি বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অ্যাকাউন্টিংয়ে অনার্স-মাস্টার্স করেন শাহীনূর। তবে কম্পিউটারে আগ্রহ তার ছিল আগে থেকেই। এনআইআইটি থেকে তিনি প্রোগ্রামিংয়ে কোর্সও করেন। পরে মাস্টার্স পরীক্ষা শেষে তিনি খোঁজ পান আইডিবি-বিআইএসইডাব্লিউ প্রোগ্রামের। যেকোনো ব্যাকগ্রাউন্ড থেকেই এই কোর্স করার সুযোগ থাকায় আবেদন করতে দেরি করেননি। এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামের ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী শাহীনূর। কোর্স শেষ করেই চাকরি পেয়ে যান এটিআই লিমিটেডে। প্রোগ্রামার হিসেবে আট বছর হলো এখানেই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। মেয়েদের জন্য আইটি খাত এবং এই স্কলারশিপ প্রোগ্রাম অনেক উপযোগী হতে পারে বলে মনে করেন শাহীনূর। তিনি বলেন, ‘একটা সময় আইটি খাতে মেয়েদের দেখা যেত না। তবে এখন অনেক মেয়েই প্রোগ্রামার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী হয়ে উঠছে। এখন অনেক ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ের অংশগ্রহণ সমান। আইটির ব্যবহার যেভাবে প্রসার লাভ করেছে, তাতে করে মেয়েদের জন্য আইটিতে অনেক ভালো করার সুযোগ রয়েছে।’

 

মো. মনোয়ার হোসেন

এক্সিকিউটিভ অফিসার, ক্রেডিট অ্যান্ড আইটি ইনচার্জ, মার্কেন্টাইল ব্যাংক

 

মনোয়ার হোসেন পড়ালেখা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে। সেখানকার ষষ্ঠ ব্যাচের এই শিক্ষার্থী পড়ালেখা শেষ করে যখন চাকরি খুঁজছিলেন, তখন তার চোখে পড়ে আইডিবি-বিআইএসইডাব্লিউ স্কলারশিপের বিজ্ঞপ্তি। বাণিজ্য বিভাগে পড়ালেখা করলেও বিশ্বব্যাপী সর্বত্র যে আইটির ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ছে, সেটা চোখ এড়ায়নি মনোয়ার হোসেনের। ব্যাংক, বীমা, বহুজাতিক কোম্পানি—প্রতিটি ক্ষেত্রেই আইটির ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ায় তিনি নিজেও আগ্রহী ছিলেন কম্পিউটারের সাথে সংশ্লিষ্ট বাড়তি কোনো যোগ্যতা অর্জনের বিষয়ে। এই স্কলারশিপ তাকে সেই সুযোগটিই করে দেয়। অষ্টম রাউন্ডের ব্যাচে এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামে মেজর হিসেবে মনোয়ার হোসেন বেছে নেন নেটওয়ার্কিং। চাকরিজীবনে এসে সেটা ভালোভাবেই কাজে লাগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ওয়াইম্যাক্স অপারেটর কিউবিতে কিছুদিন কাজ করার পর এখন মার্কেন্টাইল ব্যাংকের দিনাজপুর শাখায় ক্রেডিট অ্যান্ড আইটি ইনচার্জ হিসেবে কাজ করছেন তিনি। স্কলারশিপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখনকার সময় বিবেচনায় বলতে হবে, এই স্কলারশিপ যেকোনো চাকরিপ্রার্থীর যোগ্যতা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া একজন চাকরিপ্রার্থীর আত্মবিশ্বাসকেও অনেকগুণ শক্তিশালী করে তুলতে সহায়তা করে এই প্রোগ্রাম।’

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৬ মে, ২০১৭ ইং
ফজর৪:০০
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:৩২
এশা৭:৫১
সূর্যোদয় - ৫:২২সূর্যাস্ত - ০৬:২৭
পড়ুন